রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ১৩ নং রামনাথপুর ইউনিয়নের জামদানি গ্রামে জন্ম নেওয়া সাহসী ও মানবিক তরুণ শাহিন, আজ এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। ছোটবেলা থেকেই তাঁর জীবনযাত্রা, আচরণ এবং মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।
শাহিন এর মা–বাবার স্বপ্ন—একদিন তাঁর সন্তান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গর্বিত সৈনিক হয়ে দেশের জন্য কাজ করবে। মা–বাবারা জানান,শাহিন অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, অসহায় মানুষের পাশে থাকে। আমাদের বিশ্বাস, একদিন সে বড় কিছু করবে ইনশাআল্লাহ।
এলাকাবাসীও তাঁকে একইভাবে ভালোবাসেন। জামদানি গ্রামের সাধারণ মানুষ জানান,
শাহিন আমাদের সন্তানের মতো। সে কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না। অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে—এই জন্যই আমরা তাকে সম্মান করি।
প্রতিদিন অসহায় ও দরিদ্র মানুষ তাকে উৎসাহ দেন এবং দোয়া করেন।
শিশুকাল থেকেই ন্যায়বোধ ও মানবিকতায় ভরপুর শাহিন অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করেন, অন্যের দুঃখ সহজে সহ্য করতে পারেন না। এ কারণে তিনি এলাকার মানুষের কাছে সাহসের প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
শুধু সাহসী ও মানবিক তরুণই নয়, শাহিন একজন তরুণ সাংবাদিক হিসেবেও পরিচিত। খুব অল্প বয়সেই তিনি তিন থেকে চারটি মিডিয়া নিউজ কোম্পানি প্ল্যাটফর্মের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এখনো তিনি সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত আছেন এবং অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতি ও অসহায় মানুষের সমস্যা নিয়ে নিয়মিত সংবাদ পরিবেশন করছেন। তিনি বিশ্বাস করেন—সত্য তুলে ধরলেই সমাজ পরিবর্তন সম্ভব।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, একদিন শাহিন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য হয়ে দেশের সেবা করবেন এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবেন। সমাজের মানুষ গর্ব করে বলেন,
শাহিন আমাদের আশার আলো। আমরা বিশ্বাস করি, সে একদিন বড় কিছু করবেই।
শাহিন জানান,মানুষের ভালোবাসা আমার শক্তি। আমি সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চাই, অসহায় মানুষের পাশে থাকতে চাই। দেশের জন্য কাজ করাই আমার স্বপ্ন।
বিষয় : রংপুর
.png)
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ১৩ নং রামনাথপুর ইউনিয়নের জামদানি গ্রামে জন্ম নেওয়া সাহসী ও মানবিক তরুণ শাহিন, আজ এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। ছোটবেলা থেকেই তাঁর জীবনযাত্রা, আচরণ এবং মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।
শাহিন এর মা–বাবার স্বপ্ন—একদিন তাঁর সন্তান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গর্বিত সৈনিক হয়ে দেশের জন্য কাজ করবে। মা–বাবারা জানান,শাহিন অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, অসহায় মানুষের পাশে থাকে। আমাদের বিশ্বাস, একদিন সে বড় কিছু করবে ইনশাআল্লাহ।
এলাকাবাসীও তাঁকে একইভাবে ভালোবাসেন। জামদানি গ্রামের সাধারণ মানুষ জানান,
শাহিন আমাদের সন্তানের মতো। সে কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না। অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে—এই জন্যই আমরা তাকে সম্মান করি।
প্রতিদিন অসহায় ও দরিদ্র মানুষ তাকে উৎসাহ দেন এবং দোয়া করেন।
শিশুকাল থেকেই ন্যায়বোধ ও মানবিকতায় ভরপুর শাহিন অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করেন, অন্যের দুঃখ সহজে সহ্য করতে পারেন না। এ কারণে তিনি এলাকার মানুষের কাছে সাহসের প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
শুধু সাহসী ও মানবিক তরুণই নয়, শাহিন একজন তরুণ সাংবাদিক হিসেবেও পরিচিত। খুব অল্প বয়সেই তিনি তিন থেকে চারটি মিডিয়া নিউজ কোম্পানি প্ল্যাটফর্মের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এখনো তিনি সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত আছেন এবং অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতি ও অসহায় মানুষের সমস্যা নিয়ে নিয়মিত সংবাদ পরিবেশন করছেন। তিনি বিশ্বাস করেন—সত্য তুলে ধরলেই সমাজ পরিবর্তন সম্ভব।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, একদিন শাহিন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য হয়ে দেশের সেবা করবেন এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবেন। সমাজের মানুষ গর্ব করে বলেন,
শাহিন আমাদের আশার আলো। আমরা বিশ্বাস করি, সে একদিন বড় কিছু করবেই।
শাহিন জানান,মানুষের ভালোবাসা আমার শক্তি। আমি সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চাই, অসহায় মানুষের পাশে থাকতে চাই। দেশের জন্য কাজ করাই আমার স্বপ্ন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন