নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় এক বৃদ্ধাকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে। নিহত দুলালী
বেগম (৬৫) ওই গ্রামের মৃত জেমসের স্ত্রী ছিলেন।
কিশোরগঞ্জের খামাত গাড়াগ্রাম শিমলারতল গ্রামে শুক্রবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা
জানান, দুলালী বেগম মেয়ের জামাইয়ের বাড়িতে থাকতেন। মৃত্যুর দিন সকালে তিনি মেয়ের জামাইয়ের
বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে, যারা নিজ নিজ সংসার
ও কর্মস্থলে থাকেন। স্থানীয়দের মতে, বৃদ্ধা ওইদিন দুপুর পর্যন্ত একাই ছিলেন।
আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর গ্রামের কিছু মানুষ তার বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার
সময় রক্তাক্ত অবস্থায় দুলালী বেগমের মরদেহ বাড়ির ধারে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-তদন্ত (ওসি) আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, ‘হত্যার রহস্য
উদঘাটনে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় বিভিন্ন সম্ভাব্য দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিস্তারিত তথ্য
পরে জানানো হবে।’
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সময় এলাকায় কোনো চিৎকার বা আওয়াজ না শুনতে পাওয়ায়
আশঙ্কা করা হচ্ছে, ঘটনা পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত হয়েছে। নিহত বৃদ্ধার ঘরে বা আশেপাশে কোনো
চুরি বা মূল্যবান জিনিসের ক্ষতি হয়েছে কি না, তা তদন্তের অংশ হিসেবে যাচাই করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা ঘটনায় শোক ও আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন। নুরুল হক নামে এক প্রতিবেশী বলেন,
‘এভাবে দিনের বেলাতেও কেউ নিরাপদ নয়। বৃদ্ধা একা থাকতেন, কিন্তু এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড
আমাদের পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।’
এমএইছ / ধ্রুবকণ্ঠ
বিষয় : কিশোরগঞ্জ নীলফামারী গলাকেটে হত্যা
.png)
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় এক বৃদ্ধাকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে। নিহত দুলালী
বেগম (৬৫) ওই গ্রামের মৃত জেমসের স্ত্রী ছিলেন।
কিশোরগঞ্জের খামাত গাড়াগ্রাম শিমলারতল গ্রামে শুক্রবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা
জানান, দুলালী বেগম মেয়ের জামাইয়ের বাড়িতে থাকতেন। মৃত্যুর দিন সকালে তিনি মেয়ের জামাইয়ের
বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে, যারা নিজ নিজ সংসার
ও কর্মস্থলে থাকেন। স্থানীয়দের মতে, বৃদ্ধা ওইদিন দুপুর পর্যন্ত একাই ছিলেন।
আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর গ্রামের কিছু মানুষ তার বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার
সময় রক্তাক্ত অবস্থায় দুলালী বেগমের মরদেহ বাড়ির ধারে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-তদন্ত (ওসি) আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, ‘হত্যার রহস্য
উদঘাটনে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় বিভিন্ন সম্ভাব্য দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিস্তারিত তথ্য
পরে জানানো হবে।’
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সময় এলাকায় কোনো চিৎকার বা আওয়াজ না শুনতে পাওয়ায়
আশঙ্কা করা হচ্ছে, ঘটনা পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত হয়েছে। নিহত বৃদ্ধার ঘরে বা আশেপাশে কোনো
চুরি বা মূল্যবান জিনিসের ক্ষতি হয়েছে কি না, তা তদন্তের অংশ হিসেবে যাচাই করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা ঘটনায় শোক ও আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন। নুরুল হক নামে এক প্রতিবেশী বলেন,
‘এভাবে দিনের বেলাতেও কেউ নিরাপদ নয়। বৃদ্ধা একা থাকতেন, কিন্তু এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড
আমাদের পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।’
এমএইছ / ধ্রুবকণ্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন