নাটোরের লালপুরে ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের তেল দেওয়ার কথা থাকলেও তেল না পেয়ে পেট্রোল পাম্প ঘেরাও ও মানববন্ধন করেছেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
গতকাল সোমবার (১৬ মার্চ) রাত সাড়ে ৮ টার সময় উপজেলার লালপুর বাজারের লালপুর ফিলিং স্টেশনে সামনে এই ঘটনাটি ঘটে। মোটরসাইকেলের জ্বালানি (তেল) সংকট নিয়ে চরম হতাশা বিরাজ করছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ করেই মোটরসাইকেলের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সহজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করছেন চালকরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আজকে লালপুর ফিলিং স্টেশনে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত তেল দেওয়ার কথা থাকলেও কিছুক্ষণ সময় তেল দিয়ে আর তেল দিচ্ছে না তাদের দাবি পরিপূর্ণ সরকার বলছে তেল সংকট নেই অথচ পেট্রোল পাম্প গুলো সংকট দেখাচ্ছে এক পর্যায়ে পেট্রোল পাম্পের স্টাফদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় পরে পেট্রোল পাম্পের সামনে বিক্ষিপ্ত জনতা ৩০ মিনিট ধরে মানববন্ধন করেন। মানববন্ধনের একপর্যায়ে পেট্রোল পাম্পের স্টারদের সঙ্গে হাতাহাতি শুরু হয় পরে পুলিশ এসে নিয়ন্ত্রণ করে এখন অবস্থা ভালো রয়েছে।
এ বিষয়ে লালপুর ফিলিং স্টেশনের কর্তৃপক্ষরা বলেন, আমাদের তেলের যতটুকু মজুদ ছিল সব দিয়ে দিয়েছি আমাদের কাছে আর তেল নেই এই কথা বলতেই গ্রাহকরা আমাদের পেট্রোল পাম্পের সামনে মানববন্ধন ও আমাদের স্টাফদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন।
পেট্রোলপাম্পে মোটরসাইকেলের জন্য পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ না থাকায় চালকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আবার কোথাও কোথাও নির্ধারিত সময়ের আগেই তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেকেই খালি হাতে ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন।
মোটরসাইকেল চালকদের ভাষ্য, দৈনন্দিন যাতায়াত, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং জরুরি কাজে মোটরসাইকেল ব্যবহার করলেও জ্বালানি সংকটের কারণে তারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষ ও ডেলিভারি সেবার সঙ্গে জড়িতদের ভোগান্তি বেশি হচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় এক মোটরসাইকেল চালক বলেন,‘আগে সহজেই পাম্পে গিয়ে তেল পাওয়া যেত। এখন অনেক সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাওয়া যায় না। এতে করে আমাদের কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে।’
অন্যদিকে পেট্রোলপাম্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরবরাহ কম থাকায় অনেক সময় চাহিদা অনুযায়ী তেল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
এদিকে দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন লালপুরের মোটরসাইকেল চালক ও সাধারণ মানুষ।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : তেল বিক্ষুব্ধ জনতা পেট্রোল পাম্প
.png)
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬
নাটোরের লালপুরে ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের তেল দেওয়ার কথা থাকলেও তেল না পেয়ে পেট্রোল পাম্প ঘেরাও ও মানববন্ধন করেছেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
গতকাল সোমবার (১৬ মার্চ) রাত সাড়ে ৮ টার সময় উপজেলার লালপুর বাজারের লালপুর ফিলিং স্টেশনে সামনে এই ঘটনাটি ঘটে। মোটরসাইকেলের জ্বালানি (তেল) সংকট নিয়ে চরম হতাশা বিরাজ করছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ করেই মোটরসাইকেলের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সহজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করছেন চালকরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আজকে লালপুর ফিলিং স্টেশনে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত তেল দেওয়ার কথা থাকলেও কিছুক্ষণ সময় তেল দিয়ে আর তেল দিচ্ছে না তাদের দাবি পরিপূর্ণ সরকার বলছে তেল সংকট নেই অথচ পেট্রোল পাম্প গুলো সংকট দেখাচ্ছে এক পর্যায়ে পেট্রোল পাম্পের স্টাফদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় পরে পেট্রোল পাম্পের সামনে বিক্ষিপ্ত জনতা ৩০ মিনিট ধরে মানববন্ধন করেন। মানববন্ধনের একপর্যায়ে পেট্রোল পাম্পের স্টারদের সঙ্গে হাতাহাতি শুরু হয় পরে পুলিশ এসে নিয়ন্ত্রণ করে এখন অবস্থা ভালো রয়েছে।
এ বিষয়ে লালপুর ফিলিং স্টেশনের কর্তৃপক্ষরা বলেন, আমাদের তেলের যতটুকু মজুদ ছিল সব দিয়ে দিয়েছি আমাদের কাছে আর তেল নেই এই কথা বলতেই গ্রাহকরা আমাদের পেট্রোল পাম্পের সামনে মানববন্ধন ও আমাদের স্টাফদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন।
পেট্রোলপাম্পে মোটরসাইকেলের জন্য পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ না থাকায় চালকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আবার কোথাও কোথাও নির্ধারিত সময়ের আগেই তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেকেই খালি হাতে ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন।
মোটরসাইকেল চালকদের ভাষ্য, দৈনন্দিন যাতায়াত, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং জরুরি কাজে মোটরসাইকেল ব্যবহার করলেও জ্বালানি সংকটের কারণে তারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষ ও ডেলিভারি সেবার সঙ্গে জড়িতদের ভোগান্তি বেশি হচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় এক মোটরসাইকেল চালক বলেন,‘আগে সহজেই পাম্পে গিয়ে তেল পাওয়া যেত। এখন অনেক সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাওয়া যায় না। এতে করে আমাদের কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে।’
অন্যদিকে পেট্রোলপাম্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরবরাহ কম থাকায় অনেক সময় চাহিদা অনুযায়ী তেল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
এদিকে দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন লালপুরের মোটরসাইকেল চালক ও সাধারণ মানুষ।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন