ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় মিঠুন মিয়া (৩৫) নামের এক যুবক তার ছোট ভাইয়ের ঘুষিতে মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার (০৫ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের পাকশিমুল পূর্বপাড়ায় এই ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মিঠুন মিয়া পাকশিমুল পূর্বপাড়ার মো. আঙ্গুর মিয়ার ছেলে।
পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার পর থেকে ছোট ভাই ইমরান মিয়া পালিয়ে
বেড়াচ্ছে।
স্থানীয়রা জানায়,
মিঠুন মিয়ার সঙ্গে
বিভিন্ন বিষয়
নিয়ে ছোট ভাই
ইমরান মিয়ার বিরোধ
চলে আসছিল। সোমবার
রাতে দুই ভাইয়ের
মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ছোট ভাই ইমরান
মিয়া মিঠুন মিয়ার
বুকে ঘুষি দিলে
মিঠুন মাটিতে লুটিয়ে
পড়ে।
পরে স্বজনরা মিঠুনকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের নিয়ে আসেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সরাইল
থানার
পরিদর্শক
(তদন্ত)
মো.
জহিরুল
ইসলাম
জানান,
লাশ
উদ্ধার
করে
ময়নাতদন্তের
জন্য
মঙ্গলবার
দুপুরে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
জেনারেল
হাসপাতালের
মর্গে
পাঠানো
হয়।
এ
ঘটনায়
পরিবারের
পক্ষ
থেকে
কেউ
অভিযোগ
করেনি।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় মিঠুন মিয়া (৩৫) নামের এক যুবক তার ছোট ভাইয়ের ঘুষিতে মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার (০৫ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের পাকশিমুল পূর্বপাড়ায় এই ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মিঠুন মিয়া পাকশিমুল পূর্বপাড়ার মো. আঙ্গুর মিয়ার ছেলে।
পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার পর থেকে ছোট ভাই ইমরান মিয়া পালিয়ে
বেড়াচ্ছে।
স্থানীয়রা জানায়,
মিঠুন মিয়ার সঙ্গে
বিভিন্ন বিষয়
নিয়ে ছোট ভাই
ইমরান মিয়ার বিরোধ
চলে আসছিল। সোমবার
রাতে দুই ভাইয়ের
মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ছোট ভাই ইমরান
মিয়া মিঠুন মিয়ার
বুকে ঘুষি দিলে
মিঠুন মাটিতে লুটিয়ে
পড়ে।
পরে স্বজনরা মিঠুনকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের নিয়ে আসেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সরাইল
থানার
পরিদর্শক
(তদন্ত)
মো.
জহিরুল
ইসলাম
জানান,
লাশ
উদ্ধার
করে
ময়নাতদন্তের
জন্য
মঙ্গলবার
দুপুরে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
জেনারেল
হাসপাতালের
মর্গে
পাঠানো
হয়।
এ
ঘটনায়
পরিবারের
পক্ষ
থেকে
কেউ
অভিযোগ
করেনি।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন