শীতে গোসলের পানির তাপমাত্রা শরীরের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। বেশির ভাগ মানুষই শীতে গরম পানি পছন্দ করেন। কারণ ঠান্ডা আবহাওয়ায় গরম পানি আরাম দেয়,
শরীরকে উষ্ণ রাখে। তবে পানিটা খুব গরম বা খুব ঠান্ডা হলে উল্টো ক্ষতিও হতে পারে। কোনটি ভালো—জেনে নিন।
বোস্টনের র্যাঞ্চোলজিস্ট ড. রানেলার মতে,
শীতকালে প্রতিদিন গোসল করার প্রয়োজন নেই। তিনি বলেছেন,
ত্বকের নিজে থেকেই পরিষ্কার হওয়ার ক্ষমতা আছে। আপনি যদি ঘামেন না এবং ধুলা-বালু বা ময়লার সংস্পর্শে না যান,
তাহলে শীতকালে প্রতিদিন গোসল করার দরকার নেই।
শীতকালে প্রতিদিন গরম পানিতে গোসল করলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। গরম পানিতে গোসল করার ফলে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল সরে যায়,
যার কারণে ত্বকে ফাটল দেখা দিতে শুরু করে। অতিরিক্ত গোসল ত্বককে আরও বেশি ফ্লেকি ও শুষ্ক করে তোলে,
কারণ এতে ত্বক আর আর্দ্র ও সুরক্ষিত থাকে না। এমনকি প্রতিদিন গোসলের ফলে হাতের নখ ও অনেক পাতলা হয়ে যেতে পারে। তার মানে গোসল বাদ দিতে হবে,
এমনটা নয়।
অনেকদিন গোসল
না করলে ত্বকে
নানা ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ দেখা দিতে পারে।
শীতকালে তাই
সপ্তাহে ২-৩
বারের বেশি গোসল
না করার পরামর্শ দিচ্ছেন চর্মরোগ চিকিৎসকরা। গোসল
না করার দিন
গুলোতে ভেজা তোয়ালে
দিয়ে শরীর মুছে
নেওয়া যেতে পারে।
এই অভ্যাস আপনাকে
গোসল ছাড়াও পরিষ্কার থাকতে সাহায্য করবে।
গরম পানি দিয়ে গোসল করলে যেসব ক্ষতি হয়
·
একজিমা, সোরিয়াসিসের মতো
ত্বকের রোগ থাকলে
গরম পানি সমস্যা
বাড়ায়।
·
ঠান্ডা পানি রোগ
প্রতিরোধ ক্ষমতা
বাড়াতে সাহায্য করতে
পারে।
·
প্রদাহ কমাতে সহায়ক;
ব্যথা বা ফোলাভাব কমায়।
·
ত্বকের বাইরের স্তর
নষ্ট হয়ে যেতে
পারে; এতে চুলকানি বা জ্বালা দেখা
দেয়।
·
শরীর সতেজ থাকে,
অলসভাব কমে—মনোযোগও বাড়ে।
·
ঠান্ডা পানিতে গোসলের
উপকারিতা
·
বেশি গরম পানি
ত্বকের প্রাকৃতিক তেল
কমিয়ে দেয়, শুষ্কতা বাড়ায়।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
শীতে গোসলের পানির তাপমাত্রা শরীরের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। বেশির ভাগ মানুষই শীতে গরম পানি পছন্দ করেন। কারণ ঠান্ডা আবহাওয়ায় গরম পানি আরাম দেয়,
শরীরকে উষ্ণ রাখে। তবে পানিটা খুব গরম বা খুব ঠান্ডা হলে উল্টো ক্ষতিও হতে পারে। কোনটি ভালো—জেনে নিন।
বোস্টনের র্যাঞ্চোলজিস্ট ড. রানেলার মতে,
শীতকালে প্রতিদিন গোসল করার প্রয়োজন নেই। তিনি বলেছেন,
ত্বকের নিজে থেকেই পরিষ্কার হওয়ার ক্ষমতা আছে। আপনি যদি ঘামেন না এবং ধুলা-বালু বা ময়লার সংস্পর্শে না যান,
তাহলে শীতকালে প্রতিদিন গোসল করার দরকার নেই।
শীতকালে প্রতিদিন গরম পানিতে গোসল করলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। গরম পানিতে গোসল করার ফলে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল সরে যায়,
যার কারণে ত্বকে ফাটল দেখা দিতে শুরু করে। অতিরিক্ত গোসল ত্বককে আরও বেশি ফ্লেকি ও শুষ্ক করে তোলে,
কারণ এতে ত্বক আর আর্দ্র ও সুরক্ষিত থাকে না। এমনকি প্রতিদিন গোসলের ফলে হাতের নখ ও অনেক পাতলা হয়ে যেতে পারে। তার মানে গোসল বাদ দিতে হবে,
এমনটা নয়।
অনেকদিন গোসল
না করলে ত্বকে
নানা ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ দেখা দিতে পারে।
শীতকালে তাই
সপ্তাহে ২-৩
বারের বেশি গোসল
না করার পরামর্শ দিচ্ছেন চর্মরোগ চিকিৎসকরা। গোসল
না করার দিন
গুলোতে ভেজা তোয়ালে
দিয়ে শরীর মুছে
নেওয়া যেতে পারে।
এই অভ্যাস আপনাকে
গোসল ছাড়াও পরিষ্কার থাকতে সাহায্য করবে।
গরম পানি দিয়ে গোসল করলে যেসব ক্ষতি হয়
·
একজিমা, সোরিয়াসিসের মতো
ত্বকের রোগ থাকলে
গরম পানি সমস্যা
বাড়ায়।
·
ঠান্ডা পানি রোগ
প্রতিরোধ ক্ষমতা
বাড়াতে সাহায্য করতে
পারে।
·
প্রদাহ কমাতে সহায়ক;
ব্যথা বা ফোলাভাব কমায়।
·
ত্বকের বাইরের স্তর
নষ্ট হয়ে যেতে
পারে; এতে চুলকানি বা জ্বালা দেখা
দেয়।
·
শরীর সতেজ থাকে,
অলসভাব কমে—মনোযোগও বাড়ে।
·
ঠান্ডা পানিতে গোসলের
উপকারিতা
·
বেশি গরম পানি
ত্বকের প্রাকৃতিক তেল
কমিয়ে দেয়, শুষ্কতা বাড়ায়।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন