ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

যে সকল খাবার শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়



যে সকল খাবার শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
ছবি: সংগৃহীত

খাবার শুধু শরীরের জ্বালানি নয়, রোগ প্রতিরোধের অন্যতম শক্তিশালী হাতিয়ার। শীতকালে সর্দিকাশি, জ্বরসহ নানা সংক্রামক রোগের প্রকোপ বাড়ে। এসব রোগ প্রতিরোধে শীতকালীন সবজি সঠিক খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

শীতকালীন ফল
জলপাই, পেয়ারা, বরই কমলা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফাইটোনিউট্রিয়েন্টে সমৃদ্ধ। এসব ফল রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ফ্লু, হাঁপানি, কোলন ক্যানসার বাতের ব্যথা কমাতে সহায়ক। কমলায় থাকা ভিটামিন সি, বিটা ক্যারোটিন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সর্দিকাশি সারাতে সাহায্য করে এবং হজমশক্তি মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। জলপাইয়ে থাকা ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদ্যন্ত্রের জন্য উপকারী।

ব্রকলি
ব্রকলি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার, ভিটামিন খনিজে ভরপুর। এতে থাকা সালফোরাফেন নামের শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়া জোরদার করে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। ফলে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা আরও সক্রিয় হয়।

চিকেন ভেজিটেবল স্যুপ
শীতকালে চিকেন ভেজিটেবল স্যুপ হতে পারে একটি স্বাস্থ্যকর খাবার। এতে থাকা অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি উপাদান রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে এবং ঠান্ডা লাগা বা ফ্লুর উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে। এটি শরীর উষ্ণ রাখে শক্তি জোগায়।

জিংকসমৃদ্ধ খাবার
সামুদ্রিক খাবার, মাংস, ডিমের কুসুম, দুধ দুগ্ধজাত খাবার, বাদাম এবং শিমের বীজ জিংকের ভালো উৎস। জিংক পেশিশক্তি রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা শক্তিশালী করে। এসব খাবারে থাকা ওমেগা, সেলেনিয়াম আয়োডিন থাইরয়েড গ্রন্থি হৃদ্যন্ত্রের সুরক্ষা নিশ্চিত করে।

টমেটো
টমেটো ভিটামিন , সি কে, খনিজ, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ। এতে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি কোলাজেন উৎপাদনের মাধ্যমে ত্বকের সুরক্ষা দেয়। টমেটো চোখের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।

প্রোবায়োটিক খাবার
টক দই, মিসো, কেফির, সাউরক্রাউট, কিমচি, পনির ভিনেগার ছাড়া আচার প্রোবায়োটিকসমৃদ্ধ। নিয়মিত এসব খাবার খেলে পরিপাকতন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ে, হজম ভালো হয় এবং খাবার থেকে পুষ্টি শোষণ সহজ হয়।

জীবনযাপনের পরামর্শ
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সঠিক খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম পর্যাপ্ত পানি পান জরুরি। শীতকালে প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে ২টার মধ্যে ২০৩০ মিনিট রোদে থাকা শরীরের জন্য উপকারী।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : ক্ষমতা শীত রোগ প্রতিরোধ

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬


যে সকল খাবার শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

প্রকাশের তারিখ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

খাবার শুধু শরীরের জ্বালানি নয়, রোগ প্রতিরোধের অন্যতম শক্তিশালী হাতিয়ার। শীতকালে সর্দিকাশি, জ্বরসহ নানা সংক্রামক রোগের প্রকোপ বাড়ে। এসব রোগ প্রতিরোধে শীতকালীন সবজি সঠিক খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

শীতকালীন ফল
জলপাই, পেয়ারা, বরই কমলা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফাইটোনিউট্রিয়েন্টে সমৃদ্ধ। এসব ফল রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ফ্লু, হাঁপানি, কোলন ক্যানসার বাতের ব্যথা কমাতে সহায়ক। কমলায় থাকা ভিটামিন সি, বিটা ক্যারোটিন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সর্দিকাশি সারাতে সাহায্য করে এবং হজমশক্তি মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। জলপাইয়ে থাকা ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদ্যন্ত্রের জন্য উপকারী।

ব্রকলি
ব্রকলি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার, ভিটামিন খনিজে ভরপুর। এতে থাকা সালফোরাফেন নামের শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়া জোরদার করে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। ফলে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা আরও সক্রিয় হয়।

চিকেন ভেজিটেবল স্যুপ
শীতকালে চিকেন ভেজিটেবল স্যুপ হতে পারে একটি স্বাস্থ্যকর খাবার। এতে থাকা অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি উপাদান রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে এবং ঠান্ডা লাগা বা ফ্লুর উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে। এটি শরীর উষ্ণ রাখে শক্তি জোগায়।

জিংকসমৃদ্ধ খাবার
সামুদ্রিক খাবার, মাংস, ডিমের কুসুম, দুধ দুগ্ধজাত খাবার, বাদাম এবং শিমের বীজ জিংকের ভালো উৎস। জিংক পেশিশক্তি রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা শক্তিশালী করে। এসব খাবারে থাকা ওমেগা, সেলেনিয়াম আয়োডিন থাইরয়েড গ্রন্থি হৃদ্যন্ত্রের সুরক্ষা নিশ্চিত করে।

টমেটো
টমেটো ভিটামিন , সি কে, খনিজ, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ। এতে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি কোলাজেন উৎপাদনের মাধ্যমে ত্বকের সুরক্ষা দেয়। টমেটো চোখের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।

প্রোবায়োটিক খাবার
টক দই, মিসো, কেফির, সাউরক্রাউট, কিমচি, পনির ভিনেগার ছাড়া আচার প্রোবায়োটিকসমৃদ্ধ। নিয়মিত এসব খাবার খেলে পরিপাকতন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ে, হজম ভালো হয় এবং খাবার থেকে পুষ্টি শোষণ সহজ হয়।

জীবনযাপনের পরামর্শ
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সঠিক খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম পর্যাপ্ত পানি পান জরুরি। শীতকালে প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে ২টার মধ্যে ২০৩০ মিনিট রোদে থাকা শরীরের জন্য উপকারী।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত