চিকিৎসা
খরচ কমাতে
বড়
ধরনের
নীতিগত
সিদ্ধান্ত
নিয়েছে
সরকার।
জাতীয়
অত্যাবশ্যকীয়
ওষুধের
তালিকায়
২৯৫টি
ওষুধ
অন্তর্ভুক্ত
করা
হয়েছে,
যেগুলোর
মূল্য
সরাসরি
সরকার
নির্ধারণ
করবে।
নির্ধারিত
দামের
বেশি
দামে
এসব
ওষুধ
বিক্রি
করা
যাবে
না।
আজ বৃহস্পতিবার
(০৮ জানুয়ারি) বিকেলে
ফরেন
সার্ভিস
একাডেমিতে
আয়োজিত
এক
সংবাদ
সম্মেলনে
এ
তথ্য
জানান
প্রধান
উপদেষ্টার
বিশেষ
সহকারী
অধ্যাপক
ডা.
মো.
সায়েদুর
রহমান।
তিনি
বলেন,
‘উপদেষ্টা
পরিষদের
সভায়
জাতীয়
অত্যাবশ্যকীয়
ওষুধের
তালিকা
ও
মূল্য
নির্ধারণ
সংক্রান্ত
নতুন
গাইডলাইন
অনুমোদন
দেওয়া
হয়েছে।‘
অধ্যাপক
সায়েদুর
রহমান
জানান,
১৯৮২
সালের
ওষুধ
নীতির
পর
দীর্ঘ
সময়
এ
তালিকা
হালনাগাদ
না
হওয়ায়
বাজারে
থাকা
১
হাজার
৩০০টির
বেশি
ওষুধের
দাম
সাধারণ
মানুষের
ক্রয়ক্ষমতার
বাইরে
চলে
গেছে।
নতুন
সিদ্ধান্ত
অনুযায়ী,
আগের
১১৭টি
ওষুধের
তালিকার
সঙ্গে
আরও
১৩৬টি
ওষুধ
যুক্ত
হয়ে
অত্যাবশ্যকীয়
ওষুধের
সংখ্যা
দাঁড়িয়েছে
২৯৫টিতে।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে
মোট
স্বাস্থ্য
ব্যয়ের
প্রায়
দুই-তৃতীয়াংশই
মানুষের
ব্যক্তিগত
পকেট
থেকে
ওষুধ
কিনতে
ব্যয়
হয়।
উন্নত
দেশগুলোর
মতো
স্বাস্থ্য
বিমা
বা
ব্যাপক
সরকারি
সুবিধা
না
থাকায়
ওষুধের
দাম
নিয়ন্ত্রণে
রাষ্ট্রীয়
হস্তক্ষেপ
ছাড়া
বিকল্প
ছিল
না।‘
এখন থেকে তালিকাভুক্ত
সব
অত্যাবশ্যকীয়
ওষুধের
দাম
সরকার
নির্ধারণ
করবে
উল্লেখ
করে
তিনি
বলেন,
বর্তমানে
যারা
নির্ধারিত
দামের
চেয়ে
বেশি
দামে
ওষুধ
বিক্রি
করছেন,
তাদের
পর্যায়ক্রমে
সরকারি
নির্ধারিত
মূল্যে
নামতে
হবে।
এ
উদ্যোগের
মূল
লক্ষ্য
হলো
সাধারণ
মানুষের
ওপর
ওষুধের
অতিরিক্ত
ব্যয়ের
চাপ
কমানো।
সংবাদ সম্মেলনে
উপস্থিত
ছিলেন প্রধান
উপদেষ্টার
প্রেস
সচিব
শফিকুল
আলম,
উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদসহ
সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তারা।
সরকারের
এ
সিদ্ধান্তে
জনস্বাস্থ্য
সেবায়
ইতিবাচক
পরিবর্তন
আসবে
বলে
আশা
করা
হচ্ছে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
আপনার মতামত লিখুন