ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

কেনার সময় যেভাবে বুঝবেন গাজর তেতো নাকি মিষ্টি



কেনার সময় যেভাবে বুঝবেন গাজর তেতো নাকি মিষ্টি
ছবি: সংগৃহীত

শীতের বাজারে লালচে ও কমলা রঙের নরম ও রসালো গাজর পাওয়া যায়, যা স্বাদ ও পুষ্টিগুণে অনন্য। চোখের দৃষ্টি ভালো রাখা থেকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো—বিভিন্ন ক্ষেত্রে গাজর উপকারী।

তবে অনেকেই বাজার থেকে ভুল করে বাসি, শক্ত কিংবা তেতো গাজর কিনে ফেলেন। কিছু সহজ টিপস খেয়াল করলেই বোঝা যায় গাজরটি কতটা ভালো। তাহলে চলুন, জেনে নেওয়া যাক—

আকার ও পুরুত্ব

গাজরের মোটা-চিকন ভাবেও স্বাদ বোঝা যায়। খুব মোটা গাজর সাধারণত শক্ত ও আঁশযুক্ত হয়। পাতলা ও মসৃণ গাজর বেশির ভাগ সময়ই ভেতর থেকে স্যাঁতসেঁতে ও মিষ্টি হয়। আর হাতে নিলে যদি নরম লাগে বা চামড়া কুঁচকে থাকে, তবে তা পুরনো।

রং দেখে নির্বাচন

তাজা ও মিষ্টি গাজর সাধারণত উজ্জ্বল কমলা রঙের হয়। রং যত উজ্জ্বল হবে, তত বেশি টাটকা ও মিষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর ফ্যাকাশে বা বাদামি আভা থাকলে গাজর বাসি বা স্বাদহীন হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

দাগ বা ফাটল দেখুন

খোসায় দাগ, ফাটল বা ছত্রাকের চিহ্ন থাকলে তা কেনা উচিত নয়।

ভাঙলে ভেতর যদি উজ্জ্বল ও স্যাঁতসেঁতে হয়, তবে তা তাজা হয়। আর ভেতর সাদা ও শুকনো হলে স্বাদ কম থাকে।

 

পাতা ও গন্ধ পরীক্ষা

পাতা থাকলে সেটিও গাজরের তাজা হওয়ার বড় পরিচয়। সবুজ ও টাটকা পাতা মানে নতুন গাজর, আর শুকনা বা হলদে পাতা হলে সেগুলো কেনা উচিত নয়। তবে পাতা না থাকলে গন্ধ যাচাই করে দেখতে পারে। টাটকা গাজরে থাকে মাটির মতো হালকা ও মিষ্টি গন্ধ, আর বাসি বা পচা গাজরে টক গন্ধ পাওয়া যায়।

গাজরের উপকারিতা

গাজর ভিটামিন এ–এর অন্যতম ভালো উৎস, যা চোখের দৃষ্টি শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের প্রদাহ কমায়, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ত্বকের উজ্জ্বলতা ও আর্দ্রতা বজায় রাখে, হজমশক্তি উন্নত করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমায় এবং রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে।

সালাদ, তরকারি, জুস, হালুয়া—গাজর নানা উপায়ে খাওয়া যায়। তবে বাজারে সঠিক গাজর বেছে নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ভুল গাজর কিনলে স্বাদ কমে যায়, পুষ্টিগুণ হ্রাস পায়। তাই কেনার সময় রং, গন্ধ, আকার ও পাতার অবস্থায় নজর রাখলেই ভালো গাজর চেনা সহজ।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ 

বিষয় : গাজর উপকারিতা আকার ও পুরুত্ব শীতের বাজার

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫


কেনার সময় যেভাবে বুঝবেন গাজর তেতো নাকি মিষ্টি

প্রকাশের তারিখ : ২২ নভেম্বর ২০২৫

featured Image

শীতের বাজারে লালচে ও কমলা রঙের নরম ও রসালো গাজর পাওয়া যায়, যা স্বাদ ও পুষ্টিগুণে অনন্য। চোখের দৃষ্টি ভালো রাখা থেকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো—বিভিন্ন ক্ষেত্রে গাজর উপকারী।

তবে অনেকেই বাজার থেকে ভুল করে বাসি, শক্ত কিংবা তেতো গাজর কিনে ফেলেন। কিছু সহজ টিপস খেয়াল করলেই বোঝা যায় গাজরটি কতটা ভালো। তাহলে চলুন, জেনে নেওয়া যাক—

আকার ও পুরুত্ব

গাজরের মোটা-চিকন ভাবেও স্বাদ বোঝা যায়। খুব মোটা গাজর সাধারণত শক্ত ও আঁশযুক্ত হয়। পাতলা ও মসৃণ গাজর বেশির ভাগ সময়ই ভেতর থেকে স্যাঁতসেঁতে ও মিষ্টি হয়। আর হাতে নিলে যদি নরম লাগে বা চামড়া কুঁচকে থাকে, তবে তা পুরনো।

রং দেখে নির্বাচন

তাজা ও মিষ্টি গাজর সাধারণত উজ্জ্বল কমলা রঙের হয়। রং যত উজ্জ্বল হবে, তত বেশি টাটকা ও মিষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর ফ্যাকাশে বা বাদামি আভা থাকলে গাজর বাসি বা স্বাদহীন হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

দাগ বা ফাটল দেখুন

খোসায় দাগ, ফাটল বা ছত্রাকের চিহ্ন থাকলে তা কেনা উচিত নয়।

ভাঙলে ভেতর যদি উজ্জ্বল ও স্যাঁতসেঁতে হয়, তবে তা তাজা হয়। আর ভেতর সাদা ও শুকনো হলে স্বাদ কম থাকে।

 

পাতা ও গন্ধ পরীক্ষা

পাতা থাকলে সেটিও গাজরের তাজা হওয়ার বড় পরিচয়। সবুজ ও টাটকা পাতা মানে নতুন গাজর, আর শুকনা বা হলদে পাতা হলে সেগুলো কেনা উচিত নয়। তবে পাতা না থাকলে গন্ধ যাচাই করে দেখতে পারে। টাটকা গাজরে থাকে মাটির মতো হালকা ও মিষ্টি গন্ধ, আর বাসি বা পচা গাজরে টক গন্ধ পাওয়া যায়।

গাজরের উপকারিতা

গাজর ভিটামিন এ–এর অন্যতম ভালো উৎস, যা চোখের দৃষ্টি শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের প্রদাহ কমায়, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ত্বকের উজ্জ্বলতা ও আর্দ্রতা বজায় রাখে, হজমশক্তি উন্নত করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমায় এবং রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে।

সালাদ, তরকারি, জুস, হালুয়া—গাজর নানা উপায়ে খাওয়া যায়। তবে বাজারে সঠিক গাজর বেছে নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ভুল গাজর কিনলে স্বাদ কমে যায়, পুষ্টিগুণ হ্রাস পায়। তাই কেনার সময় রং, গন্ধ, আকার ও পাতার অবস্থায় নজর রাখলেই ভালো গাজর চেনা সহজ।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ 


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৫ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত