ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

প্রক্টরের পদত্যাগ চাইলেন ইবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ



প্রক্টরের পদত্যাগ চাইলেন ইবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
ছবি : সংগৃহীত

সাজিদ হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে ইবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদ প্রক্টর ড. মোঃ শাহীনুজ্জামানের পদত্যাগ দাবি করেন। এছাড়াও বক্তব্যে সাহেদ বলেন, প্রক্টর যদি পদত্যাগ না করেন, তাহলে প্রশাসন কর্তৃক তাকে অপসারণ করতে হবে; অন্যথায় বুধবার উপাচার্য কার্যালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারিও দেন সাহেদ৷   

এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইইই বিভাগ সহ বিভিন্ন বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীরা৷ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একটি প্রতিবাদ লিপও প্রকাশ করা হয়েছে৷ এছাড়া ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তার ফেসবুক আইডি থেকে পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছেন, প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি ছাত্রদলের সাংগঠনিক কোনো সিদ্ধান্ত নয়৷  

ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী মুবাশশির আমির বলেছেন, "প্রশাসন ভবন ঘেরাও করার মতো জনবল আছে তো?আবার দেখা গেলো শুধুমাত্র EEE বিভাগের  শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে নিজেদেরই ক্যাম্পাস থেকে পালাতে হচ্ছে!"

এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহের সিসি ক্যামেরা মনিটরিং সিস্টেম আইসিটি সেল থেকে প্রক্টর অফিসে স্থাপনের বিষয়ে ১৫ জুলাই চিঠি ইস্যু করা হলেও আমরা চিঠি পেয়েছি ১৮ জুলাই। এছাড়া এখনো আইসিটি সেল মনিটরিং সিস্টেম প্রক্টর অফিসকে বুঝিয়ে দেয়নি। হলের সিসিটিভি ফুটেজ গায়েবের দায় হল প্রভোস্টের। সাজিদ ইস্যুতে সিআইডিকে আমার দপ্তর থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হচ্ছে। আমি সত্য ও ন্যায়ের পথে থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করছি। শিক্ষার্থীরা যেদিন চাইবে না এক মুহূর্তও আমি এ পদে থাকব না।

বিষয় : ছাত্রদল সাজিদ হত্যাকাণ্ড প্রক্টরের পদত্যাগ

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬


প্রক্টরের পদত্যাগ চাইলেন ইবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

সাজিদ হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে ইবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদ প্রক্টর ড. মোঃ শাহীনুজ্জামানের পদত্যাগ দাবি করেন। এছাড়াও বক্তব্যে সাহেদ বলেন, প্রক্টর যদি পদত্যাগ না করেন, তাহলে প্রশাসন কর্তৃক তাকে অপসারণ করতে হবে; অন্যথায় বুধবার উপাচার্য কার্যালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারিও দেন সাহেদ৷   

এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইইই বিভাগ সহ বিভিন্ন বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীরা৷ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একটি প্রতিবাদ লিপও প্রকাশ করা হয়েছে৷ এছাড়া ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তার ফেসবুক আইডি থেকে পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছেন, প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি ছাত্রদলের সাংগঠনিক কোনো সিদ্ধান্ত নয়৷  

ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী মুবাশশির আমির বলেছেন, "প্রশাসন ভবন ঘেরাও করার মতো জনবল আছে তো?আবার দেখা গেলো শুধুমাত্র EEE বিভাগের  শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে নিজেদেরই ক্যাম্পাস থেকে পালাতে হচ্ছে!"

এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহের সিসি ক্যামেরা মনিটরিং সিস্টেম আইসিটি সেল থেকে প্রক্টর অফিসে স্থাপনের বিষয়ে ১৫ জুলাই চিঠি ইস্যু করা হলেও আমরা চিঠি পেয়েছি ১৮ জুলাই। এছাড়া এখনো আইসিটি সেল মনিটরিং সিস্টেম প্রক্টর অফিসকে বুঝিয়ে দেয়নি। হলের সিসিটিভি ফুটেজ গায়েবের দায় হল প্রভোস্টের। সাজিদ ইস্যুতে সিআইডিকে আমার দপ্তর থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হচ্ছে। আমি সত্য ও ন্যায়ের পথে থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করছি। শিক্ষার্থীরা যেদিন চাইবে না এক মুহূর্তও আমি এ পদে থাকব না।


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত