নিজে দুর্নীতি করবেন না এবং কাউকে করতেও দেবেন না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ গড়তে হলে শিক্ষার ভিত্তি শক্ত করতে হবে এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সব দপ্তরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। আগামী পাঁচ বছরে মন্ত্রণালয়ের কোথাও কোনো ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে না। এমনকি কাউকে দুর্নীতি করতেও দেওয়া হবে না।
আজ
শনিবার (২১
ফেব্রুয়ারি) শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন
তিনি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষা হলো রাষ্ট্রগঠনের ভিত্তি। ভিত্তি দুর্বল হলে উঁচু ভবন দাঁড় করে লাভ নেই। তাই শিক্ষার অবকাঠামো মজবুত করাই সবার দায়িত্ব। শিক্ষার মানোন্নয়নে তিনটি বিষয়ের ওপর জোর দিতে হবে। সেটি হচ্ছে— ‘কারিকুলাম, ক্লাসরুম ও কনসিস্টেন্সি’। পাঠ্যক্রম ভালো হতে হবে, শ্রেণিকক্ষে কার্যকরভাবে পাঠদান নিশ্চিত করতে হবে এবং সারা দেশে শিক্ষার মানে সামঞ্জস্য থাকতে হবে। বর্তমানে দেশে বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম, কারিগরি শিক্ষা ও বিভিন্ন ধারার মাদ্রাসাসহ বহু শিক্ষাধারা রয়েছে। এসব ধারার মধ্যে মানগত সমন্বয় জরুরি।
ভাষা শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন,
জ্ঞান
ভাষার
মধ্যেই
গঠিত
ও
প্রকাশিত
হয়।
প্রাথমিক
শিক্ষায়
ভাষা
ও
গণিতকে
সবচেয়ে
বেশি
গুরুত্ব
দিতে
হবে।
ভাষা
ও
গণিতে
দুর্বলতা
থাকলে
শিক্ষার
ভিত্তি
শক্ত
হয়
না।
এ
ক্ষেত্রে
প্রয়োজন
হলে
পাঠ্যক্রম
পর্যালোচনায়
টাস্কফোর্স
গঠনের
কথাও
জানান
তিনি।
তৃতীয়
ভাষা
শিক্ষা
ধাপে
ধাপে
চালু
করা
হবে।
তবে
ইংরেজি
শেখানোর
আগে
বাংলা
ভাষায়
দক্ষতা
নিশ্চিত
করা
জরুরি।
অনেক
শিক্ষার্থী
বাংলাতেই
সঠিকভাবে
শেখে
না।
এ
বাস্তবতা
পরিবর্তনে
জোর
দিতে
হবে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন
সব
দপ্তরে
দুর্নীতিমুক্ত
পরিবেশ
গড়ে
তোলা
হবে।
আমরা
নিজেরা
দুর্নীতিতে
জড়াব
না
এবং
অন্যদের
ক্ষেত্রেও
কঠোর
নজরদারি
থাকব।
দেশকে
ভালোবাসার
প্রমাণ
শুধু
আন্দোলনে
নয়,
কর্মক্ষেত্রেও
দিতে
হবে।
দুর্নীতিমুক্ত,
মানসম্মত
ও
সামঞ্জস্যপূর্ণ
শিক্ষাব্যবস্থা
গড়ে
তুলতে
পারলে
শক্ত
ভিত্তির
ওপর
দাঁড়িয়ে
বাংলাদেশ
বিশ্বে
মাথা
উঁচু
করে
দাঁড়াতে
পারবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব
আবু
তাহের
মো.
মাসুদ
রানার
সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠানে
প্রধান
অতিথি
হিসেবে
উপস্থিত
ছিলেন
শিক্ষামন্ত্রী
আ
ন
ম
এহছানুল
হক
মিলন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিজে দুর্নীতি করবেন না এবং কাউকে করতেও দেবেন না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ গড়তে হলে শিক্ষার ভিত্তি শক্ত করতে হবে এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সব দপ্তরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। আগামী পাঁচ বছরে মন্ত্রণালয়ের কোথাও কোনো ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে না। এমনকি কাউকে দুর্নীতি করতেও দেওয়া হবে না।
আজ
শনিবার (২১
ফেব্রুয়ারি) শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন
তিনি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষা হলো রাষ্ট্রগঠনের ভিত্তি। ভিত্তি দুর্বল হলে উঁচু ভবন দাঁড় করে লাভ নেই। তাই শিক্ষার অবকাঠামো মজবুত করাই সবার দায়িত্ব। শিক্ষার মানোন্নয়নে তিনটি বিষয়ের ওপর জোর দিতে হবে। সেটি হচ্ছে— ‘কারিকুলাম, ক্লাসরুম ও কনসিস্টেন্সি’। পাঠ্যক্রম ভালো হতে হবে, শ্রেণিকক্ষে কার্যকরভাবে পাঠদান নিশ্চিত করতে হবে এবং সারা দেশে শিক্ষার মানে সামঞ্জস্য থাকতে হবে। বর্তমানে দেশে বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম, কারিগরি শিক্ষা ও বিভিন্ন ধারার মাদ্রাসাসহ বহু শিক্ষাধারা রয়েছে। এসব ধারার মধ্যে মানগত সমন্বয় জরুরি।
ভাষা শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন,
জ্ঞান
ভাষার
মধ্যেই
গঠিত
ও
প্রকাশিত
হয়।
প্রাথমিক
শিক্ষায়
ভাষা
ও
গণিতকে
সবচেয়ে
বেশি
গুরুত্ব
দিতে
হবে।
ভাষা
ও
গণিতে
দুর্বলতা
থাকলে
শিক্ষার
ভিত্তি
শক্ত
হয়
না।
এ
ক্ষেত্রে
প্রয়োজন
হলে
পাঠ্যক্রম
পর্যালোচনায়
টাস্কফোর্স
গঠনের
কথাও
জানান
তিনি।
তৃতীয়
ভাষা
শিক্ষা
ধাপে
ধাপে
চালু
করা
হবে।
তবে
ইংরেজি
শেখানোর
আগে
বাংলা
ভাষায়
দক্ষতা
নিশ্চিত
করা
জরুরি।
অনেক
শিক্ষার্থী
বাংলাতেই
সঠিকভাবে
শেখে
না।
এ
বাস্তবতা
পরিবর্তনে
জোর
দিতে
হবে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন
সব
দপ্তরে
দুর্নীতিমুক্ত
পরিবেশ
গড়ে
তোলা
হবে।
আমরা
নিজেরা
দুর্নীতিতে
জড়াব
না
এবং
অন্যদের
ক্ষেত্রেও
কঠোর
নজরদারি
থাকব।
দেশকে
ভালোবাসার
প্রমাণ
শুধু
আন্দোলনে
নয়,
কর্মক্ষেত্রেও
দিতে
হবে।
দুর্নীতিমুক্ত,
মানসম্মত
ও
সামঞ্জস্যপূর্ণ
শিক্ষাব্যবস্থা
গড়ে
তুলতে
পারলে
শক্ত
ভিত্তির
ওপর
দাঁড়িয়ে
বাংলাদেশ
বিশ্বে
মাথা
উঁচু
করে
দাঁড়াতে
পারবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব
আবু
তাহের
মো.
মাসুদ
রানার
সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠানে
প্রধান
অতিথি
হিসেবে
উপস্থিত
ছিলেন
শিক্ষামন্ত্রী
আ
ন
ম
এহছানুল
হক
মিলন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন