ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

সড়ক দুর্ঘটনা থানচি লিটক্রে সীমান্তে সড়ক প্রাণ গেল চালক



সড়ক দুর্ঘটনা থানচি লিটক্রে সীমান্তে সড়ক প্রাণ গেল চালক
ছবি: সংগৃহীত

বান্দরবানের থানচি উপজেলা, বাংলাদেশমিয়ানমার সীমান্তসংলগ্ন দুর্গম লিটক্রে সড়কে গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন এক শ্রমজীবী গাড়ি চালক উশৈপ্রু মারমা ৩৫,

গ্রামের বাড়ী রাঙামাটি জেলার সাবমারা গ্রামে বেতবুনিয়া এলাকা থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরে থানচি সীমান্ত সড়কে নির্মান কাজের সূজন দাশ ঠিকাদারের সাথে ২০২১ সালে এসেছিলেন। - হতে মাস কাজ করে বর্ষা মৌসুমে বাড়ী যেতেন কিন্তু

পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম এই ব্যক্তির জীবন থেমে গেল আজ বৃহস্পতিবার জানুয়ারী সকালে তার চালিত লক্কর জক্কর পুরোনো জিব গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হাড়িয়ে সড়কে পাশে উল্টে গিয়ে গুরুত্বরো আহত অবস্থা স্থানীয়রা উদ্ধার করে থানচি সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো: ওয়াহিদুজ্জামান মুরাদ তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

নিহত চালক জীবিকার তাগিদে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গাড়ি চালিয়ে সংসার চালাতেন। হঠাৎ এই দুর্ঘটনায় তার মৃত্যুতে পরিবারটি চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। স্বামীহারা স্ত্রী এখন তিন সন্তানদুই মেয়ে এক ছেলেনিয়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছেন।

স্ত্রী হ্রাশৈউ মারমা বলেন,বড় মেয়ে মেওযাইন মারমা সাবমারা পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের   ৭ম শ্রেনিতে পড়ে। ছেলে ক্যথোয়াইচিং মারমা ১ম শ্রেনিতে, ছোট মেয়ে মাত্র দেড় বছর।আমার স্বামীই ছিল সংসারের সব। এখন বাচ্চাদের নিয়ে কীভাবে বাঁচব জানি না।

সাবমারা গ্রামে প্রধান চিংথোয়াইউ কারবারী বরেন, নিহত গাড়ি চালকের পরিবারটি অত্যন্ত দরিদ্র। উপার্জনের একমাত্র ভরসা ছিলেন তিনি। তার মৃত্যুর পর পরিবারটি এখন চরম মানবিক সংকটে পড়েছে। শিশু সন্তানদের পড়ালেখা, খাবার চিকিৎসা নিয়ে দেখা দিয়েছে গভীর অনিশ্চয়তা।

এলাকাবাসী সচেতন মহল নিহত চালকের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সরকারি সহায়তা মানবিক সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি দুর্গম সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো পরিবারকে এভাবে সর্বস্ব হারাতে না হয়।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : সীমান্ত সড়ক দুর্ঘটনা চালক

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬


সড়ক দুর্ঘটনা থানচি লিটক্রে সীমান্তে সড়ক প্রাণ গেল চালক

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

বান্দরবানের থানচি উপজেলা, বাংলাদেশমিয়ানমার সীমান্তসংলগ্ন দুর্গম লিটক্রে সড়কে গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন এক শ্রমজীবী গাড়ি চালক উশৈপ্রু মারমা ৩৫,

গ্রামের বাড়ী রাঙামাটি জেলার সাবমারা গ্রামে বেতবুনিয়া এলাকা থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরে থানচি সীমান্ত সড়কে নির্মান কাজের সূজন দাশ ঠিকাদারের সাথে ২০২১ সালে এসেছিলেন। - হতে মাস কাজ করে বর্ষা মৌসুমে বাড়ী যেতেন কিন্তু

পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম এই ব্যক্তির জীবন থেমে গেল আজ বৃহস্পতিবার জানুয়ারী সকালে তার চালিত লক্কর জক্কর পুরোনো জিব গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হাড়িয়ে সড়কে পাশে উল্টে গিয়ে গুরুত্বরো আহত অবস্থা স্থানীয়রা উদ্ধার করে থানচি সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো: ওয়াহিদুজ্জামান মুরাদ তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

নিহত চালক জীবিকার তাগিদে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গাড়ি চালিয়ে সংসার চালাতেন। হঠাৎ এই দুর্ঘটনায় তার মৃত্যুতে পরিবারটি চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। স্বামীহারা স্ত্রী এখন তিন সন্তানদুই মেয়ে এক ছেলেনিয়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছেন।

স্ত্রী হ্রাশৈউ মারমা বলেন,বড় মেয়ে মেওযাইন মারমা সাবমারা পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের   ৭ম শ্রেনিতে পড়ে। ছেলে ক্যথোয়াইচিং মারমা ১ম শ্রেনিতে, ছোট মেয়ে মাত্র দেড় বছর।আমার স্বামীই ছিল সংসারের সব। এখন বাচ্চাদের নিয়ে কীভাবে বাঁচব জানি না।

সাবমারা গ্রামে প্রধান চিংথোয়াইউ কারবারী বরেন, নিহত গাড়ি চালকের পরিবারটি অত্যন্ত দরিদ্র। উপার্জনের একমাত্র ভরসা ছিলেন তিনি। তার মৃত্যুর পর পরিবারটি এখন চরম মানবিক সংকটে পড়েছে। শিশু সন্তানদের পড়ালেখা, খাবার চিকিৎসা নিয়ে দেখা দিয়েছে গভীর অনিশ্চয়তা।

এলাকাবাসী সচেতন মহল নিহত চালকের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সরকারি সহায়তা মানবিক সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি দুর্গম সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো পরিবারকে এভাবে সর্বস্ব হারাতে না হয়।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত