যশোর,
ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার এবং আহত ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তার
আওতায় এনেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ট্রাস্টি বোর্ড। আজ বৃহস্পতিবার
(২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে যশোর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে
৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে
জানানো হয়, তিনটি জেলার মোট ১৫০ জন উপকারভোগীর মাঝে এই অর্থ প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে
যশোর জেলা: ৬৯ জন আহত ও নিহতের পরিবারকে ২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, ঝিনাইদহ জেলা ৬২ জন আহত
ও নিহতের পরিবারকে ২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা এবং মাগুরা জেলা ১৯ জন আহত ও নিহতের পরিবারকে
৬৭ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে।
বিআরটিএ
যশোর ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন বিআরটিএ-এর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ। যশোরের অতিরিক্ত
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইরুফা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন: রুরাইয়াৎ-ই-আশিক, পরিচালক (অডিট ও আইন), বিআরটিএ ঢাকা। আবুল বাশার, অতিরিক্ত
পুলিশ সুপার, যশোর। জিয়াউর রহমান, পরিচালক, বিআরটিএ খুলনা বিভাগ। জাহিদ হাসান টুকুন,
সভাপতি, যশোর প্রেসক্লাব। বদরুজ্জামান, সভাপতি, যশোর বাস মালিক সমিতি। দেবাশীষ বিশ্বাস,
ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক, বিআরটিএ যশোর।
প্রধান
অতিথির বক্তব্যে আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, "সড়ক দুর্ঘটনায় পরিবারের একমাত্র
উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারানো বা পঙ্গুত্ব বরণ করা একটি পরিবারের জন্য চরম অনিশ্চয়তার
কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের এই সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে
দাঁড়ানোর একটি মানবিক প্রয়াস।" তিনি সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যানবাহনের ফিটনেস
পরীক্ষা, চালকদের উন্নত প্রশিক্ষণ এবং ট্রাফিক আইনের কঠোর প্রয়োগের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ
করেন।
সভাপতির
বক্তব্যে ইরুফা সুলতানা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কেবল আইন নয়, বরং প্রশাসন, পরিবহন
মালিক-শ্রমিক এবং সাধারণ মানুষের সমন্বিত সচেতনতা প্রয়োজন।
চেক
গ্রহণকারী পরিবারের সদস্যরা সরকারের এই উদ্যোগের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা
জানান, স্বজন হারানোর অভাব পূরণ হওয়ার নয়, তবে এই অর্থ সন্তানদের শিক্ষা এবং পরিবারের
দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
অনুষ্ঠান
শেষে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে উপস্থিত সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা
পালনের আহ্বান জানানো হয়।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দুর্ঘটনা ১৫০ পরিবার বিআরটিএ
.png)
শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যশোর,
ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার এবং আহত ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তার
আওতায় এনেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ট্রাস্টি বোর্ড। আজ বৃহস্পতিবার
(২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে যশোর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে
৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে
জানানো হয়, তিনটি জেলার মোট ১৫০ জন উপকারভোগীর মাঝে এই অর্থ প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে
যশোর জেলা: ৬৯ জন আহত ও নিহতের পরিবারকে ২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, ঝিনাইদহ জেলা ৬২ জন আহত
ও নিহতের পরিবারকে ২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা এবং মাগুরা জেলা ১৯ জন আহত ও নিহতের পরিবারকে
৬৭ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে।
বিআরটিএ
যশোর ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন বিআরটিএ-এর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ। যশোরের অতিরিক্ত
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইরুফা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন: রুরাইয়াৎ-ই-আশিক, পরিচালক (অডিট ও আইন), বিআরটিএ ঢাকা। আবুল বাশার, অতিরিক্ত
পুলিশ সুপার, যশোর। জিয়াউর রহমান, পরিচালক, বিআরটিএ খুলনা বিভাগ। জাহিদ হাসান টুকুন,
সভাপতি, যশোর প্রেসক্লাব। বদরুজ্জামান, সভাপতি, যশোর বাস মালিক সমিতি। দেবাশীষ বিশ্বাস,
ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক, বিআরটিএ যশোর।
প্রধান
অতিথির বক্তব্যে আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, "সড়ক দুর্ঘটনায় পরিবারের একমাত্র
উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারানো বা পঙ্গুত্ব বরণ করা একটি পরিবারের জন্য চরম অনিশ্চয়তার
কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের এই সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে
দাঁড়ানোর একটি মানবিক প্রয়াস।" তিনি সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যানবাহনের ফিটনেস
পরীক্ষা, চালকদের উন্নত প্রশিক্ষণ এবং ট্রাফিক আইনের কঠোর প্রয়োগের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ
করেন।
সভাপতির
বক্তব্যে ইরুফা সুলতানা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কেবল আইন নয়, বরং প্রশাসন, পরিবহন
মালিক-শ্রমিক এবং সাধারণ মানুষের সমন্বিত সচেতনতা প্রয়োজন।
চেক
গ্রহণকারী পরিবারের সদস্যরা সরকারের এই উদ্যোগের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা
জানান, স্বজন হারানোর অভাব পূরণ হওয়ার নয়, তবে এই অর্থ সন্তানদের শিক্ষা এবং পরিবারের
দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
অনুষ্ঠান
শেষে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে উপস্থিত সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা
পালনের আহ্বান জানানো হয়।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন