নৌ পুলিশ গত সাত দিনব্যাপী (১ জানুয়ারি-৭ জানুয়ারি) পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধঘোষিত অবৈধ জাল,
মাছ,
মাছের পোনা ও জেলিযুক্ত চিংড়ি উদ্ধারসহ ২৮৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এরমধ্যে ৪ কোটি ৫৬ লাখ ২৪ হাজার ৪৬৫ মিটার অবৈধ জাল,
৩ হাজার ৯১৫ কেজি মাছ,
৫০ হাজার পিস বাটা মাছের পোনা,
১ হাজার ১২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয় এবং নদী থেকে ৪৫৬টি ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) নৌ পুলিশ সদরদপ্তর থেকে এই তথ্য জানানো হয়।
নৌ
পুলিশ
সদর
দপ্তর
জানায়,
নৌ
পুলিশের
এই
অভিযানে
বৈধ
কাগজপত্র
না
পাওয়ায়
৮৪টি
বাল্কহেডের
বিরুদ্ধে
নৌ
আদালতে
প্রসিকিউশন
দায়ের
করা
হয়
এবং
৬টি
ড্রেজার
জব্দ
করা
হয়।
একইসঙ্গে ২৮৫ জন আসামি গ্রেপ্তার করা হয়। এরমধ্যে ৫৩টি মৎস্য আইন, ১০টি বেপরোয়া গতি আইন, ৬টি অপমৃত্যু, ২টি মাদক, একটি নৌ দুর্ঘটনা আইন, একটি নদী দূষণ, একটি চাঁদাবাজি, ৪টি বালুমহাল, একটি সামুদ্রিক মৎস্য আইন এবং একটি হত্যা মামলাসহ মোট ৮০টি মামলা দায়ের করা হয় এবং ৮টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
উল্লেখ্য, জব্দকৃত অবৈধ জাল ও জেলিযুক্ত চিংড়ি ধ্বংস করা হয় এবং মাছের পোনা পানিতে অবমুক্ত করাসহ অবশিষ্ট মাছ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
নৌ পুলিশ গত সাত দিনব্যাপী (১ জানুয়ারি-৭ জানুয়ারি) পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধঘোষিত অবৈধ জাল,
মাছ,
মাছের পোনা ও জেলিযুক্ত চিংড়ি উদ্ধারসহ ২৮৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এরমধ্যে ৪ কোটি ৫৬ লাখ ২৪ হাজার ৪৬৫ মিটার অবৈধ জাল,
৩ হাজার ৯১৫ কেজি মাছ,
৫০ হাজার পিস বাটা মাছের পোনা,
১ হাজার ১২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয় এবং নদী থেকে ৪৫৬টি ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) নৌ পুলিশ সদরদপ্তর থেকে এই তথ্য জানানো হয়।
নৌ
পুলিশ
সদর
দপ্তর
জানায়,
নৌ
পুলিশের
এই
অভিযানে
বৈধ
কাগজপত্র
না
পাওয়ায়
৮৪টি
বাল্কহেডের
বিরুদ্ধে
নৌ
আদালতে
প্রসিকিউশন
দায়ের
করা
হয়
এবং
৬টি
ড্রেজার
জব্দ
করা
হয়।
একইসঙ্গে ২৮৫ জন আসামি গ্রেপ্তার করা হয়। এরমধ্যে ৫৩টি মৎস্য আইন, ১০টি বেপরোয়া গতি আইন, ৬টি অপমৃত্যু, ২টি মাদক, একটি নৌ দুর্ঘটনা আইন, একটি নদী দূষণ, একটি চাঁদাবাজি, ৪টি বালুমহাল, একটি সামুদ্রিক মৎস্য আইন এবং একটি হত্যা মামলাসহ মোট ৮০টি মামলা দায়ের করা হয় এবং ৮টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
উল্লেখ্য, জব্দকৃত অবৈধ জাল ও জেলিযুক্ত চিংড়ি ধ্বংস করা হয় এবং মাছের পোনা পানিতে অবমুক্ত করাসহ অবশিষ্ট মাছ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন