এ
ছাড়া
পারিবারিক
ও
অন্যান্য
ব্যয়
হিসেবে
তার
ব্যয়
ধরা
হয়েছে
১৫
লাখ
৯০
হাজার
টাকা।
ফলে
মোট
অর্জিত
সম্পদের
পরিমাণ
দাঁড়ায়
৪
কোটি
২৫
লাখ
৫৮
হাজার
৭৮৯
টাকা।
দুদকের
হিসাব
অনুযায়ী,
অভিযুক্তের
বৈধ
আয়ের
উৎস
থেকে
মোট
আয়
পাওয়া
গেছে
৯৯
লাখ
৯
হাজার
৮৫১
টাকা।
এর
মধ্যে
অতীত
সঞ্চয়
৫৪
লাখ
৪৫
হাজার
৮২১
টাকা,
টক
শো
ও
কনসালটেন্সি
থেকে
আয়
১৯
লাখ
৩৯
হাজার
৯৭৭
টাকা,
প্লট
বিক্রি
থেকে
২২
লাখ
টাকা
এবং
সঞ্চয়পত্র
ও
ব্যাংক
সুদ
বাবদ
৩
লাখ
২৪
হাজার
৫৩
টাকা
অন্তর্ভুক্ত
রয়েছে।
এ
হিসাবে
তার
ঘোষিত
ও
গ্রহণযোগ্য
আয়ের
তুলনায়
৩
কোটি
২৬
লাখ
৪৮
হাজার
৯৩৮
টাকার
সম্পদ
বেশি
পাওয়া
যায়,
যা
মোট
অর্জিত
সম্পদের
প্রায়
৭৭
শতাংশ
এবং
তা
জ্ঞাত
আয়বহির্ভূত
সম্পদ
হিসেবে
দুদক
উল্লেখ
করে।
উল্লেখ্য,
আনিসুর
রহমান
আলমগীর
ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের
টেলিভিশন,
চলচ্চিত্র
ও
ফটোগ্রাফি
বিভাগ
এবং
ড্যাফোডিল
ইউনিভার্সিটিতে
খণ্ডকালীন
শিক্ষক
হিসেবে
কর্মরত
ছিলেন।
একই
সঙ্গে
তিনি
বৈশাখী
টিভির
সাংবাদিক
এবং
আরটিভির
চিফ
নিউজ
এডিটর
হিসেবে
দায়িত্ব
পালন
করেছেন।
আপনার মতামত লিখুন