ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শনাক্ত হলো আট জুলাই যোদ্ধার পরিচয়



শনাক্ত হলো আট জুলাই  যোদ্ধার পরিচয়
ছবি : সংগৃহীত

রায়েরবাজারে সমাহিত অজ্ঞাত জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে আটজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। ডিএনএ নমুনা বিশ্লেষণের মাধ্যমে এই শনাক্তকরণ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারী, ২০২৬) সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। শনাক্ত হওয়া যোদ্ধাদের পরিবারকে ইতোমধ্যে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং পুরো আইডেন্টিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এ বিষয়ে খুব শীঘ্রই মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করবে।

প্রেস সচিব বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের শনাক্তকরণ প্রক্রিয়ায় যেন জটিলতা না হয়, সে লক্ষ্যে বাংলাদেশি কয়েকজন বিশেষজ্ঞকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এই প্রশিক্ষণ প্রদান করেছেন সেই আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা, যারা বসনিয়া যুদ্ধের সময় স্রেব্রেনিৎসায় সংঘটিত গণহত্যার পর প্রায় ১০ হাজার নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তকরণে কাজ করেছিলেন। স্রেব্রেনিৎসার ঘটনায় ডিএনএ প্রযুক্তি ব্যবহার করে অত্যন্ত বিস্তারিত ও কষ্টসাধ্য প্রক্রিয়ায় শনাক্তকরণ সম্পন্ন করা হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েই বাংলাদেশে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এই সক্ষমতা ভবিষ্যতে দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে কাজ করবে।

এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ

 

বিষয় : প্রেস সচিব জুলাই যোদ্ধা ৫ আগস্ট

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬


শনাক্ত হলো আট জুলাই যোদ্ধার পরিচয়

প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

রায়েরবাজারে সমাহিত অজ্ঞাত জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে আটজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। ডিএনএ নমুনা বিশ্লেষণের মাধ্যমে এই শনাক্তকরণ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারী, ২০২৬) সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। শনাক্ত হওয়া যোদ্ধাদের পরিবারকে ইতোমধ্যে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং পুরো আইডেন্টিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এ বিষয়ে খুব শীঘ্রই মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করবে।

প্রেস সচিব বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের শনাক্তকরণ প্রক্রিয়ায় যেন জটিলতা না হয়, সে লক্ষ্যে বাংলাদেশি কয়েকজন বিশেষজ্ঞকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এই প্রশিক্ষণ প্রদান করেছেন সেই আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা, যারা বসনিয়া যুদ্ধের সময় স্রেব্রেনিৎসায় সংঘটিত গণহত্যার পর প্রায় ১০ হাজার নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তকরণে কাজ করেছিলেন। স্রেব্রেনিৎসার ঘটনায় ডিএনএ প্রযুক্তি ব্যবহার করে অত্যন্ত বিস্তারিত ও কষ্টসাধ্য প্রক্রিয়ায় শনাক্তকরণ সম্পন্ন করা হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েই বাংলাদেশে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এই সক্ষমতা ভবিষ্যতে দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে কাজ করবে।

এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ

 


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত