ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

ভোটের দিন যেসব গাড়ি চলবে এবং যা বন্ধ থাকবে



ভোটের দিন যেসব গাড়ি চলবে এবং যা বন্ধ থাকবে
ছবি: সংগৃহীত

ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গণভোট আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা দেশে যানবাহন চলাচলের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে সরকার। গত ফেব্রুয়ারি সড়ক পরিবহন মহাসড়ক বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে বিধি-নিষেধের বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৩২ ধারা অনুযায়ী ভোটগ্রহণের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত টানা ২৪ ঘণ্টা।

ছাড়া নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে।

এতে উল্লেখ করা হয়, জরুরি প্রয়োজন এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য কিছু ক্ষেত্রে ছাড় রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং অনুমোদিত নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। একইভাবে জরুরি সেবা, ওষুধ চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহন, প্রয়োজনীয় দ্রব্য সরবরাহ এবং সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহনকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে।

প্রজ্ঞাপনে বিদেশগামী বিদেশফেরত যাত্রীদের ক্ষেত্রেও বিশেষ ছাড়ের কথা বলা হয়েছে। পাসপোর্ট টিকিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে বিমানবন্দর যাতায়াতে কোনো বাধা থাকবে না। পাশাপাশি দূরপাল্লার যাত্রীবাহী পরিবহন এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় চলাচলেও শিথিলতা রাখা হবে।

নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থী তাদের এজেন্টদের জন্যও আলাদা সুবিধা নির্ধারণ করা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি এবং নির্ধারিত স্টিকার প্রদর্শনের শর্তে প্রার্থী এজেন্টরা একটি করে ছোট যান- জিপ, কার বা মাইক্রোবাস ব্যবহার করতে পারবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সাংবাদিক পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রেও অনুমোদন সাপেক্ষে যানবাহন বা মোটরসাইকেল ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যানবাহন বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে। ছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবা স্বাভাবিক রাখতে বিটিআরসি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন জরুরি সেবার অন্তর্ভুক্ত হিসেবে চলাচল করতে পারবে। জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এলাকা এবং আন্তঃজেলা বা মহানগরে প্রবেশ বের হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন না হয়।

এদিকে, স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজন অনুযায়ী বিধি-নিষেধ আরো কঠোর বা শিথিল করার ক্ষমতা রাখবেন।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : ভোট নির্বাচন গণভোট গাড়ি চলবে

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


ভোটের দিন যেসব গাড়ি চলবে এবং যা বন্ধ থাকবে

প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গণভোট আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা দেশে যানবাহন চলাচলের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে সরকার। গত ফেব্রুয়ারি সড়ক পরিবহন মহাসড়ক বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে বিধি-নিষেধের বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৩২ ধারা অনুযায়ী ভোটগ্রহণের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত টানা ২৪ ঘণ্টা।

ছাড়া নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে।

এতে উল্লেখ করা হয়, জরুরি প্রয়োজন এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য কিছু ক্ষেত্রে ছাড় রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং অনুমোদিত নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। একইভাবে জরুরি সেবা, ওষুধ চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহন, প্রয়োজনীয় দ্রব্য সরবরাহ এবং সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহনকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে।

প্রজ্ঞাপনে বিদেশগামী বিদেশফেরত যাত্রীদের ক্ষেত্রেও বিশেষ ছাড়ের কথা বলা হয়েছে। পাসপোর্ট টিকিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে বিমানবন্দর যাতায়াতে কোনো বাধা থাকবে না। পাশাপাশি দূরপাল্লার যাত্রীবাহী পরিবহন এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় চলাচলেও শিথিলতা রাখা হবে।

নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থী তাদের এজেন্টদের জন্যও আলাদা সুবিধা নির্ধারণ করা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি এবং নির্ধারিত স্টিকার প্রদর্শনের শর্তে প্রার্থী এজেন্টরা একটি করে ছোট যান- জিপ, কার বা মাইক্রোবাস ব্যবহার করতে পারবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সাংবাদিক পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রেও অনুমোদন সাপেক্ষে যানবাহন বা মোটরসাইকেল ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যানবাহন বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে। ছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবা স্বাভাবিক রাখতে বিটিআরসি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন জরুরি সেবার অন্তর্ভুক্ত হিসেবে চলাচল করতে পারবে। জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এলাকা এবং আন্তঃজেলা বা মহানগরে প্রবেশ বের হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন না হয়।

এদিকে, স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজন অনুযায়ী বিধি-নিষেধ আরো কঠোর বা শিথিল করার ক্ষমতা রাখবেন।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত