সারা
দেশে বিগত কয়েক মাসে মাঝারি আকারের
কয়েকটি
ভূমিকম্প
অনুভূত
হয়েছে।
সর্বশেষ
গতকাল
৫
দশমিক
৪
মাত্রার
ভূমিকম্পে
দেশ কেঁপে
ওঠে।
এর
উৎপত্তিস্থল
ছিল
সাতক্ষীরায়।
গত
কয়েক
মাসে
দেশে
হওয়া
ভূমিকম্পগুলোর
বেশিরভাগেরই
উৎস
ছিল
দেশের
অভ্যন্তরে।
তবে
ভূমিকম্পের
সময়
ফায়ার
সার্ভিস
ও
সিভিল
ডিফেন্স আতঙ্কিত
না
হওয়ার
পরামর্শ
দিয়েছে।
আতঙ্কিত
না
হয়ে
পরিস্থির
যথাযথ
মোকাবিলাই
হল
ভূমিকম্পের
ক্ষয়ক্ষতি
প্রতিরোধের
অন্যতম
কৌশল।
ফায়ার
সার্ভিস
ও
সিভিল
ডিফেন্সের
মতে
ভূমিকম্পের
সময়
করণীয়
:
(১)
ভূকম্পন
অনুভূত
হলে
আতঙ্কিত
না
হয়ে
শান্ত
ও
স্থির
থাকুন।
ভবনের
নিচ
তলায়
থাকলে
দ্রুত
বাইরে
বেরিয়ে
খোলা
জায়গায়
আশ্রয়
নিন।
(২)
বহুতল
ভবনে
থাকলে
Drop-Cover-Hold পদ্ধতি
অনুসরণ
করুন:
নিচু
হোন,
শক্ত
টেবিল/ডেস্কের
নিচে
ঢুকে
খুঁটি
শক্ত
করে
ধরুন।
অথবা,
কলামের
পাশে,
বিমের
নিচে
আশ্রয়
নিন।
সম্ভব
হলে
বালিশ,
কুশন
বা
এ
জাতীয়
বস্তু
দিয়ে
মাথা
ঢেকে
রাখুন।
(৩) ভূমিকম্প
চলাকালীন
লিফ্ট ব্যবহার
থেকে
বিরত
থাকুন। ভূমিকম্প
থামার
সাথে
সাথে
বৈদ্যুতিক
ও
গ্যাস
সংযোগ
দ্রুত
বন্ধ
করুন।
(৪) বারান্দা,
ব্যালকনি,
জানালা, বুকশেলফ,
আলমিরা, কাঠের আসবাবপত্র
বা কোনো ঝুলন্ত ভারী বস্তু থেকে দূরে থাকুন। হাতের কাছে টর্চ, হেলমেট, জরুরি ওষুধ এবং বাঁশি সংরক্ষণ
করুন যাতে প্রয়োজন
হলে ব্যবহার
করা যায়।
(৫) ঘরের বাইরে থাকলে গাছ, উঁচু ভবন, বৈদ্যুতিক
খুঁটি ইত্যাদি
থেকে দূরে খোলা স্থানে আশ্রয় নিন।
(৬) গাড়িতে থাকলে ওভারব্রিজ,
ফ্লাইওভার,
গাছ ও বৈদ্যুতিক
খুঁটি থেকে দূরে গাড়ি থামান। ভূকম্পন
না থামা পর্যন্ত
গাড়ির ভেতরেই থাকুন।
(৭) একটি ভূমিকম্পের
পর আবারও ভূকম্পন
হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত
ভবন, ব্রিজ ও বিভিন্ন
অবকাঠামো
থেকে দূরে থাকুন। কারণ পরবর্তী
ভূমিকম্পে
সেগুলো পুনরায় ক্ষতিগ্রস্ত
হয়ে প্রাণহানি
ঘটাতে পারে।
(৮) সকলের সম্মিলিত
চেষ্টা ও সচেতনতায়
ভূমিকম্পের
ক্ষয়ক্ষতি
সীমিত রাখা সম্ভব। জরুরি সেবার প্রয়োজনে
যোগাযোগ
করুন : ফায়ার সার্ভিস
ও সিভিল ডিফেন্স
হটলাইন নম্বর : ১০২।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : ভূমিকম্প ফায়ার সার্ভিস
.png)
রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সারা
দেশে বিগত কয়েক মাসে মাঝারি আকারের
কয়েকটি
ভূমিকম্প
অনুভূত
হয়েছে।
সর্বশেষ
গতকাল
৫
দশমিক
৪
মাত্রার
ভূমিকম্পে
দেশ কেঁপে
ওঠে।
এর
উৎপত্তিস্থল
ছিল
সাতক্ষীরায়।
গত
কয়েক
মাসে
দেশে
হওয়া
ভূমিকম্পগুলোর
বেশিরভাগেরই
উৎস
ছিল
দেশের
অভ্যন্তরে।
তবে
ভূমিকম্পের
সময়
ফায়ার
সার্ভিস
ও
সিভিল
ডিফেন্স আতঙ্কিত
না
হওয়ার
পরামর্শ
দিয়েছে।
আতঙ্কিত
না
হয়ে
পরিস্থির
যথাযথ
মোকাবিলাই
হল
ভূমিকম্পের
ক্ষয়ক্ষতি
প্রতিরোধের
অন্যতম
কৌশল।
ফায়ার
সার্ভিস
ও
সিভিল
ডিফেন্সের
মতে
ভূমিকম্পের
সময়
করণীয়
:
(১)
ভূকম্পন
অনুভূত
হলে
আতঙ্কিত
না
হয়ে
শান্ত
ও
স্থির
থাকুন।
ভবনের
নিচ
তলায়
থাকলে
দ্রুত
বাইরে
বেরিয়ে
খোলা
জায়গায়
আশ্রয়
নিন।
(২)
বহুতল
ভবনে
থাকলে
Drop-Cover-Hold পদ্ধতি
অনুসরণ
করুন:
নিচু
হোন,
শক্ত
টেবিল/ডেস্কের
নিচে
ঢুকে
খুঁটি
শক্ত
করে
ধরুন।
অথবা,
কলামের
পাশে,
বিমের
নিচে
আশ্রয়
নিন।
সম্ভব
হলে
বালিশ,
কুশন
বা
এ
জাতীয়
বস্তু
দিয়ে
মাথা
ঢেকে
রাখুন।
(৩) ভূমিকম্প
চলাকালীন
লিফ্ট ব্যবহার
থেকে
বিরত
থাকুন। ভূমিকম্প
থামার
সাথে
সাথে
বৈদ্যুতিক
ও
গ্যাস
সংযোগ
দ্রুত
বন্ধ
করুন।
(৪) বারান্দা,
ব্যালকনি,
জানালা, বুকশেলফ,
আলমিরা, কাঠের আসবাবপত্র
বা কোনো ঝুলন্ত ভারী বস্তু থেকে দূরে থাকুন। হাতের কাছে টর্চ, হেলমেট, জরুরি ওষুধ এবং বাঁশি সংরক্ষণ
করুন যাতে প্রয়োজন
হলে ব্যবহার
করা যায়।
(৫) ঘরের বাইরে থাকলে গাছ, উঁচু ভবন, বৈদ্যুতিক
খুঁটি ইত্যাদি
থেকে দূরে খোলা স্থানে আশ্রয় নিন।
(৬) গাড়িতে থাকলে ওভারব্রিজ,
ফ্লাইওভার,
গাছ ও বৈদ্যুতিক
খুঁটি থেকে দূরে গাড়ি থামান। ভূকম্পন
না থামা পর্যন্ত
গাড়ির ভেতরেই থাকুন।
(৭) একটি ভূমিকম্পের
পর আবারও ভূকম্পন
হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত
ভবন, ব্রিজ ও বিভিন্ন
অবকাঠামো
থেকে দূরে থাকুন। কারণ পরবর্তী
ভূমিকম্পে
সেগুলো পুনরায় ক্ষতিগ্রস্ত
হয়ে প্রাণহানি
ঘটাতে পারে।
(৮) সকলের সম্মিলিত
চেষ্টা ও সচেতনতায়
ভূমিকম্পের
ক্ষয়ক্ষতি
সীমিত রাখা সম্ভব। জরুরি সেবার প্রয়োজনে
যোগাযোগ
করুন : ফায়ার সার্ভিস
ও সিভিল ডিফেন্স
হটলাইন নম্বর : ১০২।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন