তিনি
আরও বলেন,
‘হাদি
হত্যাকাণ্ডের
যেই
চার্জশিট
গঠিত
হয়েছে,
সেটার
একটা
পর্যালোচনা
শুনানি
ছিল।
এর
আগে
গত
১২
জানুয়ারি
তার
প্রথম
শুনানি
ছিল
এবং
এজাহারকারীর
পক্ষে
রাষ্ট্রকে
সহায়তা
করার
জন্য
আইনজীবীরা
রাষ্ট্রের
কাছে
দুই
দিন
সময়
চেয়েছিল।
যার
পরিপ্রেক্ষিতে
আজকে
এই
চার্জশিটটির
পর্যালোচনা
শুনানি
হয়েছে
এবং
সেখানে
আইনজীবীদের
পক্ষ
থেকে
নারাজি
দেওয়া
হয়েছে।
তারা
যে
তদন্ত
প্রতিবেদন
দাখিল
করেছে
কোর্টে,
আইনজীবীদের
মাধ্যমেই
ইনকিলাব
মঞ্চ
এবং
তার
পক্ষ
থেকে
এই
ব্যাপারটাতে
নারাজি
দেওয়া
হয়েছে।’
জাবের
বলেন,
‘রাষ্ট্রের
কোনো
ধরনের
আন্তরিকতা,
কোনো
ধরনের
সদিচ্ছার
প্রতিফলন
আমরা
শহীদ
ওসমান
হাদির
হত্যার
ব্যাপারে
দেখছি
না।
এখন
রাষ্ট্র
কর্তৃক
তদন্তের
মাধ্যমে
যেই
তদন্ত
প্রতিবেদন
দাখিল
করা
হয়েছে,
সেটা
সম্পর্কে
আপনাদের
একটু
জানাতে
চাই।’
তিনি
আরও
বলেন,
‘ডিবির
পক্ষ
থেকেই
জানানো
হয়েছে
যে,
শহীদ
ওসমান
হাদিকে
হত্যার
জন্য
১২
তারিখেই
ওইখানে
পাঁচটা
টিম
ছিল।
যারা
একজন
মিস
করলে
আরেকজন
এই
শুটটা
করত।
তাহলে
এই
চার্জশিটে
বাকি
চারটা
গ্রুপের
কথা
কই?
যেই
চারটা
গ্রুপ
বসেছিল
শুট
করার
জন্য।
৫
তারিখে
তারা
বলেছে
যে,
সেন্টারেও
তারা
হচ্ছে
গুলির
অ্যাটেম্পট
নিয়েছে।
কিন্তু
তারা
সেটাতে
সক্ষম
হয়
নাই।
২১
জনের
একটা
টিম
এই
মিশনে
গিয়েছিল।
তাহলে
তারা
কোথায়?
তারা
চার্জশিটের
ভেতরে
নাই
কেন?’
সংবাদ
সম্মেলনে
আরও
উপস্থিত
ছিলেন
ডাকসুর
মুক্তিযুদ্ধ
ও
গণতান্ত্রিক
আন্দোলনবিষয়ক
সম্পাদক
ফাতিমা
তাসনিম
জুমা।
আপনার মতামত লিখুন