ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

লন্ডনে নারীর জীবন বাঁচালেন ট্রাম্পের পুত্র ব্যারন



লন্ডনে নারীর জীবন বাঁচালেন ট্রাম্পের পুত্র ব্যারন
ছবি : সংগৃহীত

লন্ডনে এক নারীর জীবন বাঁচিয়েছেন ট্রাম্পের কনিষ্ঠ পুত্র ব্যারন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কনিষ্ঠ পুত্র ব্যারন ট্রাম্পের একটি ফেসটাইম কল লন্ডনে এক নারীর জীবন বাঁচিয়েছে। চাঞ্চল্যকর এই তথ্য উঠে এসেছে যুক্তরাজ্যের আদালতে দেওয়া এক সাক্ষ্যে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মেট্রোর বরাতে আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) এই তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ। লন্ডনের স্নেয়ার্সব্রুক ক্রাউন কোর্টে দেওয়া সাক্ষ্যে ভুক্তভোগী নারী জানান, ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি ভোর রাতে তিনি তাঁর সাবেক প্রেমিকের হাতে ভয়াবহ সহিংসতার শিকার হন। হামলার মধ্যেই তিনি কোনোভাবে তাঁর বন্ধু ব্যারন ট্রাম্পকে ফেসটাইমে কল করতে সক্ষম হন। কলটি ধরার পর ব্যারন ট্রাম্প তাঁর চোখের সামনে সংঘটিত সহিংসতা প্রত্যক্ষ করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে জরুরি সেবায় ফোন করেন।

১৯ বছর বয়সী ব্যারন ট্রাম্প জরুরি নম্বর ৯৯৯- ফোন করে জানান, তিনি একটি ফেসটাইম কলে একজন নারীকে মারধর হতে দেখেছেন। আদালতে উপস্থাপিত ওই ফোনকলের অডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি একজন মেয়ের কাছ থেকে ফোন পেয়েছি। তাকে মারধর করা হচ্ছে। এটা খুবই জরুরি।

পুলিশের বডিক্যাম ফুটেজ অনুযায়ীফোনালাপে ব্যারন ট্রাম্প জানান, তিনি শুধু ছাদ দেখতে পাচ্ছিলেন এবং চিৎকারের শব্দ শুনছিলেন। একপর্যায়ে তিনি একজন পুরুষের মাথা এবং পরে কান্নারত ওই নারীকে আঘাত করতে দেখেন। কলটি মাত্র ১০ থেকে ১৫ সেকেন্ড স্থায়ী হলেও, সেটির সূত্র ধরেই পরে ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছিল পুলিশ।

ভুক্তভোগী নারী জানান, তাঁর সাবেক প্রেমিক মাতভেই রুমিয়ানস্তেভ (২২) তাঁর সঙ্গে ব্যারন ট্রাম্পের বন্ধুত্ব নিয়ে ঈর্ষান্বিত ছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, সম্পর্কের ছয় মাস পর থেকেই রুমিয়ানস্তেভ তাঁর ওপর সহিংস হয়ে ওঠেন এবং একাধিকবার শ্বাসরোধসহ শারীরিক নির্যাতন চালান। ওই দিন তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলেও তিনি আদালতে দাবি করেন।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর ওই নারী জানান, যিনি জরুরি ফোন করেছিলেন তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের পুত্র ব্যারন ট্রাম্প। বিষয়টি নিশ্চিত করতে তিনি আবার ব্যারন ট্রাম্পকে ফোন করলে তিনি বলেন, আমি পুলিশে ফোন করিয়েছি। এটাই তখন সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত ছিল।

আদালতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে ওই নারী বলেন, ব্যারন আমার জীবন বাঁচিয়েছে। সেই ফোনটা ছিল ঈশ্বরের পক্ষ থেকে আসা এক সংকেত।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত রুশ নাগরিক রুমিয়ানস্তেভ সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে হামলা, ধর্ষণ, শ্বাসরোধ এবং বিচারপ্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার অভিযোগে বিচার চলমান রয়েছে।

এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : আন্তর্জাতিক ডোনাল্ড ট্রাম্প

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


লন্ডনে নারীর জীবন বাঁচালেন ট্রাম্পের পুত্র ব্যারন

প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

লন্ডনে এক নারীর জীবন বাঁচিয়েছেন ট্রাম্পের কনিষ্ঠ পুত্র ব্যারন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কনিষ্ঠ পুত্র ব্যারন ট্রাম্পের একটি ফেসটাইম কল লন্ডনে এক নারীর জীবন বাঁচিয়েছে। চাঞ্চল্যকর এই তথ্য উঠে এসেছে যুক্তরাজ্যের আদালতে দেওয়া এক সাক্ষ্যে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মেট্রোর বরাতে আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) এই তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ। লন্ডনের স্নেয়ার্সব্রুক ক্রাউন কোর্টে দেওয়া সাক্ষ্যে ভুক্তভোগী নারী জানান, ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি ভোর রাতে তিনি তাঁর সাবেক প্রেমিকের হাতে ভয়াবহ সহিংসতার শিকার হন। হামলার মধ্যেই তিনি কোনোভাবে তাঁর বন্ধু ব্যারন ট্রাম্পকে ফেসটাইমে কল করতে সক্ষম হন। কলটি ধরার পর ব্যারন ট্রাম্প তাঁর চোখের সামনে সংঘটিত সহিংসতা প্রত্যক্ষ করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে জরুরি সেবায় ফোন করেন।

১৯ বছর বয়সী ব্যারন ট্রাম্প জরুরি নম্বর ৯৯৯- ফোন করে জানান, তিনি একটি ফেসটাইম কলে একজন নারীকে মারধর হতে দেখেছেন। আদালতে উপস্থাপিত ওই ফোনকলের অডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি একজন মেয়ের কাছ থেকে ফোন পেয়েছি। তাকে মারধর করা হচ্ছে। এটা খুবই জরুরি।

পুলিশের বডিক্যাম ফুটেজ অনুযায়ীফোনালাপে ব্যারন ট্রাম্প জানান, তিনি শুধু ছাদ দেখতে পাচ্ছিলেন এবং চিৎকারের শব্দ শুনছিলেন। একপর্যায়ে তিনি একজন পুরুষের মাথা এবং পরে কান্নারত ওই নারীকে আঘাত করতে দেখেন। কলটি মাত্র ১০ থেকে ১৫ সেকেন্ড স্থায়ী হলেও, সেটির সূত্র ধরেই পরে ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছিল পুলিশ।

ভুক্তভোগী নারী জানান, তাঁর সাবেক প্রেমিক মাতভেই রুমিয়ানস্তেভ (২২) তাঁর সঙ্গে ব্যারন ট্রাম্পের বন্ধুত্ব নিয়ে ঈর্ষান্বিত ছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, সম্পর্কের ছয় মাস পর থেকেই রুমিয়ানস্তেভ তাঁর ওপর সহিংস হয়ে ওঠেন এবং একাধিকবার শ্বাসরোধসহ শারীরিক নির্যাতন চালান। ওই দিন তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলেও তিনি আদালতে দাবি করেন।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর ওই নারী জানান, যিনি জরুরি ফোন করেছিলেন তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের পুত্র ব্যারন ট্রাম্প। বিষয়টি নিশ্চিত করতে তিনি আবার ব্যারন ট্রাম্পকে ফোন করলে তিনি বলেন, আমি পুলিশে ফোন করিয়েছি। এটাই তখন সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত ছিল।

আদালতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে ওই নারী বলেন, ব্যারন আমার জীবন বাঁচিয়েছে। সেই ফোনটা ছিল ঈশ্বরের পক্ষ থেকে আসা এক সংকেত।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত রুশ নাগরিক রুমিয়ানস্তেভ সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে হামলা, ধর্ষণ, শ্বাসরোধ এবং বিচারপ্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার অভিযোগে বিচার চলমান রয়েছে।

এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত