জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এক বিশাল বাণিজ্য চুক্তিতে সই করেছে বাংলাদেশ। আগামী দেড় দশকে
দেশটি থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি সম্পদ সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পাশাপাশি দেশটি থেকে সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলারের কৃষিপণ্য কেনার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। সোমবার ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউস থেকে জারি করা এক যৌথ ঘোষণায় এই মেগা চুক্তির
তথ্য নিশ্চিত করা হয়। জ্বালানির পাশাপাশি সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলারের কৃষিপণ্যও কিনবে ঢাকা।
বিবৃতিতে বলা হয়, ক্রয় তালিকায় বোয়িংয়ের ১৪টি উড়োজাহাজ যুক্ত হলে মোট লেনদেনের পরিমাণ আরও বাড়বে। অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছে, বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি বিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলছে, যার সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ৩০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
গত ২০২৫ সালের এপ্রিলে আরোপিত ৩৭ শতাংশ
শুল্ক নিয়ে দীর্ঘ ৯ মাস আলোচনার পর অবশেষে এই ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।
চুক্তির আওতায় অশুল্ক বাধা কমাতে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ির নিরাপত্তা মানদণ্ড এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধের
ক্ষেত্রে ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)-এর সনদ স্বীকৃতি দেবে। একই সঙ্গে শুল্ক প্রক্রিয়া ডিজিটাল করা, পুনরায় উৎপাদিত (রি-ম্যানুফ্যাকচারড)
পণ্যের ওপর বিধিনিষেধ প্রত্যাহার এবং সীমান্ত পারাপারের তথ্য আদান–প্রদান সহজ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি ১৫ বিলিয়ন
.png)
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এক বিশাল বাণিজ্য চুক্তিতে সই করেছে বাংলাদেশ। আগামী দেড় দশকে
দেশটি থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি সম্পদ সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পাশাপাশি দেশটি থেকে সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলারের কৃষিপণ্য কেনার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। সোমবার ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউস থেকে জারি করা এক যৌথ ঘোষণায় এই মেগা চুক্তির
তথ্য নিশ্চিত করা হয়। জ্বালানির পাশাপাশি সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলারের কৃষিপণ্যও কিনবে ঢাকা।
বিবৃতিতে বলা হয়, ক্রয় তালিকায় বোয়িংয়ের ১৪টি উড়োজাহাজ যুক্ত হলে মোট লেনদেনের পরিমাণ আরও বাড়বে। অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছে, বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি বিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলছে, যার সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ৩০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
গত ২০২৫ সালের এপ্রিলে আরোপিত ৩৭ শতাংশ
শুল্ক নিয়ে দীর্ঘ ৯ মাস আলোচনার পর অবশেষে এই ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।
চুক্তির আওতায় অশুল্ক বাধা কমাতে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ির নিরাপত্তা মানদণ্ড এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধের
ক্ষেত্রে ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)-এর সনদ স্বীকৃতি দেবে। একই সঙ্গে শুল্ক প্রক্রিয়া ডিজিটাল করা, পুনরায় উৎপাদিত (রি-ম্যানুফ্যাকচারড)
পণ্যের ওপর বিধিনিষেধ প্রত্যাহার এবং সীমান্ত পারাপারের তথ্য আদান–প্রদান সহজ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন