ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রহণযোগ্য প্রস্তাবে না বলার অধিকার ইউরোপের আছে



যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রহণযোগ্য প্রস্তাবে না বলার অধিকার ইউরোপের আছে
ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শুক্রবার বলেছেন, এমন এক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া ইউরোপের পূর্ণ অধিকার, যখন ওয়াশিংটন অগ্রহণযোগ্য প্রস্তাব দিচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরআমেরিকা ফার্স্টপররাষ্ট্র বাণিজ্য নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বহু মিত্রের মধ্যে ঐতিহ্যগত সম্পর্ক জোটগুলো যেভাবে ওলটপালট হয়ে গেছে, তা নিয়ে বাড়তে থাকা হতাশার প্রেক্ষাপটেই জ্যাঁ-নোয়েল বারোর এই মন্তব্য আসে। ফরাসি রাষ্ট্রদূতদের উদ্দেশে বার্ষিক ভাষণে জ্যাঁ-নোয়েল বারো বলেন, ‘মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন মার্কিন প্রশাসন আমাদের একত্রে বেঁধে রাখা সম্পর্কগুলো নতুন করে ভাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেটি তাদের অধিকার।

আর একই সঙ্গে, কোনো প্রস্তাব অগ্রহণযোগ্য হলেতা যত ঐতিহাসিক মিত্রের পক্ষ থেকেই আসুক না কেন—“নাবলাও আমাদের অধিকার। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজন বলে দাবি করে ট্রাম্প ডেনমার্কের স্বশাসিত খনিজসমৃদ্ধ ভূখণ্ড গ্রিনল্যান্ডের প্রতি যে আগ্রহ দেখাচ্ছেন, সেটিই ইউরোপীয়দের সর্বশেষ উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। এই হুমকির জবাবে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো হবেতা নির্ধারণে ইউরোপ এখন তৎপর।

বারোর বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রকে এমন এক হুমকি হিসেবে তুলে ধরা হয়, যা ইউক্রেনে আগ্রাসন চালানো প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের রাশিয়ার সঙ্গে তুলনীয়। তিনি বলেন, ঐতিহাসিক বন্ধন ভাঙতে চাওয়াপ্রতিপক্ষদেরহাতে ইউরোপ বাইরের দিক থেকে আক্রমণের মুখে পড়ছে।

 

এমএইছ / ধ্রুবকণ্ঠ

বিষয় : যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সর্বশেষ আপডেট

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬


যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রহণযোগ্য প্রস্তাবে না বলার অধিকার ইউরোপের আছে

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শুক্রবার বলেছেন, এমন এক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া ইউরোপের পূর্ণ অধিকার, যখন ওয়াশিংটন অগ্রহণযোগ্য প্রস্তাব দিচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরআমেরিকা ফার্স্টপররাষ্ট্র বাণিজ্য নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বহু মিত্রের মধ্যে ঐতিহ্যগত সম্পর্ক জোটগুলো যেভাবে ওলটপালট হয়ে গেছে, তা নিয়ে বাড়তে থাকা হতাশার প্রেক্ষাপটেই জ্যাঁ-নোয়েল বারোর এই মন্তব্য আসে। ফরাসি রাষ্ট্রদূতদের উদ্দেশে বার্ষিক ভাষণে জ্যাঁ-নোয়েল বারো বলেন, ‘মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন মার্কিন প্রশাসন আমাদের একত্রে বেঁধে রাখা সম্পর্কগুলো নতুন করে ভাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেটি তাদের অধিকার।

আর একই সঙ্গে, কোনো প্রস্তাব অগ্রহণযোগ্য হলেতা যত ঐতিহাসিক মিত্রের পক্ষ থেকেই আসুক না কেন—“নাবলাও আমাদের অধিকার। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজন বলে দাবি করে ট্রাম্প ডেনমার্কের স্বশাসিত খনিজসমৃদ্ধ ভূখণ্ড গ্রিনল্যান্ডের প্রতি যে আগ্রহ দেখাচ্ছেন, সেটিই ইউরোপীয়দের সর্বশেষ উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। এই হুমকির জবাবে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো হবেতা নির্ধারণে ইউরোপ এখন তৎপর।

বারোর বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রকে এমন এক হুমকি হিসেবে তুলে ধরা হয়, যা ইউক্রেনে আগ্রাসন চালানো প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের রাশিয়ার সঙ্গে তুলনীয়। তিনি বলেন, ঐতিহাসিক বন্ধন ভাঙতে চাওয়াপ্রতিপক্ষদেরহাতে ইউরোপ বাইরের দিক থেকে আক্রমণের মুখে পড়ছে।

 

এমএইছ / ধ্রুবকণ্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত