ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

মার্কিন আদালতে মাদুরোর বিচার শুরু



মার্কিন আদালতে মাদুরোর বিচার শুরু
ছবি : সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মাদক পাচারের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালতে হাজির করা হয়েছে। 

আজ সোমবার ( জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল ৭টার কিছু পরে ব্রুকলিনের একটি আটক কেন্দ্র থেকে মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে সশস্ত্র পাহারায় একটি হেলিকপ্টারে তোলা হয়। সেখান থেকে তাদের ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং দুপুর ১২টায় তাদের প্রাথমিক শুনানি শুরু হয়। 

যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে বলা হয়েছে, নিকোলাস মাদুরো একটি আন্তর্জাতিক কোকেন পাচার নেটওয়ার্ক তদারকি করতেন। অভিযোগ অনুযায়ী, এই নেটওয়ার্কটি মেক্সিকোর কুখ্যাত সিনালোয়া জেতাস কার্টেল, কলম্বিয়ার ফার্ক বিদ্রোহী গোষ্ঠী এবং ভেনেজুয়েলার অপরাধী চক্রট্রেন ডি আরাগুয়া সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত হতো। তবে মাদুরো শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তার দাবি, ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো তার বিরুদ্ধে বানোয়াট অভিযোগ সাজিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৮৯ সালে পানামায় মার্কিন আগ্রাসনের পর লাতিন আমেরিকায় এটিই সবচেয়ে বড় মার্কিন হস্তক্ষেপ। গত শনিবার মার্কিন স্পেশাল ফোর্সের সদস্যরা হেলিকপ্টারে করে কারাকাসে অভিযান চালিয়ে মাদুরোর নিরাপত্তা বলয় ভেঙে তার সেফ রুম থেকে তাকে আটক করে।

এদিকে মাদুরোকে আটক করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই নজিরবিহীন অভিযানের বৈধতা নিয়ে জাতিসংঘে আলোচনা শুরুর প্রস্তুতি চলছে। 

 

এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলা নিকোলাস মাদুরো

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬


মার্কিন আদালতে মাদুরোর বিচার শুরু

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মাদক পাচারের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালতে হাজির করা হয়েছে। 

আজ সোমবার ( জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল ৭টার কিছু পরে ব্রুকলিনের একটি আটক কেন্দ্র থেকে মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে সশস্ত্র পাহারায় একটি হেলিকপ্টারে তোলা হয়। সেখান থেকে তাদের ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং দুপুর ১২টায় তাদের প্রাথমিক শুনানি শুরু হয়। 

যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে বলা হয়েছে, নিকোলাস মাদুরো একটি আন্তর্জাতিক কোকেন পাচার নেটওয়ার্ক তদারকি করতেন। অভিযোগ অনুযায়ী, এই নেটওয়ার্কটি মেক্সিকোর কুখ্যাত সিনালোয়া জেতাস কার্টেল, কলম্বিয়ার ফার্ক বিদ্রোহী গোষ্ঠী এবং ভেনেজুয়েলার অপরাধী চক্রট্রেন ডি আরাগুয়া সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত হতো। তবে মাদুরো শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তার দাবি, ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো তার বিরুদ্ধে বানোয়াট অভিযোগ সাজিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৮৯ সালে পানামায় মার্কিন আগ্রাসনের পর লাতিন আমেরিকায় এটিই সবচেয়ে বড় মার্কিন হস্তক্ষেপ। গত শনিবার মার্কিন স্পেশাল ফোর্সের সদস্যরা হেলিকপ্টারে করে কারাকাসে অভিযান চালিয়ে মাদুরোর নিরাপত্তা বলয় ভেঙে তার সেফ রুম থেকে তাকে আটক করে।

এদিকে মাদুরোকে আটক করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই নজিরবিহীন অভিযানের বৈধতা নিয়ে জাতিসংঘে আলোচনা শুরুর প্রস্তুতি চলছে। 

 

এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত