পাকিস্তানের
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ
শরীফ চৌধুরী আবারো ভারতকে হুমকি দিয়েছেন। তিনি ইসলামাবাদের কাবুলের সঙ্গে চলমান
সংঘাতের প্রসঙ্গে ভারতকে যুক্ত করেন। সাম্প্রতিক এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিতে
গিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা ভারতের প্রতি হুমকি দেন।
তিনি
বলেন, ‘মজা না করায়া তো পয়সে বাপস’ (যদি উপভোগ না করেন, তবে টাকা ফেরত পাবেন)।
প্রতিপক্ষকে উসকানি দিতে সাধারণত ব্যবহৃত এই কথোপকথনমূলক ব্যঙ্গাত্মক বাক্যটি
সেখানে উচ্চারিত হয়।
চৌধুরী
বলেন, ‘২০২৬ সাল কেমন হবে, তা নির্ভর করবে আমরা কোথায় দাঁড়াই, কিভাবে প্রতিক্রিয়া জানাই
তার ওপর। আমাদের প্রতিপক্ষের ইচ্ছা পরিষ্কার।
ভারত
তোমার অস্তিত্ব মেনে নেবে না। তারা বলছে, আমার শত্রুর শত্রুই আমার বন্ধু।’
তিনি
আরো যোগ করেন, ‘আমাদের নিয়তি আমাদের নিজেদের হাতে। আমাদের নেতৃত্ব—রাজনৈতিক ও
সামরিক উভয়ই—সম্পূর্ণ পরিষ্কার।
আমরা
সব সময় বলি পাকিস্তান আল্লাহর দান। যা খুশি করো। যেদিক দিয়ে খুশি আসো। একা আসো বা
কারো সঙ্গে আসো। একবার মজা না করা দিয়া না তো প্যায়সা বাপস (যদি উপভোগ না হয়, টাকা
ফেরত দেওয়া হবে),’—এভাবে তিনি কাবুলকে ভারত-নিয়ন্ত্রিত ‘প্রক্সি’ বলে ইসলামাবাদের
অভিযোগকে আরো জোরালো করেন।
এর
আগে পাকিস্তানের জ্যেষ্ঠ নেতৃত্ব, যার মধ্যে প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজাও ছিলেন,
অভিযোগ করেছিলেন, আফগানিস্তান, নয়াদিল্লি এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-তালিবান
পাকিস্তান (টিটিপি) মিলিতভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
এমএইছ /ধ্রুবকন্ঠ
.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
পাকিস্তানের
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ
শরীফ চৌধুরী আবারো ভারতকে হুমকি দিয়েছেন। তিনি ইসলামাবাদের কাবুলের সঙ্গে চলমান
সংঘাতের প্রসঙ্গে ভারতকে যুক্ত করেন। সাম্প্রতিক এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিতে
গিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা ভারতের প্রতি হুমকি দেন।
তিনি
বলেন, ‘মজা না করায়া তো পয়সে বাপস’ (যদি উপভোগ না করেন, তবে টাকা ফেরত পাবেন)।
প্রতিপক্ষকে উসকানি দিতে সাধারণত ব্যবহৃত এই কথোপকথনমূলক ব্যঙ্গাত্মক বাক্যটি
সেখানে উচ্চারিত হয়।
চৌধুরী
বলেন, ‘২০২৬ সাল কেমন হবে, তা নির্ভর করবে আমরা কোথায় দাঁড়াই, কিভাবে প্রতিক্রিয়া জানাই
তার ওপর। আমাদের প্রতিপক্ষের ইচ্ছা পরিষ্কার।
ভারত
তোমার অস্তিত্ব মেনে নেবে না। তারা বলছে, আমার শত্রুর শত্রুই আমার বন্ধু।’
তিনি
আরো যোগ করেন, ‘আমাদের নিয়তি আমাদের নিজেদের হাতে। আমাদের নেতৃত্ব—রাজনৈতিক ও
সামরিক উভয়ই—সম্পূর্ণ পরিষ্কার।
আমরা
সব সময় বলি পাকিস্তান আল্লাহর দান। যা খুশি করো। যেদিক দিয়ে খুশি আসো। একা আসো বা
কারো সঙ্গে আসো। একবার মজা না করা দিয়া না তো প্যায়সা বাপস (যদি উপভোগ না হয়, টাকা
ফেরত দেওয়া হবে),’—এভাবে তিনি কাবুলকে ভারত-নিয়ন্ত্রিত ‘প্রক্সি’ বলে ইসলামাবাদের
অভিযোগকে আরো জোরালো করেন।
এর
আগে পাকিস্তানের জ্যেষ্ঠ নেতৃত্ব, যার মধ্যে প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজাও ছিলেন,
অভিযোগ করেছিলেন, আফগানিস্তান, নয়াদিল্লি এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-তালিবান
পাকিস্তান (টিটিপি) মিলিতভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
এমএইছ /ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন