বিশ্ব
রাজনীতির
পরিবর্তনশীল
সমীকরণে
জ্বালানি
নিরাপত্তার
স্বার্থে
নতুন
উৎস
খুঁজছে
ভারত।
বিশেষ
করে
মার্কিন
প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড
ট্রাম্পের
কঠোর
অবস্থানের
মুখে
রাশিয়ার
তেলের
বিকল্প
হিসেবে
ভেনেজুয়েলা
থেকে
অপরিশোধিত
তেল
আমদানির
জোর
তৎপরতা
শুরু
করেছে
দেশটির
শীর্ষস্থানীয়
প্রতিষ্ঠান
রিলায়েন্স
ইন্ডাস্ট্রিজ।
রাশিয়া
থেকে
তেল
আমদানির
কারণে
ভারতসহ
বেশ
কয়েকটি
দেশের
ওপর
ক্ষুব্ধ
ডোনাল্ড
ট্রাম্প।
সম্প্রতি
তিনি
হুমকি
দিয়েছেন,
রাশিয়া
থেকে
জ্বালানি
কেনা
বন্ধ
না
করলে
ভারতীয়
পণ্যের
ওপর
৫০০
শতাংশ
পর্যন্ত
শুল্ক
আরোপ
করা
হবে।
এই
বিশাল
অর্থনৈতিক
ঝুঁকি
এড়াতে
রিলায়েন্স
ইন্ডাস্ট্রিজ
ইতিমধ্যে
রাশিয়া
থেকে
তেলের
চালান
নেওয়া
বন্ধ
করেছে
এবং
যুক্তরাষ্ট্রের
অনুমতি
নিয়ে
ভেনেজুয়েলার
সাথে
নতুন
চুক্তির
চেষ্টা
চালাচ্ছে।
রয়টার্স
ও
আইএএনএস-এর প্রতিবেদন
অনুযায়ী,
রিলায়েন্সের
প্রতিনিধিরা
বর্তমানে
যুক্তরাষ্ট্রের
পররাষ্ট্র
ও
অর্থ
মন্ত্রণালয়ের
সঙ্গে
আলোচনা
করছেন।
হোয়াইট
হাউস
ইঙ্গিত
দিয়েছে
যে,
একটি
বিশেষ
ব্যবস্থার
মাধ্যমে
ভারতকে
ভেনেজুয়েলা
থেকে
তেল
কেনার
অনুমতি
দেওয়া
হতে
পারে,
তবে
পুরো
প্রক্রিয়ার
নিয়ন্ত্রণ
থাকবে
মার্কিন
প্রশাসনের
হাতে।
এক
সময়
ভেনেজুয়েলার
তেলের
অন্যতম
বড়
বাজার
ছিল
ভারত।
রিলায়েন্সের
গুজরাট
পরিশোধনাগারগুলো
ভেনেজুয়েলার
‘মেরেই’
গ্রেডের
মতো
ভারী
ও
সস্তা
তেল
প্রক্রিয়াজাতকরণে
সক্ষম।
নিষেধাজ্ঞা
আরোপের
আগে
ভারত
দৈনিক
প্রায়
৪
লাখ
ব্যারেল
তেল
আমদানি
করত
ভেনেজুয়েলা
থেকে।
এখন
রাশিয়ার
বিকল্প
হিসেবে
সেই
পুরনো
বাজারকেই
বেছে
নিতে
চাইছে
নয়াদিল্লি।
বিশেষজ্ঞরা
মনে
করছেন,
পুতিন
ও
ট্রাম্পের
মধ্যকার
দ্বৈরথে
ভারত
এখন
ভারসাম্য
রক্ষার
চেষ্টা
করছে।
একদিকে
রাশিয়ার
সাথে
দীর্ঘদিনের
বন্ধুত্ব,
অন্যদিকে
যুক্তরাষ্ট্রের
সাথে
বিশাল
বাণিজ্যিক
স্বার্থ—এই দুইয়ের
মাঝে
ভেনেজুয়েলার
তেল
ভারতের
জন্য
একটি
সাময়িক
‘সেফটি
ভালভ’
হিসেবে
কাজ
করতে
পারে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
আপনার মতামত লিখুন