জাপানের অবস্থিত কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি চুল্লি পুনরায় চালু করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবার বন্ধ করে দিতে হয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি (টেপকো) এ তথ্য জানায়।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত কাশিওয়াজাকি-কারিওয়াতে মোট সাতটি চুল্লি রয়েছে, যার সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা ৮ দশমিক ২ গিগাওয়াট। ফুকুশিমা দুর্ঘটনার পর জাপানের সব পারমাণবিক চুল্লি বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে জাপান সরকার ধীরে ধীরে পারমাণবিক শক্তিতে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছে। টেপকোর আশা ছিল, ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এই চুল্লি থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা যাবে, যদিও বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই পরিকল্পনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
২০১১ সালের ফুকুশিমা পারমাণবিক দুর্ঘটনার পর এটিই ছিল টেপকোর অধীনে কোনো চুল্লি পুনরায় সচল করার প্রথম উদ্যোগ। খবরটি জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর বন্ধ থাকার পর কেন্দ্রটির ৬ নম্বর চুল্লি গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা ২ মিনিটে চালু করা হয়। তবে চালু করার প্রক্রিয়ার সময় হঠাৎ মনিটরিং ব্যবস্থায় সতর্ক সংকেত দেখা দেওয়ায় নিরাপত্তা বিধি মেনে কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। টেপকোর মুখপাত্র তাকাশি কোবায়াশি জানান, বর্তমানে চুল্লিটি স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে এবং কোনো ধরনের তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানোর ঘটনা ঘটেনি।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চুল্লির নিয়ন্ত্রণ দণ্ড বা কন্ট্রোল রড ব্যবস্থায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এই সতর্ক সংকেত সক্রিয় হয়। উল্লেখযোগ্যভাবে, এর আগেও মঙ্গলবার চুল্লিটি চালু করার পরিকল্পনা থাকলেও একই ধরনের অ্যালার্মের কারণে তা স্থগিত করা হয়েছিল। একাধিক যান্ত্রিক সমস্যার থাকার কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নিরাপত্তা ও টেপকোর দক্ষতা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬
জাপানের অবস্থিত কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি চুল্লি পুনরায় চালু করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবার বন্ধ করে দিতে হয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি (টেপকো) এ তথ্য জানায়।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত কাশিওয়াজাকি-কারিওয়াতে মোট সাতটি চুল্লি রয়েছে, যার সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা ৮ দশমিক ২ গিগাওয়াট। ফুকুশিমা দুর্ঘটনার পর জাপানের সব পারমাণবিক চুল্লি বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে জাপান সরকার ধীরে ধীরে পারমাণবিক শক্তিতে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছে। টেপকোর আশা ছিল, ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এই চুল্লি থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা যাবে, যদিও বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই পরিকল্পনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
২০১১ সালের ফুকুশিমা পারমাণবিক দুর্ঘটনার পর এটিই ছিল টেপকোর অধীনে কোনো চুল্লি পুনরায় সচল করার প্রথম উদ্যোগ। খবরটি জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর বন্ধ থাকার পর কেন্দ্রটির ৬ নম্বর চুল্লি গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা ২ মিনিটে চালু করা হয়। তবে চালু করার প্রক্রিয়ার সময় হঠাৎ মনিটরিং ব্যবস্থায় সতর্ক সংকেত দেখা দেওয়ায় নিরাপত্তা বিধি মেনে কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। টেপকোর মুখপাত্র তাকাশি কোবায়াশি জানান, বর্তমানে চুল্লিটি স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে এবং কোনো ধরনের তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানোর ঘটনা ঘটেনি।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চুল্লির নিয়ন্ত্রণ দণ্ড বা কন্ট্রোল রড ব্যবস্থায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এই সতর্ক সংকেত সক্রিয় হয়। উল্লেখযোগ্যভাবে, এর আগেও মঙ্গলবার চুল্লিটি চালু করার পরিকল্পনা থাকলেও একই ধরনের অ্যালার্মের কারণে তা স্থগিত করা হয়েছিল। একাধিক যান্ত্রিক সমস্যার থাকার কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নিরাপত্তা ও টেপকোর দক্ষতা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন