ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

পাকিস্তানের খাইবার অঞ্চলে বোমা বিস্ফোরণ, পুলিশ সদস্য নিহত



পাকিস্তানের খাইবার অঞ্চলে বোমা বিস্ফোরণ, পুলিশ সদস্য নিহত
ছবি : সংগৃহীত

পাকিস্তানের খাইবার-পাখতুনখোয়ার ট্যাংক জেলায় বোমা বিস্ফোরণে ছয় পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) পাকিস্তানের গোমাল থেকে ট্যাংকের দিকে যাওয়ার সময় পুলিশের একটি সাঁজোয়া যান লক্ষ্য করে পেতে রাখা ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরিত হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

একই দিনে দেশটির লাক্কি মারওয়াত জেলার সদর থানার আওতাধীন দারা টাং এলাকায় আরেকটি পৃথক ঘটনায় পুলিশের একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে আইইডি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশ জানায়, দারা টাং সেতুর কাছে ডিভাইসটি পুঁতে রাখা হয়েছিল। ঘটনার সময় জেলা পুলিশ কর্মকর্তা নিয়মিত টহলে ছিলেন এবং একই পথ দিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। এর একদিন আগে একই এলাকা থেকে অজ্ঞাত সশস্ত্র ব্যক্তিরা এক আইনজীবীকে অপহরণ করেছিল বলে কর্মকর্তারা জানান।

এর আগে রাতভর সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয় খাইবার-পাখতুনখোয়ার বান্নু জেলায়। সন্ত্রাসীরা রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে ডোমেল থানার আওতাধীন নালা কাশো পুলিশ পোস্টে একাধিক দিক থেকে গুলি চালায়। পুলিশ পাল্টা জবাব দিয়ে হামলা প্রতিহত করে এবং পিছু হটতে বাধ্য করে হামলাকারীদের।

গত ২৪ ঘণ্টায় কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্ট (সিটিডি) পেশোয়ার খাইবার জেলায় দুইটি গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযান চালিয়েফিতনা আল-খাওয়ারিজ’-এর সঙ্গে যুক্ত ছয় জনঅত্যন্ত কাঙ্ক্ষিতসন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে। পুলিশ জানায়, পেশোয়ারের জাহির ঘাড়ির কাছে টিপু সানো বাচা কবরস্থান এলাকায় প্রথম অভিযানটি চালানো হয়। সেখানে তিন সন্ত্রাসী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়, তবে কয়েকজন আবাসিক এলাকা ব্যবহার করে পালিয়ে যায়।

আর দ্বিতীয় অভিযানটি পরিচালনা হয় খাইবার জেলার জামরুদের নাকা কাল্লে এলাকায়, শাহ কাস বাইপাস সড়কের কাছে। সেখানে সন্ত্রাসীরা পুলিশের ওপর সমন্বিত হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে জানায় সিটিডি। অভিযানে আরও তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়।

২০২১ সালের আগস্টে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এরপর থেকে এখন পর্যন্ত সেনা, পুলিশ, কর্মকর্তা বেসামরিক নাগরিকসহ চার হাজারের বেশি পাকিস্তানি নিহত হয়েছেন। সূত্র: দ্য একপ্রেস ট্রিবিউন

এমএইছ / ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : পাকিস্তান বোমা বিষ্ফোরণ আহত ও নিহত

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬


পাকিস্তানের খাইবার অঞ্চলে বোমা বিস্ফোরণ, পুলিশ সদস্য নিহত

প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

পাকিস্তানের খাইবার-পাখতুনখোয়ার ট্যাংক জেলায় বোমা বিস্ফোরণে ছয় পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) পাকিস্তানের গোমাল থেকে ট্যাংকের দিকে যাওয়ার সময় পুলিশের একটি সাঁজোয়া যান লক্ষ্য করে পেতে রাখা ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরিত হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

একই দিনে দেশটির লাক্কি মারওয়াত জেলার সদর থানার আওতাধীন দারা টাং এলাকায় আরেকটি পৃথক ঘটনায় পুলিশের একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে আইইডি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশ জানায়, দারা টাং সেতুর কাছে ডিভাইসটি পুঁতে রাখা হয়েছিল। ঘটনার সময় জেলা পুলিশ কর্মকর্তা নিয়মিত টহলে ছিলেন এবং একই পথ দিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। এর একদিন আগে একই এলাকা থেকে অজ্ঞাত সশস্ত্র ব্যক্তিরা এক আইনজীবীকে অপহরণ করেছিল বলে কর্মকর্তারা জানান।

এর আগে রাতভর সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয় খাইবার-পাখতুনখোয়ার বান্নু জেলায়। সন্ত্রাসীরা রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে ডোমেল থানার আওতাধীন নালা কাশো পুলিশ পোস্টে একাধিক দিক থেকে গুলি চালায়। পুলিশ পাল্টা জবাব দিয়ে হামলা প্রতিহত করে এবং পিছু হটতে বাধ্য করে হামলাকারীদের।

গত ২৪ ঘণ্টায় কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্ট (সিটিডি) পেশোয়ার খাইবার জেলায় দুইটি গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযান চালিয়েফিতনা আল-খাওয়ারিজ’-এর সঙ্গে যুক্ত ছয় জনঅত্যন্ত কাঙ্ক্ষিতসন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে। পুলিশ জানায়, পেশোয়ারের জাহির ঘাড়ির কাছে টিপু সানো বাচা কবরস্থান এলাকায় প্রথম অভিযানটি চালানো হয়। সেখানে তিন সন্ত্রাসী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়, তবে কয়েকজন আবাসিক এলাকা ব্যবহার করে পালিয়ে যায়।

আর দ্বিতীয় অভিযানটি পরিচালনা হয় খাইবার জেলার জামরুদের নাকা কাল্লে এলাকায়, শাহ কাস বাইপাস সড়কের কাছে। সেখানে সন্ত্রাসীরা পুলিশের ওপর সমন্বিত হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে জানায় সিটিডি। অভিযানে আরও তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়।

২০২১ সালের আগস্টে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এরপর থেকে এখন পর্যন্ত সেনা, পুলিশ, কর্মকর্তা বেসামরিক নাগরিকসহ চার হাজারের বেশি পাকিস্তানি নিহত হয়েছেন। সূত্র: দ্য একপ্রেস ট্রিবিউন

এমএইছ / ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত