ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

তুরস্ককে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দিবে ডোনাল্ড ট্রাম্প



তুরস্ককে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দিবে ডোনাল্ড ট্রাম্প
ছবি : সংগৃহীত

তুরস্কের কাছে অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির বিষয়টি ‘খুব গুরুত্ব সহকারে’ বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো রিসোর্টে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এক বৈঠকের পর নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ইঙ্গিত দিয়েছেন। তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম হুরিয়েত ডেইলি নিউজ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গাজা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনার উদ্দেশ্যে নেতানিয়াহু বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর পর এটিই নেতানিয়াহুর পঞ্চম সফর। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তুরস্ককে এফ-৩৫ সরবরাহ করার বিষয়টি তার প্রশাসন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে ভাবছে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার কারণে তুরস্ককে এফ-৩৫ কর্মসূচি থেকে বাদ দিয়েছিল তৎকালীন ট্রাম্প প্রশাসন। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানকে নিজের ‘খুব ভালো বন্ধু’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ইসরায়েলের সাথে তুরস্কের সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে তারা ইসরায়েলের ওপর কখনো এগুলো ব্যবহার করবে না। আমাদের কোনো সমস্যা হবে না।”

এছাড়া গাজা উপত্যকায় বহুজাতিক বাহিনীর অংশ হিসেবে তুর্কি সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি জানান, এরদোয়ানের সঙ্গে তার চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে তিনি নেতানিয়াহুর  সঙ্গে আলোচনা করবেন।

পশ্চিম তীরের বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ইসরায়েলের সাথে তাদের দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। সব বিষয়ে শতভাগ একমত না হলেও সঠিক সময়ে একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে এবং নেতানিয়াহু ‘সঠিক কাজটিই করবেন’ বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : যুক্তরাষ্ট্র তুরস্ক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬


তুরস্ককে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দিবে ডোনাল্ড ট্রাম্প

প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

তুরস্কের কাছে অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির বিষয়টি ‘খুব গুরুত্ব সহকারে’ বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো রিসোর্টে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এক বৈঠকের পর নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ইঙ্গিত দিয়েছেন। তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম হুরিয়েত ডেইলি নিউজ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গাজা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনার উদ্দেশ্যে নেতানিয়াহু বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর পর এটিই নেতানিয়াহুর পঞ্চম সফর। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তুরস্ককে এফ-৩৫ সরবরাহ করার বিষয়টি তার প্রশাসন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে ভাবছে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার কারণে তুরস্ককে এফ-৩৫ কর্মসূচি থেকে বাদ দিয়েছিল তৎকালীন ট্রাম্প প্রশাসন। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানকে নিজের ‘খুব ভালো বন্ধু’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ইসরায়েলের সাথে তুরস্কের সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে তারা ইসরায়েলের ওপর কখনো এগুলো ব্যবহার করবে না। আমাদের কোনো সমস্যা হবে না।”

এছাড়া গাজা উপত্যকায় বহুজাতিক বাহিনীর অংশ হিসেবে তুর্কি সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি জানান, এরদোয়ানের সঙ্গে তার চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে তিনি নেতানিয়াহুর  সঙ্গে আলোচনা করবেন।

পশ্চিম তীরের বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ইসরায়েলের সাথে তাদের দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। সব বিষয়ে শতভাগ একমত না হলেও সঠিক সময়ে একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে এবং নেতানিয়াহু ‘সঠিক কাজটিই করবেন’ বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত