আটলান্টিকের
দুই পাড়ের
মধ্যে উত্তেজনা
এড়াতে ইউরোপের
অনেক নেতা
যেখানে সতর্ক
ভাষায় কথা
বলছেন, সেখানে
মাক্রোঁ কড়া
অবস্থান নিয়েছেন।
দাভোসে অনুষ্ঠিত
বিশ্ব অর্থনৈতিক
ফোরামে তিনি
বলেন, ফ্রান্স
ও ইউরোপ
কোনোভাবেই ‘শক্তির
জোরে চাপিয়ে
দেওয়া নিয়ম’
মেনে নেবে
না। তা
করলে ইউরোপ
ধীরে ধীরে
পরাধীন হয়ে
পড়বে বলে
তিনি সতর্ক
করেন।
শনিবার ট্রাম্প
ঘোষণা দেন,
গ্রিনল্যান্ড
যুক্তরাষ্ট্রকে
দিতে অস্বীকৃতি
জানানো পর্যন্ত
ফ্রান্সসহ কয়েকটি
ইউরোপীয় মিত্র
দেশের পণ্যের
ওপর ১
ফেব্রুয়ারি
থেকে শুল্ক
বসানো হবে।
ইউরোপের প্রভাবশালী
দেশগুলো এই
পদক্ষেপকে সরাসরি
‘ব্ল্যাকমেইল’
হিসেবে দেখছে।
মাক্রোঁ বলেন,
বিশ্ব রাজনীতি
যদি নীতিহীনতার
দিকে এগোয়ও,
ইউরোপ ভূখণ্ডগত
অখণ্ডতা ও
আইনের শাসনের
প্রশ্নে আপস
করবে না।
তার ভাষায়,
গুণ্ডামির বদলে
সম্মান এবং
বর্বরতার বদলে
আইনের শাসনই
ইউরোপের পছন্দ।
বক্তৃতার সময়
তিনি এভিয়েটর
সানগ্লাস পরেছিলেন।
এলিসি প্রাসাদের
বরাতে জানানো
হয়, চোখের
রক্তনালী ফেটে
যাওয়ায় সুরক্ষার
জন্য তিনি
এই চশমা
ব্যবহার করছেন।
ফরাসি ওয়াইন
ও শ্যাম্পেইনের
ওপর ২০০
শতাংশ শুল্ক
আরোপের হুমকির
প্রেক্ষাপটেই
দাভোসে এসব
মন্তব্য করেন
মাক্রোঁ। এর
আগে ট্রাম্প
কূটনৈতিক শিষ্টাচার
ভেঙে মাক্রোঁর
পাঠানো একটি
ব্যক্তিগত বার্তা
প্রকাশ করেন,
যেখানে গ্রিনল্যান্ড
বিষয়ে ট্রাম্পের
পরিকল্পনা জানতে
চাওয়া হয়েছিল।
একই বার্তায়
রাশিয়া ও
অন্যান্য বিষয়
নিয়ে একটি
জি–৭
বৈঠক আয়োজনের
প্রস্তাবও দেন
মাক্রোঁ।
মাক্রোঁ বলেন,
ওয়াশিংটনের
লাগাতার শুল্ক
আরোপ সম্পূর্ণ
অগ্রহণযোগ্য,
বিশেষ করে
যখন তা
ভূখণ্ডগত সার্বভৌমত্বে
হস্তক্ষেপের
হাতিয়ার হিসেবে
ব্যবহৃত হয়।
তিনি জানান,
তিনি বুধবারের
আগেই দাভোস
ত্যাগ করবেন।
অন্যদিকে ট্রাম্পের
বক্তব্য দেওয়ার
কথা বুধবার,
ফলে বিশ্ব
অর্থনৈতিক ফোরামে
দুই নেতার
মুখোমুখি সাক্ষাৎ
হওয়ার সম্ভাবনা
নেই বলেই
মনে করা
হচ্ছে।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬
আটলান্টিকের
দুই পাড়ের
মধ্যে উত্তেজনা
এড়াতে ইউরোপের
অনেক নেতা
যেখানে সতর্ক
ভাষায় কথা
বলছেন, সেখানে
মাক্রোঁ কড়া
অবস্থান নিয়েছেন।
দাভোসে অনুষ্ঠিত
বিশ্ব অর্থনৈতিক
ফোরামে তিনি
বলেন, ফ্রান্স
ও ইউরোপ
কোনোভাবেই ‘শক্তির
জোরে চাপিয়ে
দেওয়া নিয়ম’
মেনে নেবে
না। তা
করলে ইউরোপ
ধীরে ধীরে
পরাধীন হয়ে
পড়বে বলে
তিনি সতর্ক
করেন।
শনিবার ট্রাম্প
ঘোষণা দেন,
গ্রিনল্যান্ড
যুক্তরাষ্ট্রকে
দিতে অস্বীকৃতি
জানানো পর্যন্ত
ফ্রান্সসহ কয়েকটি
ইউরোপীয় মিত্র
দেশের পণ্যের
ওপর ১
ফেব্রুয়ারি
থেকে শুল্ক
বসানো হবে।
ইউরোপের প্রভাবশালী
দেশগুলো এই
পদক্ষেপকে সরাসরি
‘ব্ল্যাকমেইল’
হিসেবে দেখছে।
মাক্রোঁ বলেন,
বিশ্ব রাজনীতি
যদি নীতিহীনতার
দিকে এগোয়ও,
ইউরোপ ভূখণ্ডগত
অখণ্ডতা ও
আইনের শাসনের
প্রশ্নে আপস
করবে না।
তার ভাষায়,
গুণ্ডামির বদলে
সম্মান এবং
বর্বরতার বদলে
আইনের শাসনই
ইউরোপের পছন্দ।
বক্তৃতার সময়
তিনি এভিয়েটর
সানগ্লাস পরেছিলেন।
এলিসি প্রাসাদের
বরাতে জানানো
হয়, চোখের
রক্তনালী ফেটে
যাওয়ায় সুরক্ষার
জন্য তিনি
এই চশমা
ব্যবহার করছেন।
ফরাসি ওয়াইন
ও শ্যাম্পেইনের
ওপর ২০০
শতাংশ শুল্ক
আরোপের হুমকির
প্রেক্ষাপটেই
দাভোসে এসব
মন্তব্য করেন
মাক্রোঁ। এর
আগে ট্রাম্প
কূটনৈতিক শিষ্টাচার
ভেঙে মাক্রোঁর
পাঠানো একটি
ব্যক্তিগত বার্তা
প্রকাশ করেন,
যেখানে গ্রিনল্যান্ড
বিষয়ে ট্রাম্পের
পরিকল্পনা জানতে
চাওয়া হয়েছিল।
একই বার্তায়
রাশিয়া ও
অন্যান্য বিষয়
নিয়ে একটি
জি–৭
বৈঠক আয়োজনের
প্রস্তাবও দেন
মাক্রোঁ।
মাক্রোঁ বলেন,
ওয়াশিংটনের
লাগাতার শুল্ক
আরোপ সম্পূর্ণ
অগ্রহণযোগ্য,
বিশেষ করে
যখন তা
ভূখণ্ডগত সার্বভৌমত্বে
হস্তক্ষেপের
হাতিয়ার হিসেবে
ব্যবহৃত হয়।
তিনি জানান,
তিনি বুধবারের
আগেই দাভোস
ত্যাগ করবেন।
অন্যদিকে ট্রাম্পের
বক্তব্য দেওয়ার
কথা বুধবার,
ফলে বিশ্ব
অর্থনৈতিক ফোরামে
দুই নেতার
মুখোমুখি সাক্ষাৎ
হওয়ার সম্ভাবনা
নেই বলেই
মনে করা
হচ্ছে।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন