জাপানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আজ সোমবার
গভীর রাতে ৭.৬ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর পর সুনামি সতর্কতা জারি
করা হয় এবং বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
জাপান আবহাওয়া সংস্থা
(জেএমএ) জানায়, স্থানীয় সময় রাত ১১টা ১৫ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানার পর জাপানের
উত্তর-পূর্ব উপকূলে সর্বোচ্চ তিন মিটার (১০ ফুট) উচ্চতার সুনামি আছড়ে পড়তে পারে।
হোক্কাইডো,
আওমোরি ও ইওয়াতে প্রদেশে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়।
জেএমএ
জানায়, বিভিন্ন বন্দরে ২০ থেকে ৫০ সেন্টিমিটার (৭ থেকে ১৮ ইঞ্চি) উচ্চতার সুনামি
ঢেউ লক্ষ করা গেছে।
এই
সংস্থাটি আরও জানায়, ভূমিকম্পটির উপকেন্দ্র ছিল আওমোরি প্রদেশের উপকূল থেকে ৮০
কিলোমিটার দূরে, সমুদ্রের ৫০ কিলোমিটার গভীরে।
জাপানের
১-৭ মাত্রার ভূমিকম্প তীব্রতা স্কেলে আওমোরি প্রদেশে কম্পনের মাত্রা ছিল ‘উচ্চ ৬’,
যা এমন শক্তিশালী যে দাঁড়িয়ে থাকা বা না হামাগুড়ি দিয়ে চলাচল করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
এ ধরনের কম্পনে অধিকাংশ ভারী আসবাব ভেঙে পড়তে পারে এবং অনেক ভবনের দেয়ালের টাইলস ও
জানালার কাচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পূর্ব জাপান রেলওয়ে ওই অঞ্চলে তাদের কিছু সেবা
সাময়িকভাবে স্থগিত করে দেয়। এই অঞ্চলটি এর আগে ২০১১ সালের মার্চে ৯.০ মাত্রার ভয়াবহ
ভূমিকম্পেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
তোহোকু ইলেকট্রিক
পাওয়ার ও হোক্কাইডো ইলেকট্রিক পাওয়ার পরিচালিত এই অঞ্চলের পারমাণবিক
বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে কোনো অনিয়মের খবর পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট কম্পানিগুলো
জানিয়েছে। তবে তোহোকু ইলেকট্রিক জানায়, হাজার হাজার মানুষ বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে
পড়েছেন।
বিশ্বের সবচেয়ে
ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একটি হচ্ছে জাপান, যেখানে গড়ে প্রতি পাঁচ মিনিটে অন্তত
একটি কম্পন অনুভূত হয়।
প্রশান্ত
মহাসাগরীয় অববাহিকার চারপাশে বিস্তৃত আগ্নেয়গিরি ও গভীর সমুদ্রখাতের অঞ্চল ‘রিং অব
ফায়ার’-এ অবস্থিত জাপান, যেখানে বিশ্বের ৬.০ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্পের প্রায়
২০ শতাংশ সংঘটিত হয়।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫
জাপানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আজ সোমবার
গভীর রাতে ৭.৬ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর পর সুনামি সতর্কতা জারি
করা হয় এবং বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
জাপান আবহাওয়া সংস্থা
(জেএমএ) জানায়, স্থানীয় সময় রাত ১১টা ১৫ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানার পর জাপানের
উত্তর-পূর্ব উপকূলে সর্বোচ্চ তিন মিটার (১০ ফুট) উচ্চতার সুনামি আছড়ে পড়তে পারে।
হোক্কাইডো,
আওমোরি ও ইওয়াতে প্রদেশে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়।
জেএমএ
জানায়, বিভিন্ন বন্দরে ২০ থেকে ৫০ সেন্টিমিটার (৭ থেকে ১৮ ইঞ্চি) উচ্চতার সুনামি
ঢেউ লক্ষ করা গেছে।
এই
সংস্থাটি আরও জানায়, ভূমিকম্পটির উপকেন্দ্র ছিল আওমোরি প্রদেশের উপকূল থেকে ৮০
কিলোমিটার দূরে, সমুদ্রের ৫০ কিলোমিটার গভীরে।
জাপানের
১-৭ মাত্রার ভূমিকম্প তীব্রতা স্কেলে আওমোরি প্রদেশে কম্পনের মাত্রা ছিল ‘উচ্চ ৬’,
যা এমন শক্তিশালী যে দাঁড়িয়ে থাকা বা না হামাগুড়ি দিয়ে চলাচল করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
এ ধরনের কম্পনে অধিকাংশ ভারী আসবাব ভেঙে পড়তে পারে এবং অনেক ভবনের দেয়ালের টাইলস ও
জানালার কাচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পূর্ব জাপান রেলওয়ে ওই অঞ্চলে তাদের কিছু সেবা
সাময়িকভাবে স্থগিত করে দেয়। এই অঞ্চলটি এর আগে ২০১১ সালের মার্চে ৯.০ মাত্রার ভয়াবহ
ভূমিকম্পেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
তোহোকু ইলেকট্রিক
পাওয়ার ও হোক্কাইডো ইলেকট্রিক পাওয়ার পরিচালিত এই অঞ্চলের পারমাণবিক
বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে কোনো অনিয়মের খবর পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট কম্পানিগুলো
জানিয়েছে। তবে তোহোকু ইলেকট্রিক জানায়, হাজার হাজার মানুষ বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে
পড়েছেন।
বিশ্বের সবচেয়ে
ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একটি হচ্ছে জাপান, যেখানে গড়ে প্রতি পাঁচ মিনিটে অন্তত
একটি কম্পন অনুভূত হয়।
প্রশান্ত
মহাসাগরীয় অববাহিকার চারপাশে বিস্তৃত আগ্নেয়গিরি ও গভীর সমুদ্রখাতের অঞ্চল ‘রিং অব
ফায়ার’-এ অবস্থিত জাপান, যেখানে বিশ্বের ৬.০ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্পের প্রায়
২০ শতাংশ সংঘটিত হয়।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন