প্রবাসী কর্মীদের
জন্য যোগ্যতা যাচাই বাধ্যতামূলক
করেছে ওমান সরকার। নতুন আইনে কর্মীদের
একাডেমিক
ও পেশাগত যোগ্যতা যাচাই করা হবে।
ওমানের শ্রম মন্ত্রণালয়ের
পেশাগত মান বিভাগের পরিচালক জাহের বিন আব্দুল্লাহ
আল শেখ জানান, নতুন ব্যবস্থার
আওতায় প্রকৌশল, লজিস্টিকস,
হিসাবরক্ষণসহ
বিভিন্ন নিয়ন্ত্রিত
পেশায় কাজ করতে আগ্রহী প্রবাসীদের
যোগ্যতা দেশে প্রবেশের
আগেই যাচাই ও অনুমোদন নিতে হবে।
এই প্রক্রিয়ায়
সংশ্লিষ্ট
খাতভিত্তিক
স্বীকৃত স্কিলস ইউনিটের মাধ্যমে শিক্ষাগত
ও পেশাগত সনদ মূল্যায়ন করা হবে। যাচাই শেষে অনুমোদন পেলে কর্মীকে ‘ওয়ার্ক প্র্যাকটিস লাইসেন্স’ দেওয়া হবে। এই লাইসেন্স অনুমোদিত না হলে কোনো প্রবাসী কর্মীর জন্য প্রবেশ অনুমতিপত্র ইস্যু করা হবে না।
দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়
জানিয়েছে,
সম্প্রতি
পেশাগত শ্রেণিকরণ
সনদ ও ওয়ার্ক প্র্যাকটিস লাইসেন্স জাল করার একাধিক ঘটনা ধরা পড়েছে, যা ওমানের আইনের সরাসরি লঙ্ঘন। এ ক্ষেত্রে কর্মী ও নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান—উভয় পক্ষই কেবল অনুমোদিত সংস্থা থেকে লাইসেন্স গ্রহণ এবং তার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য দায়বদ্ধ থাকবে। নিয়ম লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা, লাইসেন্স বাতিল, দেশ থেকে বহিষ্কার (ডিপোর্টেশন) এবং আদালতে মামলা দায়েরসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। জালিয়াতিতে সহায়তা বা অবহেলার প্রমাণ মিললে নিয়োগকারীর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬
প্রবাসী কর্মীদের
জন্য যোগ্যতা যাচাই বাধ্যতামূলক
করেছে ওমান সরকার। নতুন আইনে কর্মীদের
একাডেমিক
ও পেশাগত যোগ্যতা যাচাই করা হবে।
ওমানের শ্রম মন্ত্রণালয়ের
পেশাগত মান বিভাগের পরিচালক জাহের বিন আব্দুল্লাহ
আল শেখ জানান, নতুন ব্যবস্থার
আওতায় প্রকৌশল, লজিস্টিকস,
হিসাবরক্ষণসহ
বিভিন্ন নিয়ন্ত্রিত
পেশায় কাজ করতে আগ্রহী প্রবাসীদের
যোগ্যতা দেশে প্রবেশের
আগেই যাচাই ও অনুমোদন নিতে হবে।
এই প্রক্রিয়ায়
সংশ্লিষ্ট
খাতভিত্তিক
স্বীকৃত স্কিলস ইউনিটের মাধ্যমে শিক্ষাগত
ও পেশাগত সনদ মূল্যায়ন করা হবে। যাচাই শেষে অনুমোদন পেলে কর্মীকে ‘ওয়ার্ক প্র্যাকটিস লাইসেন্স’ দেওয়া হবে। এই লাইসেন্স অনুমোদিত না হলে কোনো প্রবাসী কর্মীর জন্য প্রবেশ অনুমতিপত্র ইস্যু করা হবে না।
দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়
জানিয়েছে,
সম্প্রতি
পেশাগত শ্রেণিকরণ
সনদ ও ওয়ার্ক প্র্যাকটিস লাইসেন্স জাল করার একাধিক ঘটনা ধরা পড়েছে, যা ওমানের আইনের সরাসরি লঙ্ঘন। এ ক্ষেত্রে কর্মী ও নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান—উভয় পক্ষই কেবল অনুমোদিত সংস্থা থেকে লাইসেন্স গ্রহণ এবং তার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য দায়বদ্ধ থাকবে। নিয়ম লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা, লাইসেন্স বাতিল, দেশ থেকে বহিষ্কার (ডিপোর্টেশন) এবং আদালতে মামলা দায়েরসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। জালিয়াতিতে সহায়তা বা অবহেলার প্রমাণ মিললে নিয়োগকারীর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন