ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মালালা ইউসুফজাই। তিনি বলেছেন, ইরানের এই আন্দোলন দেশটিতে দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রীয়ভাবে আরোপিত নারী ও কিশোরীদের স্বাধীনতার ওপর বিধিনিষেধ থেকে আলাদা করে দেখা যায় না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মালালা লিখেছেন, ‘ইরানের বিক্ষোভকে মেয়েদের ও নারীদের জীবনের সব ক্ষেত্রে—বিশেষ করে শিক্ষায়—রাষ্ট্রীয়ভাবে চাপিয়ে দেওয়া সীমাবদ্ধতার ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায় না। ইরানের মেয়েরাও, বিশ্বের সব মেয়ের মতোই, মর্যাদাপূর্ণ জীবন দাবি করে। ইরানের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হতে হবে ইরানি জনগণের হাতেই। সেই ভবিষ্যতে ইরানি নারী ও কিশোরীদের নেতৃত্ব থাকতে হবে—বাইরের শক্তি বা দমনমূলক শাসনের দ্বারা নয়।’
এদিকে ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে তারা জনগণের অধিকারকে স্বীকৃতি দেন। তবে সহিংস অস্থিরতা তারা সহ্য করবেন না। তাদের দাবি, সহিংসতার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের উসকানি রয়েছে।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানে মেয়েদের শিক্ষার অধিকারের পক্ষে সংগ্রামের জন্য ২০১৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান মালালা ইউসুফজাই।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : আন্তর্জাতিক ইরান বিক্ষোভ-অবরোধ
.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মালালা ইউসুফজাই। তিনি বলেছেন, ইরানের এই আন্দোলন দেশটিতে দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রীয়ভাবে আরোপিত নারী ও কিশোরীদের স্বাধীনতার ওপর বিধিনিষেধ থেকে আলাদা করে দেখা যায় না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মালালা লিখেছেন, ‘ইরানের বিক্ষোভকে মেয়েদের ও নারীদের জীবনের সব ক্ষেত্রে—বিশেষ করে শিক্ষায়—রাষ্ট্রীয়ভাবে চাপিয়ে দেওয়া সীমাবদ্ধতার ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায় না। ইরানের মেয়েরাও, বিশ্বের সব মেয়ের মতোই, মর্যাদাপূর্ণ জীবন দাবি করে। ইরানের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হতে হবে ইরানি জনগণের হাতেই। সেই ভবিষ্যতে ইরানি নারী ও কিশোরীদের নেতৃত্ব থাকতে হবে—বাইরের শক্তি বা দমনমূলক শাসনের দ্বারা নয়।’
এদিকে ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে তারা জনগণের অধিকারকে স্বীকৃতি দেন। তবে সহিংস অস্থিরতা তারা সহ্য করবেন না। তাদের দাবি, সহিংসতার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের উসকানি রয়েছে।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানে মেয়েদের শিক্ষার অধিকারের পক্ষে সংগ্রামের জন্য ২০১৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান মালালা ইউসুফজাই।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন