মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের অবস্থান থেকে আপাতত কিছুটা সরে এসেছেন বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, সীমিত বিকল্প ও সক্ষমতার কারণে মার্কিন সেনাবাহিনী ইরানে হামলা চালাতে এখন প্রস্তুত নয়।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের সূত্রের বরাত দিয়ে দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। গত মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানে বিক্ষোভকারীদের আশ্বাস দিয়ে বলেছিলেন, ‘সাহায্য আসছে’। পর দিন কাতারে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিমানঘাঁটি থেকে কিছু সেনা প্রত্যাহার করা হয়। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের এলাকাটি ত্যাগ করতে নির্দেশ দেয়া হয়।
এছাড়া ব্রিটেনও হঠাৎ করে তেহরানে দূতাবাস বন্ধ এবং কাতার থেকে তাদের কিছু বাহিনী প্রত্যাহার করে। বুধবার ইউরোপীয় সূত্র জানায়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাতে পারে। তবে স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট কার্যত সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ থেকে এক ধাপ পিছিয়ে আসেন বলে ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তিনি জানান, তার সতর্কবার্তার পর ইরান এরফান সোলতানির ফাঁসি কার্যকর স্থগিত করেছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও বলেছেন, ‘বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেয়ার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।’
সূত্রের বরাত দিয়ে এনবিসি নিউজ জানায়, ট্রাম্প তার জাতীয় নিরাপত্তা দলকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, শুধুমাত্র তখনই (ইরানে) পদক্ষেপ নেবে যদি তারা রেজিম চেঞ্জ পরিবর্তনের নিশ্চয়তা দিতে পারে। কিন্তু কর্মকর্তারা এ ধরনের আশ্বাসের দিতে পারেনি বলে জানা যায়।
বরং কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, তেহরানে যেকোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপ সপ্তাহব্যাপী অঞ্চলজুড়ে সংঘাত ছড়াতে পারে, যেখানে ইরান পাল্টা কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানোর হুমকি দিয়েছে। সূত্র জানায়, ইরানে হামলার জন্য এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের পর্যপ্ত সামরিক সরঞ্জাম না থাকা, তাদের বাহিনী ও ঘাঁটিগুলোকে সুরক্ষা দেয়ার সক্ষমতা কম, এমন উদ্বেগও রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভেনেজুয়েলায় চাপ তৈরির অংশ হিসেবে গত কয়েকমাস ধরে ক্যারিবিয়ানে মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। বিপরীতে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে মাত্র ছয়টি যুদ্ধজাহাজ রয়েছে এবং এই অঞ্চলে কোনো এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ স্থাপন করা হয়নি।
তথ্যসূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : ইরানে অভিযান মার্কিন সেনা
.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের অবস্থান থেকে আপাতত কিছুটা সরে এসেছেন বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, সীমিত বিকল্প ও সক্ষমতার কারণে মার্কিন সেনাবাহিনী ইরানে হামলা চালাতে এখন প্রস্তুত নয়।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের সূত্রের বরাত দিয়ে দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। গত মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানে বিক্ষোভকারীদের আশ্বাস দিয়ে বলেছিলেন, ‘সাহায্য আসছে’। পর দিন কাতারে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিমানঘাঁটি থেকে কিছু সেনা প্রত্যাহার করা হয়। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের এলাকাটি ত্যাগ করতে নির্দেশ দেয়া হয়।
এছাড়া ব্রিটেনও হঠাৎ করে তেহরানে দূতাবাস বন্ধ এবং কাতার থেকে তাদের কিছু বাহিনী প্রত্যাহার করে। বুধবার ইউরোপীয় সূত্র জানায়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাতে পারে। তবে স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট কার্যত সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ থেকে এক ধাপ পিছিয়ে আসেন বলে ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তিনি জানান, তার সতর্কবার্তার পর ইরান এরফান সোলতানির ফাঁসি কার্যকর স্থগিত করেছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও বলেছেন, ‘বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেয়ার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।’
সূত্রের বরাত দিয়ে এনবিসি নিউজ জানায়, ট্রাম্প তার জাতীয় নিরাপত্তা দলকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, শুধুমাত্র তখনই (ইরানে) পদক্ষেপ নেবে যদি তারা রেজিম চেঞ্জ পরিবর্তনের নিশ্চয়তা দিতে পারে। কিন্তু কর্মকর্তারা এ ধরনের আশ্বাসের দিতে পারেনি বলে জানা যায়।
বরং কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, তেহরানে যেকোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপ সপ্তাহব্যাপী অঞ্চলজুড়ে সংঘাত ছড়াতে পারে, যেখানে ইরান পাল্টা কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানোর হুমকি দিয়েছে। সূত্র জানায়, ইরানে হামলার জন্য এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের পর্যপ্ত সামরিক সরঞ্জাম না থাকা, তাদের বাহিনী ও ঘাঁটিগুলোকে সুরক্ষা দেয়ার সক্ষমতা কম, এমন উদ্বেগও রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভেনেজুয়েলায় চাপ তৈরির অংশ হিসেবে গত কয়েকমাস ধরে ক্যারিবিয়ানে মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। বিপরীতে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে মাত্র ছয়টি যুদ্ধজাহাজ রয়েছে এবং এই অঞ্চলে কোনো এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ স্থাপন করা হয়নি।
তথ্যসূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন