সূর্যের দেখা মিলবে, কমবে তীব্র শীতের অনুভূতি: আবহাওয়া অধিদপ্তর
একদিনের সূর্যের তাপে দেশের বিভিন্ন এলাকায় শীতের দাপট কিছুটা প্রশমিত হয়েছে। শৈত্যপ্রবাহের আওতা কমে এসে বৃহস্পতিবার দেশের ১৭টি জেলায় সীমাবদ্ধ ছিল, যেখানে আগের দিন তা ছিল ৩২ জেলায়।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ‘আগামী কয়েকদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সূর্যের দেখা মিলতে পারে। এতে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়া জেলার সংখ্যা খুব বেশি প্রশমিত না হলেও তীব্র শীতের অনুভূতি অনেকটা কমে আসবে। আজ বৃহস্পতিবার
শৈত্যপ্রবাহ
বয়ে
যাওয়া
জেলাগুলোর
মধ্যে
রয়েছে
গোপালগঞ্জ,
মৌলভীবাজার,
কুমিল্লা,
ফেনী,
খুলনা,
যশোর,
চুয়াডাঙ্গা
ও
কুষ্টিয়া।
পাশাপাশি
রাজশাহী
ও
রংপুর
বিভাগের
ওপর
দিয়ে
মৃদু
থেকে
মাঝারি
ধরনের
শৈত্যপ্রবাহ
বয়ে
গেছে।‘বিশেষজ্ঞদের
মতে,
দিল্লি
থেকে
বাংলাদেশের
পূর্বাঞ্চল
পর্যন্ত
কয়েকদিন
ধরে
ঘন
কুয়াশার
প্রভাব
ছিল।
সকালে
সূর্যের
দেখা
না
পাওয়ায়
দিনের
তাপমাত্রা
কম
থাকলেও
রাত
ও
দিনের
তাপমাত্রা
কাছাকাছি
থাকায়
শীতের
অনুভূতি
ছিল
বেশি।তবে বৃহস্পতিবার দিনের বেলা সূর্যের তাপ থাকায় সেই অনুভূতি কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য বাড়ায় রাতের শীতও তুলনামূলক কম অনুভূত হচ্ছে। যদিও সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। চুয়াডাঙ্গা ও ঈশ্বরদীতে তাপমাত্রা নেমে আসে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সংজ্ঞা অনুযায়ী এসব এলাকায় মাঝারি মাত্রার শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। অন্য জেলাগুলোতে ছিল মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত দিনের তাপমাত্রায় সামান্য ওঠানামা হলেও আবহাওয়ার বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। এ সময় মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত এবং কোথাও কোথাও সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকাসহ বিভিন্ন স্থানে ঘন ও মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে।শৈত্যপ্রবাহের
আওতা
কমে
১২
থেকে
১৩টি
জেলায়
নেমে
আসতে
পারে।
তবে
দেশের
নদী
অববাহিকাসহ
বিভিন্ন
এলাকায়
কুয়াশার
আধিক্য
থাকবে
বলে
জানিয়েছেন
আবহাওয়াবিদরা।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ