লেবাননের রাজধানী বৈরুতসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলের তীব্র বিমান হামলার পর জরুরি মন্ত্রিসভা বৈঠক করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম।স্থানীয় সময় আজ সোমবার সকাল ৮টা তিনি প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে মন্ত্রিসভার বৈঠক আহ্বান করেন বলে জানিয়েছে লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি।বৈঠকে গত রাত থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং সরকারের করণীয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।দক্ষিণ লেবানন থেকে উত্তর ইসরায়েলের দিকে রকেট নিক্ষেপের ঘটনার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী সালাম রকেট নিক্ষেপকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন ও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি লেবাননের নিরাপত্তা বিপন্ন করছে এবং ইসরায়েলকে হামলা চালিয়ে যাওয়ার অজুহাত দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘যেই এর পেছনে থাকুক না কেন, এ ধরনের হামলা লেবাননের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।’ একই সঙ্গে সতর্ক করে দেন, লেবাননকে ‘নতুন কোনো দুঃসাহসিক অভিযানে’ জড়াতে দেওয়া হবে না। দায়ীদের চিহ্নিত করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এদিকে রকেট হামলার দায় স্বীকার করেছে হিজবুল্লাহ। সংগঠনটি জানায়, তারা হাইফা শহরের কাছে একটি ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা স্থাপনাকে লক্ষ্য করে রকেট ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রকেট নিক্ষেপের পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সোমবার ভোরে লেবাননজুড়ে ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে। তাদের দাবি, লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ছোড়া একটি রকেট প্রতিহত করা হয়েছে এবং আরও কয়েকটি খোলা স্থানে পড়েছে, তবে এতে হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবানন ও বেকা উপত্যকার ৫৩টি গ্রামের বাসিন্দাদের আসন্ন হামলার আগে এলাকা ছেড়ে অন্তত ১ কিলোমিটার দূরে সরে যাওয়ার সতর্কবার্তাও দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এনএম/ধ্রুবকন্ঠ