আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো মামলা: ১৪ জানুয়ারি থেকে যুক্তিতর্ক শুরু
২০২৪
জুলাই অভ্যুত্থানের
সময়
সাভারের
আশুলিয়ায়
ছয়জনের
লাশ
পোড়ানোর
ঘটনায়
দায়ের
করা
মানবতাবিরোধী
অপরাধের
মামলায়
সাক্ষ্যগ্রহণ
শেষ
হয়েছে।
এ
মামলায়
আসামিপক্ষের
যুক্তিতর্ক
উপস্থাপনের
জন্য
আগামী
১৪
ও
১৫
জানুয়ারি
দিন
নির্ধারণ
করা
হয়েছে।আজ
রবিবার
(১১
জানুয়ারি)
ঢাকা
জেলা
পুলিশের
সাবেক
পরিদর্শক
আরাফাত
হোসেনের
পক্ষে
সাফাই
সাক্ষ্য
শেষ
হওয়ার
পর
বিচারপতি
নজরুল
ইসলাম
চৌধুরীর
নেতৃত্বাধীন
আন্তর্জাতিক
অপরাধ
ট্রাইব্যুনাল-২ যুক্তিতর্কের
জন্য
এ
দিন
ধার্য
করেন।এ
সময়
প্রসিকিউশনের
পক্ষে
উপস্থিত
ছিলেন-
প্রসিকিউটর
মো.
মিজানুল
ইসলাম,
আবদুস
সোবহান
তরফদার,
ফারুক
আহাম্মদ
ও
বি
এম
সুলতান
মাহমুদ।পরবর্তীকালে
প্রসিকিউটর
ফারুক
আহাম্মদ
সাংবাদিকদের
জানান,
আসামিপক্ষ
সাফাই
সাক্ষ্য
প্রদান
করায়
প্রথমে
তারাই
যুক্তিতর্ক
উপস্থাপন
করবেন।
সে
অনুযায়ী
আগামী
১৪
ও
১৫
জানুয়ারি
আসামিপক্ষের
যুক্তি
উপস্থাপনের
দিন
ধার্য
করেছেন
ট্রাইব্যুনাল।
মানবতাবিরোধী
অপরাধের
এই
মামলায়
মোট
১৬
জন
আসামির
মধ্যে
বর্তমানে
আটজন
গ্রেপ্তার
রয়েছেন।
তারা
হলেন—
ঢাকা
জেলার
সাবেক
অতিরিক্ত
পুলিশ
সুপার
(ক্রাইম
অ্যান্ড
অপস)
মো.
আব্দুল্লাহিল
কাফী,
ঢাকা
জেলা
পুলিশের
সাবেক
অতিরিক্ত
সুপার
(সাভার
সার্কেল)
মো.
শাহিদুল
ইসলাম,
পরিদর্শক
আরাফাত
হোসেন,
এসআই
আবদুল
মালেক,
এসআই
আরাফাত
উদ্দিন,
এএসআই
কামরুল
হাসান,
এসআই
শেখ
আবজালুল
হক
ও
কনস্টেবল
মুকুল
চোকদার।
গতকাল
শনিবার
(১০
জানুয়ারি)
তাদের
ট্রাইব্যুনালে
হাজির
করা
হয়।
২০২৪
সালের
৪
ও
৫
আগস্ট
ছয়জনকে
হত্যার
অভিযোগে
গত
বছর
১৯
জুন
আন্তর্জাতিক
অপরাধ
ট্রাইব্যুনালের
তদন্ত
সংস্থা
চিফ
প্রসিকিউটরের
কার্যালয়ে
এ
মামলার
তদন্ত
প্রতিবেদন
দাখিল
করে।
তদন্ত
প্রতিবেদনে
বলা
হয়,
২০২৪
সালের
৫
আগস্ট
বিকেল
তিনটার
দিকে
আশুলিয়া
থানার
সামনে
পাঁচজনকে
গুলি
করে
হত্যা
করা
হয়।
গুলিতে
গুরুতর
আহত
হন
আরও
একজন।
মরণাপন্ন
আহত
ব্যক্তি
ও
পাঁচজনের
মৃতদেহ
প্রথমে
একটি
প্যাডেল
ভ্যানে
তোলা
হয়।
পরে
সেখান
থেকে
পুলিশি
একটি
গাড়িতে
তোলা
হয়।
একপর্যায়ে
ওই
গাড়িতে
পুলিশ
আগুন
ধরিয়ে
দেয়।
এ
ঘটনায়
শহীদ
হন
সাজ্জাদ
হোসেন
(সজল),
আস
সাবুর,
তানজীল
মাহমুদ
সুজয়,
বায়েজিদ
বুসতামি,
আবুল
হোসেন
এবং
একজন
অজ্ঞাত
ব্যক্তি।
গত
বছর
২১
আগস্ট
মামলার
আনুষ্ঠানিক
অভিযোগ
গঠন
করে
বিচার
শুরুর
আদেশ
দেন
ট্রাইব্যুনাল।
একই
বছরের
১৪
সেপ্টেম্বর
প্রসিকিউশন
সূচনা
বক্তব্য
উপস্থাপন
করে।
এরপর
মামলায়
সাক্ষ্যগ্রহণ
শুরু
হয়।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ