ইফতারে ৫ মৌসুমি ফল: সারাদিনের ক্লান্তি শেষে মিলবে প্রশান্তি
রোজায় সাহরী হতে
ইফতার পর্যন্ত দীর্ঘ
সময় না খেয়ে থাকার পর ইফতারে ভাজাপোড়া জাতীয় জিনিস
না খেয়ে মৌসুমি ফল
খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী।পুষ্টিবিদরা বলেন, মৌসুমি ফল রাখুন প্রথম সারিতে। কারণ মৌসুমি ফল শুধু টাটকাই নয়, এগুলো সহজপাচ্য, পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং শরীর দ্রুত গ্রহণ করতে পারে।
ইফতারের টেবিলে
এক বাটি মৌসুমি ফল রাখতে পারলেই মিলবে স্বস্তি, পুষ্টি ও সতেজতা—তিনটিই একসঙ্গে।দেশের
বাজারে উঠতে
শুরু করেছে
গ্রীষ্মের আগাম
ফল। এ
সময়ের সহজলভ্য
কিছু ফল
ইফতারের জন্য
বিশেষভাবে উপযোগী।কলাহাতের নাগালে থাকা শক্তির ভাণ্ডার
হলো কলা। এতে থাকা উচ্চমাত্রার
পটাশিয়াম শরীরের
ইলেকট্রোলাইট
ভারসাম্য বজায়
রাখতে সহায়তা
করে এবং
পেশির দুর্বলতা
কমায়। একটি
মাঝারি কলা ইফতারে প্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেট ও শক্তির জোগান দেয়।তরমুজপ্রায়
৯০ শতাংশ
পানি থাকায় তরমুজ
সারা দিনের
পানিশূন্যতা
অভাব দূর করে।
এতে থাকা
লাইকোপিন ও
ভিটামিন সি
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
হিসেবে কাজ
করে। ইফতারে
১-২
টুকরো তরমুজ
শরীরকে দ্রুত
রিহাইড্রেট
করে এবং
সতেজ অনুভূতি
দেয়।ডাবের পানি ও মাল্টাডাবের
পানিতে থাকে প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইটের উৎস, যা শরীরের পানির ঘাটতি পূরণ
করে। মাল্টা
বা কমলালেবু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।পেঁপেহজমে
সহায়ক এনজাইমসমৃদ্ধ
পেঁপে দীর্ঘ
সময় না
খাওয়ার পর
পেটের জন্য
আরামদায়ক। এটি
হালকা, সহজপাচ্য
এবং কোষ্ঠকাঠিন্য
কমাতেও সহায়ক।আনারসআনারসে থাকে ভিটামিন
সি ও
ব্রোমেলিন এনজাইম,
যা হজমে
সাহায্য করে।
তবে যাদের
অ্যাসিডিটির
সমস্যা আছে,
তারা সঠিক
পরিমাণে খাওয়াই ভালো।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ