সাংবাদিক পর্যবেক্ষক কার্ড দায়িত্ব ও বিশ্বাসের প্রতীক
সাংবাদিকতা
একটি
দায়িত্বশীল
ও
নৈতিক
পেশা।
সত্য
অনুসন্ধান,
জনস্বার্থ
রক্ষা
এবং
ক্ষমতার
জবাবদিহি
নিশ্চিত
করাই
এর
মূল
লক্ষ্য।
অথচ
সাম্প্রতিক
সময়ে
ভুয়া
ও
নামসর্বস্ব
অনলাইন
পোর্টালের
কথিত
সাংবাদিকদের
দৌরাত্ম্যে
এই
মহান
পেশার
মর্যাদা
প্রশ্নের
মুখে
পড়ছে।আরও
উদ্বেগজনক
বিষয়
হলো-১২ ফেব্রুয়ারির
নির্বাচনে
পর্যাবেক্ষক
কার্ড
পাওয়ার
জন্য
তারা
মরিয়া
হয়ে
উঠেছেন।
যাচাই-বাছাই
ছাড়াই
এসব
কথিত
সাংবাদিকদের
সাংবাদিক
পর্যবেক্ষক
কার্ড
বা
পরিচয়পত্র
প্রদান
করা
হবে
প্রকৃত
সাংবাদিকতার
জন্য
মারাত্মক
হুমকি।অনলাইন
সাংবাদিকতার
বিস্তারের
সঙ্গে
সঙ্গে
অনেক
ভুয়া
পোর্টাল
গড়ে
উঠেছে,
যাদের
নেই
নিবন্ধন,
নেই
সম্পাদকীয়
নীতি,
নেই
পেশাদার
কাঠামো।
এসব
প্ল্যাটফর্মে
যুক্ত
তথাকথিত
সাংবাদিকদের
একটি
অংশ
ব্যক্তিস্বার্থে
সাংবাদিক
পরিচয়
ব্যবহার
করে
ব্ল্যাকমেইল,
চাঁদাবাজি
ও
বিভ্রান্তিকর
তথ্য
ছড়ানোর
অভিযোগে
অভিযুক্ত।
এতে
একদিকে
সাধারণ
মানুষ
বিভ্রান্ত
হচ্ছে,
অন্যদিকে
প্রকৃত
সাংবাদিকদের
প্রতি
সমাজের
আস্থা
ক্ষুণ্ন
হচ্ছে।সাংবাদিক
পর্যবেক্ষক
কার্ড
কোনো
সাধারণ
কাগজ
নয়।
এটি
একটি
দায়িত্ব
ও
বিশ্বাসের
প্রতীক।
যাচাই
ছাড়া
এই
কার্ড
প্রদান
মানে
ভুয়া
পরিচয়ের
বৈধতা
দেওয়া
এবং
অপসাংবাদিকতাকে
উৎসাহিত
করা।
এর
ফলে
প্রশাসন,
রাজনৈতিক
অঙ্গন
ও
সাধারণ
মানুষের
কাছে
সাংবাদিক
সমাজের
সম্মান
ক্ষতিগ্রস্ত
হচ্ছে।এই
পরিস্থিতিতে
সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষ,
সাংবাদিক
সংগঠন
ও
প্রতিষ্ঠানগুলোর
প্রতি
আহ্বান-ভুয়া অনলাইন
পোর্টাল
ও
কথিত
সাংবাদিকরা
যেন
কোনো
ধরনের
কার্ড
বা
স্বীকৃতি
না
পান
সে
ব্যাপারে
সোচ্চার
হওয়া
এবং
পেশার
স্বচ্ছতা
রক্ষায়
ঐক্যবদ্ধ
ভূমিকা
রাখা।
সাংবাদিকতার
নামে
অপকর্ম
চলতে
থাকলে
শেষ
পর্যন্ত
ক্ষতিগ্রস্ত
হবে
পুরো
গণমাধ্যম
অঙ্গন।সত্যিকারের
সাংবাদিকতা
টিকে
থাকবে
দায়িত্ব,
সততা
ও
নৈতিকতার
ওপর
দাঁড়িয়ে।
ভুয়া
পরিচয়কে
প্রশ্রয়
দিলে
সেই
ভিত্তিই
দুর্বল
হয়ে
পড়বে।
এখনই
সময়-ভুয়া অনলাইন
পোর্টাল
ও
কথিত
সাংবাদিকদের
লাগাম
টেনে
ধরার
এবং
সাংবাদিকতার
মর্যাদা
রক্ষায়
কঠোর
অবস্থান
নেওয়ার। লেখক
: গণমাধ্যম
কর্মী
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ