ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

টানা ছয় হারের পর জয় পেল নোয়াখালী

প্রতি ম্যাচে বদলাচ্ছে টিম কম্বিনেশন, দুই ম্যাচ যেতে না যেতেই বদলে গেছে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের অধিনায়কও। যদিও এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতেই রয়েছে নোয়াখালী। ছয় ম্যাচে চার জয় নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রংপুর।টুর্নামেন্ট শুরুর ঠিক আগের দিন টিম ম্যানেজমেন্টের সাথে ঝামেলায় অনুশীলন ফেলে মাঝপথে চলে যান দুই কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন ও তালহা জুবায়ের। এর সাথে বিসিবির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের আতশ কাঁচের নিচে ছিলেন দলের ট্রেনার ও চার জন ক্রিকেটার। মাঠ ও মাঠের বাইরের এসব ইস্যুতে টালমাটাল নোয়াখালী এক্সপ্রেস টানা ছয় ম্যাচে হারের পর অবশেষে পেল জয়ের দেখা। শুক্রবার সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে এবারের বিপিএলে নিজেদের সপ্তম ম্যাচে রংপুর রাইডার্সকে হারিয়েছে ৯ রানে।টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে সৌম্য সরকার-হাবিবুর রহমান সোহানের ৪৩ রানের ঝড়ো জুটির পর জাকের আলীর ৩৮ রানের ইনিংসে বড় সংগ্রহের দিকে এগোতে থাকে নোয়াখালী। তবে মোস্তাফিজুর রহমানের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সাথে মৃত্যঞ্জয় চৌধুরীর হ্যাটট্রিকে ১৪৮ রানের বেশি করতে পারেনি তারা। যদিও হাসান মাহমুদের দারুণ বোলিংয়ে শেষ পর্যন্ত রংপুর থেমেছে ১৩৯ রানে।রান তাড়ায় নেমে ২৩ রানের মধ্যেই ফেরেন রংপুরের দুই ওপেনার লিটন দাস ও ডাভিড মালান। এরপর ইফতিখার আহমেদ-তাওহিদ হৃদয়ের ৬৩ রানের জুটিতে সেই চাপ সামলে উঠলেও শেষ রক্ষা হয়নি। হাসান মাহমুদ, বিলাল সামি ও জাহির খানদের দারুণ বোলিংয়ে থুবড়ে পড়ে রংপুরের মিডল অর্ডার। ৩৭ রান করা ইফতিখার ফিরেছেন ৩৭ রানে। তার সাথে জাহিরের দ্বিতীয় শিকার ২৯ রান করা হৃদয়।মাহমুদউল্লাহ বোল্ড হয়েছেন সামিররের বলে, করেছেন ৯ রান। ১৬ বলে ২৪ রান করে শেষ ভরসা হয়ে ছিলেন খুশদিল শাহ। এই বাঁহাতি ব্যাটারকে সৌম্যর হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেছেন পেসার হাসান। শেষ বলে মোস্তাফিজুর রহমানকে বোল্ড করে নেন নিজের চতুর্থ উইকেট। ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা এই ডানহাতি পেসার।এর আগে ব্যাট করতে নেমে ২৭ বলে ৩১ রান করেন সৌম্য। তিনে নেমে সোহান ১৬ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় খেলেছেন ৩০ রানের ইনিংস। রান খরায় ভোগা জাকের আলী আজ দিয়েছেন ছন্দে ফেরার ইংগিত। ৩ চার ও ১ ছক্কায় তার ব্যাট থেকে এসেছে ৩৭ বলে ৩৯ রানের ইনিংস। তিনটি করে উইকেট নেন মোস্তাফিজ ও মৃত্যুঞ্জয়। দুই উইকেট নেন খুশদিল।  এমএইছ / ধ্রুবকন্ঠ

টানা ছয় হারের পর জয় পেল নোয়াখালী