যে কারনে খেজুর রস খেতে সাবধান
দেশের অর্ধেকের বেশি
জেলায় প্রাণঘাতী নিপাহ
ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রতি বছর নতুন
নতুন জেলায় ভাইরাসটির উপস্থিতি শনাক্ত
হচ্ছে। রোগতত্ত্ব, রোগ
নিয়ন্ত্রণ ও
গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানায়, গত ২৫
বছরে দেশের অন্তত
৩৫টি জেলায় নিপাহ
ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে। এর
মধ্যে ফরিদপুর, রাজবাড়ী, নওগাঁ ও লালমনিরহাট জেলায় রোগীর সংখ্যা
তুলনামূলক বেশি
পাওয়া গেছে।এ ভাইরাসে আক্রান্তদের মৃত্যুহার তুলনামূলক অনেক বেশি দেখা
যাচ্ছে। গত
দু’বছরে আক্রান্ত শতভাগ রোগীর মৃত্যু
হয়েছে। পাশাপাশি নতুন
উদ্বেগের কারণ
হয়েছে অ-মৌসুমে
সংক্রমণ। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের গভীর
চিন্তায় ফেলেছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন,
নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ ক্ষমতা ও মৃত্যুহার কোভিডের তুলনায়
অনেক বেশি। এই
পরিস্থিতিতে খেজুরের রসের অনিয়ন্ত্রিত বিক্রি
বন্ধ করা না
গেলে বড় ধরনের
মহামারি ঝুঁকি
তৈরি হতে পারে
বলে সতর্ক করছেন
তারা।রোগতত্ত্ব,
রোগ
নিয়ন্ত্রণ
ও
গবেষণা
ইনস্টিটিউটের
(আইইডিসিআর)
তথ্যমতে,
২০০১
সাল
থেকে
এখন
পর্যন্ত
দেশে
নিপাহ
ভাইরাসে
আক্রান্ত
হয়েছেন
৩৪৭
জন।
তাদের
মধ্যে
২৪৯
জন
মারা
গেছেন।
শুধু
২০২৪
সালে
নিপাহ
ভাইরাসে
পাঁচজনের
মৃত্যু
হয়।
আর
২০২৫
সালে
এ
ভাইরাসে
আক্রান্ত
হয়ে
মারা
যান
আরও
চারজন।
অর্থাৎ
সর্বশেষ
দুই
বছরে
আক্রান্ত
হওয়া
নয়জনের
প্রত্যেকেরই
মৃত্যু
হয়েছে।
বিশ্বজুড়ে
নিপাহ
ভাইরাসে
আক্রান্তের
মৃত্যুহার
গড়ে
৭২
শতাংশ
হলেও
বাংলাদেশে
সাম্প্রতিক
চিত্র
ভয়াবহ
বলে
মনে
করছেন
বিশেষজ্ঞরা।
আইইডিসিআরের
বৈজ্ঞানিক
কর্মকর্তা
শারমিন
সুলতানা
বলেন,
‘সাধারণভাবে
ডিসেম্বর
থেকে
এপ্রিল
পর্যন্ত
সময়কে
নিপাহ
ভাইরাসের
মৌসুম
হিসেবে
ধরা
হয়।
তবে
২০২৫
সালের
আগস্ট
মাসেও
নিপাহ
রোগী
শনাক্ত
হওয়ায়
নতুন
করে
উদ্বেগ
তৈরি
হয়েছে।
এতে
ধারণা
করা
হচ্ছে,
কেবল
খেজুরের
কাঁচা
রস
নয়,
সংক্রমণের
অন্য
উৎসও
থাকতে
পারে।’
তিনি
আরও বলেন,
‘গত
বছর
প্রথমবারের
মতো
ভোলা
জেলায়
নিপাহ
রোগী
শনাক্ত
হয়েছে,
যেখানে
আগে
কখনো
এই
ভাইরাসের
অস্তিত্ব
পাওয়া
যায়নি।’
তিনি
বলেন,
‘এতদিন
নিপাহ
সংক্রমণের
প্রধান
কারণ
হিসেবে
কাঁচা
খেজুরের
রসকে
দায়ী
করা
হলেও
এবার
বাদুড়ের
অর্ধ-খাওয়া ফল থেকেও সরাসরি
সংক্রমণের
প্রমাণ
মিলেছে।
গত
বছর
নিপাহ
ভাইরাসে
মারা
যাওয়া
চারজনের
মধ্যে
নওগাঁর
আট
বছরের
এক
শিশুর
ঘটনা
ছিল
দেশের
প্রথম
অমৌসুমি
নিপাহ
সংক্রমণ,
যা
শীতকাল
ছাড়াই
আগস্ট
মাসে
শনাক্ত
হয়।
ওই
শিশুর
সংক্রমণের
উৎস
হিসেবে
বাদুড়ের
আধ-খাওয়া ফল যেমন- কালোজাম,
খেজুর
ও
আম
খাওয়ার
তথ্য
পাওয়া
গেছে।’
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ