ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

অতিরিক্ত লবণ যাদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে

রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রার ছেয়ে বেশি খাওয়া হলে হতে পারে বিপদের কারণ। এ সময়ে শরীরে খারাপ কিছু ঘটলে তার কারণ হতে পারে লবণ। চিকিৎসকরা ব্লাডপ্রেশার স্বাভাবিক রাখার পরামর্শ দেন।পুষ্টিবিদরা বলেন, “খাবারে লবণের মাত্রা কমিয়ে আনতে। কারণ, লবণে সোডিয়ামের মাত্রা অনেকটাই বেশি। তবে রান্নায় লবণ কিন্তু শুধু স্বাদ বৃদ্ধির জন্য দেওয়া হয় না। শারীরবৃত্তীয় নানা কাজের জন্য লবণ, অর্থাৎ সোডিয়ামের প্রয়োজন। স্নায়ুর সংকেত আদান-প্রদান, পেশির কাজকর্ম, শরীরে ফ্লুইডের ভারসাম্য বজায় রাখা, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, সব কিছুতেই লবণের ভূমিকা অপরিহার্য। এখন প্রশ্ন হলো, লবণ যদি এতটাই প্রয়োজনীয় একটি উপাদান হয়, তাহলে তার ঘাড়ে এত দোষ দেওয়া হয় কেন?”এ প্রসঙ্গে চিকিৎসক ও হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট বিশেষজ্ঞ দিমিত্রি ইয়ারানোভ বলছেন, “লবণ সবার জন্য ক্ষতিকর নয়। তবে নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক সমস্যা থাকলে বেশি লবণ খাওয়া যায় না। কিন্তু কে কতটুকু খাবেন, তা চিকিৎসক কিংবা পুষ্টিবিদরা নির্ধারণ করে দেবেন। নিজে থেকে খাবারে লবণের পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।“এই চিকিৎসক বলছেন, “লবণ সবার জন্য ভিলেন নয়। মানবজাতি ধ্বংসের জন্য এই উপাদানকে কখনোই দায়ী করা যায় না। শারীরবৃত্তীয় নানা কাজের জন্য সোডিয়াম প্রয়োজন। কিন্তু যারা আগে থেকেই কার্ডিয়োভাসকুলার রোগে আক্রান্ত তাদের ক্ষেত্রে লবণ সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।“লবণের মাত্রা সম্বন্ধে কারা সচেতন হবেন১. যাদের হার্টের কোনো রকম সমস্যা রয়েছে, তারা লবণের ব্যবহার নিয়ে সতর্ক থাকবেন। কারণ, অতিরিক্ত লবণ খেলে রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। তাতে ওয়াটার রিটেনশন হওয়ার আশঙ্কা থাকে।২. যাদের রক্তচাপ অনিয়ন্ত্রিত, তারা বেশি লবণ খাবেন না। বিশেষ করে যাদের রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত ওষুধ খেতে হয়, তারা মেপে লবণ খাবেন। ৩. যারা ক্রনিক কিডনির রোগের ভুগছেন, তারাও লবণ খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। বেশি লবণ খেলে শরীরে ফ্লুইডের পরিমাণ বাড়বে। তাতে কিডনি বিকল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ৪. দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগলে লিভারের ওপর তার প্রভাব পড়ে। লিভারে পানি জমে। সিরোসিস অব লিভারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।সূত্র : এই সময়  এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

অতিরিক্ত লবণ যাদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে