ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বাংলাদেশে ২৬ বছর কারাভোগ—মুক্তি পেলেন পাকিস্তানের নাগরিক



বাংলাদেশে ২৬ বছর কারাভোগ—মুক্তি পেলেন পাকিস্তানের নাগরিক
ছবি: সংগৃহীত

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে রইস খান নামে এক পাকিস্তানি নাগরিক মুক্তি পেয়েছেন। ১৯৯৯ সাল থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ থেকে তিনি মুক্তি পান। পরে দুপুর দেড়টার সময় লাল রঙের গাড়িতে করে মূল ফটক দিয়ে বের হয়ে যান তিনি।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। রইস খান পাকিস্তানের করাচি জেলার গুলজার হিজরি থানার দিন মোহাম্মদের ছেলে। তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রমনা থানার করা মামলায় কারাভোগ করছিলেন।

কারাগার সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে কারাগারে ছিলেন রইস খান। পরে ২০০৫ সালের ৭ জুলাই তার সাজা হয়। চলতি বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর তার সাজার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়। দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দি হিসেবে তিনি কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ আটক ছিলেন।

সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন জানান, দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দি হিসেবে তিনি কারাগার-২-এ আটক ছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার সময় বিশেষ শাখার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে দূতাবাসের প্রতিনিধিদের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়।

 

এমএইছ /  ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : বাংলাদেশে পাকিস্তানের ২৬ বছর নাগরিক

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬


বাংলাদেশে ২৬ বছর কারাভোগ—মুক্তি পেলেন পাকিস্তানের নাগরিক

প্রকাশের তারিখ : ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে রইস খান নামে এক পাকিস্তানি নাগরিক মুক্তি পেয়েছেন। ১৯৯৯ সাল থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ থেকে তিনি মুক্তি পান। পরে দুপুর দেড়টার সময় লাল রঙের গাড়িতে করে মূল ফটক দিয়ে বের হয়ে যান তিনি।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। রইস খান পাকিস্তানের করাচি জেলার গুলজার হিজরি থানার দিন মোহাম্মদের ছেলে। তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রমনা থানার করা মামলায় কারাভোগ করছিলেন।

কারাগার সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে কারাগারে ছিলেন রইস খান। পরে ২০০৫ সালের ৭ জুলাই তার সাজা হয়। চলতি বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর তার সাজার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়। দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দি হিসেবে তিনি কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ আটক ছিলেন।

সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন জানান, দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দি হিসেবে তিনি কারাগার-২-এ আটক ছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার সময় বিশেষ শাখার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে দূতাবাসের প্রতিনিধিদের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়।

 

এমএইছ /  ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত