গ্রেপ্তারকৃত
আসামিরা হলেন- মতিহার থানার বাজে কাজলা এলাকার মুহিন (১৮) এবং একই থানার ধরমপুর (দক্ষিণপাড়া)
এলাকার এজাজুল হকের ছেলে আলী হাসান মোঃ মুজাহিদ (২২)। তারা উভয়েই রাজশাহী মহানগরীর
বাসিন্দা।
গত
৯ মে ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৯টার দিকে হৃদয়সহ ৩-৪ জন ব্যক্তি ভুক্তভোগী তুষারের
বাড়িতে গিয়ে তার খোঁজ করলে তুষারের বাবা জানান, তিনি বাড়িতে নেই। তিনি তুষারকে খোঁজার
কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্তরা জানায়, তাকে পেলেই কারণ জানা যাবে এবং এ বিষয়ে কোনো
ধরনের সুপারিশ না করার জন্য হুমকি প্রদান করে।
পরদিন
১০ মে ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে তুষার অভিযুক্ত হৃদয়ের বাড়িতে গিয়ে তাকে
খোঁজার কারণ জানতে চাইলে সেখানে উপস্থিত কয়েকজন তার ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে
তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে এলোপাতাড়িভাবে মারধর এবং নির্যাতন করা হয়।
পরে
স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিবারের সদস্যরা তুষারকে উদ্ধার করে। তার শারীরিক অবস্থার
অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে
প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
এ
ঘটনায় ভুক্তভোগীর পিতা মোঃ নাজির আলী বাদী হয়ে মতিহার থানায় ১। শামীম (৫৫), ২। হৃদয়
(২২), ৩। আশিক (২২), ৪। মুহিন (১৮) এবং ৫। আলী হাসান মোঃ মুজাহিদ (২২)-এর নাম উল্লেখসহ
অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জনকে আসামি করে লিখিত এজাহার দায়ের করেন।
এজাহার
আমলে নিয়ে মতিহার থানা পুলিশ মামলা রুজু করে অভিযান পরিচালনা করে মামলার ৪ ও ৫ নম্বর
আসামিকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদেরকে আগামীকাল বিজ্ঞ আদালতে উপস্থাপন করা
হবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
গ্রেপ্তারকৃত
আসামিরা হলেন- মতিহার থানার বাজে কাজলা এলাকার মুহিন (১৮) এবং একই থানার ধরমপুর (দক্ষিণপাড়া)
এলাকার এজাজুল হকের ছেলে আলী হাসান মোঃ মুজাহিদ (২২)। তারা উভয়েই রাজশাহী মহানগরীর
বাসিন্দা।
গত
৯ মে ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৯টার দিকে হৃদয়সহ ৩-৪ জন ব্যক্তি ভুক্তভোগী তুষারের
বাড়িতে গিয়ে তার খোঁজ করলে তুষারের বাবা জানান, তিনি বাড়িতে নেই। তিনি তুষারকে খোঁজার
কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্তরা জানায়, তাকে পেলেই কারণ জানা যাবে এবং এ বিষয়ে কোনো
ধরনের সুপারিশ না করার জন্য হুমকি প্রদান করে।
পরদিন
১০ মে ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে তুষার অভিযুক্ত হৃদয়ের বাড়িতে গিয়ে তাকে
খোঁজার কারণ জানতে চাইলে সেখানে উপস্থিত কয়েকজন তার ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে
তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে এলোপাতাড়িভাবে মারধর এবং নির্যাতন করা হয়।
পরে
স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিবারের সদস্যরা তুষারকে উদ্ধার করে। তার শারীরিক অবস্থার
অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে
প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
এ
ঘটনায় ভুক্তভোগীর পিতা মোঃ নাজির আলী বাদী হয়ে মতিহার থানায় ১। শামীম (৫৫), ২। হৃদয়
(২২), ৩। আশিক (২২), ৪। মুহিন (১৮) এবং ৫। আলী হাসান মোঃ মুজাহিদ (২২)-এর নাম উল্লেখসহ
অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জনকে আসামি করে লিখিত এজাহার দায়ের করেন।
এজাহার
আমলে নিয়ে মতিহার থানা পুলিশ মামলা রুজু করে অভিযান পরিচালনা করে মামলার ৪ ও ৫ নম্বর
আসামিকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদেরকে আগামীকাল বিজ্ঞ আদালতে উপস্থাপন করা
হবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন