এতে
আরও
বলা
হয়,
এই
বিপুল
পরিমাণ
অবৈধ
অস্ত্র
সন্ত্রাসীদের
হাতে
থাকায়
আসন্ন
সংসদ
নির্বাচনে
ভোটার
ও
প্রার্থীদের
জীবন
চরম
হুমকির
মুখে
পড়েছে।
এরইমধ্যে
ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী
শরিফ
উসমান
হাদির
সন্ত্রাসীদের
গুলিতে
নিহত
হওয়ার
ঘটনা
প্রমাণ
করে
যে,
অবৈধ
অস্ত্র
উদ্ধার
না
হলে
এই
নির্বাচন
রক্তক্ষয়ী
হবে।
এছাড়া
নির্বাচন
কমিশনার
অবসরপ্রাপ্ত
ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল
আবুল
ফজল
মো.
সানাউল্লাহ
বক্তব্য
দিয়েছেন
যে,
নির্বাচনের
আগে
অবৈধ
অস্ত্র
উদ্ধার
করা
অত্যন্ত
জরুরি।
আইনজীবী
মাহমুদুল
হাসান
রিট
আবেদনে
আরও
উল্লেখ
করেছেন,
সরকার
কিছু
সংসদ
সদস্য
পদপ্রার্থীর
জন্য
গানম্যানের
ব্যবস্থা
করলেও
দেশের
আপামর
ভোটারদের
নিরাপত্তার
জন্য
কোনো
কার্যকর
ব্যবস্থা
গ্রহণ
করেনি।
এই
অবস্থায়
লুণ্ঠিত
অস্ত্র
উদ্ধার
না
করে
নির্বাচনের
আয়োজন
করা
হলে
তা
বাংলাদেশ
সংবিধানের
৩২
অনুচ্ছেদ
অনুযায়ী
ভোটার
ও
প্রার্থীদের
মৌলিক
অধিকার
অর্থাৎ
‘জীবনের
অধিকার’
এর
চরম
লঙ্ঘন
হবে।
আপনার মতামত লিখুন