বিশ্ববাজারে একযোগে বড় ধরনের দরপতন ঘটেছে স্বর্ণ, রুপা, তামা,
অপরিশোধিত তেল ও তামাসহ বেশ
কিছু গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের। মূলত বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের আভাস এবং মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থানের কারণেই বিনিয়োগের চিত্র বদলে গেছে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ নেতাদের সাম্প্রতিক ফোনালাপ এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য বৈঠকের খবরে বিশ্বজুড়ে চলা দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কিছুটা শিথিল হয়েছে। যুদ্ধের ঝুঁকি কমতে থাকায় বিনিয়োগকারীরা এখন নিরাপদ বিনিয়োগ (যেমন স্বর্ণ) থেকে সরে গিয়ে অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদে নজর দিচ্ছেন। এর ফলে পণ্যবাজারে এই নিম্নমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলারের মান বৃদ্ধি পাওয়ায় অন্যান্য পণ্যের দামও চাপে পড়েছে।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে আজ বৃহস্পতিবার (৫
ফেব্রুয়ারি) এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক পণ্যবাজারে সাম্প্রতিক দরপতনের ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রুপা। মাত্র এক কার্যদিবসের ব্যবধানে এই মূল্যবান ধাতুটির দাম প্রায় ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বড় ধরনের বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। রুপার পাশাপাশি স্বর্ণ, অপরিশোধিত জ্বালানি তেল এবং তামার দামেও উল্লেখযোগ্য মন্দা দেখা গেছে। গড়ে এসব পণ্যের দাম প্রায় ২ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে।
বাজার
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন ডলারের অভাবনীয় উত্থানই এই পতনের মূল কারণ। মূলত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অধিকাংশ পণ্যের দাম ডলারে নির্ধারিত হয়। ফলে যখনই ডলার শক্তিশালী হয়, তখন অন্যান্য মুদ্রাধারী দেশগুলোর জন্য এসব পণ্য কেনা তুলনামূলক ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে চাহিদাজুড়ে, যার ফলে বাজারে বিক্রির চাপ বেড়ে যায় এবং দাম দ্রুত কমতে শুরু করে।
বর্তমানে
চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেকার কূটনৈতিক সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনের ইঙ্গিত পাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা এখন ‘সেফ হ্যাভেন’ বা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত স্বর্ণ ও রুপা থেকে অর্থ তুলে নিচ্ছেন। নিরাপদ আশ্রয়ের বদলে তারা এখন ডলার বা শেয়ার বাজারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ কিন্তু লাভজনক খাতে ঝুঁকছেন। রয়টার্স জানায়, ডলারের এই শক্তিশালী অবস্থান দীর্ঘস্থায়ী হলে পণ্যবাজারে এই অস্থিরতা আরও কয়েকদিন বজায় থাকতে পারে।
আইজি ব্রোকারেজের বিশ্লেষক টনি সাইকামোর বলেন, চলতি সপ্তাহে মূল্যবান ধাতু ও অন্যান্য
পণ্যের দামে অস্বাভাবিক অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। সাম্প্রতিক দরপতন সেই অস্থিরতারই পরবর্তী প্রতিক্রিয়া।
তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের
মধ্যে পুনরায় আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় তেলের বাজারে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান ভূরাজনৈতিক ঝুঁকিজনিত অতিরিক্ত মূল্যচাপ কমে আসছে। একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের
ফোনালাপের পর যুক্তরাষ্ট্র–চীন বাণিজ্য উত্তেজনা হ্রাস পাওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা উচ্চ দামে স্বর্ণ বিক্রি করে মুনাফা তুলতে আগ্রহী হচ্ছেন।
এদিকে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ব্যাংক
অব ইংল্যান্ডের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের আগে এশীয় বাজারে ডলার শুরুতে স্থিতিশীল থাকলেও পরে ডলার সূচক দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। শক্তিশালী ডলারের কারণে পণ্যমূল্যের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়।
সপ্তাহের
শুরুতেই পণ্যের দামে চাপ দেখা দেয় যখন ট্রাম্প সম্ভাব্য ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যান হিসেবে কেভিন ওয়ার্শের নাম আলোচনায় আনেন। এতে কঠোর মুদ্রানীতির আশঙ্কা তৈরি হয় এবং ডলার আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ফলে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণ ও রুপার আকর্ষণ কমে যায়।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান শুক্রবার ওমানে বৈঠকে বসতে সম্মত হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা হ্রাস পেয়েছে। এর সরাসরি
প্রভাব পড়ে তেলের বাজারে কেননা দাম প্রায় ২ শতাংশ কমে গেছে।
তামার বাজারেও দুর্বলতা অব্যাহত রয়েছে। চাহিদা নিয়ে উদ্বেগ এবং লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে গুদামজাত মজুত বাড়ার খবরে বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। এর আগে চীন কৌশলগতভাবে তামার মজুত বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ায় ফলে দাম সাময়িকভাবে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছিল।
ওসিবিসি
ব্যাংকের কৌশলবিদ ক্রিস্টোফার ওং বলেন, বাজারে তারল্য কম থাকায় একটি খাতে বিক্রি শুরু হলে তা দ্রুত অন্য খাতেও ছড়িয়ে পড়ে। ফলে দরপতনের মাত্রা আরও তীব্র হয়। এর প্রভাব
মূল্যবান ধাতুর পাশাপাশি ক্রিপ্টোকারেন্সি ও আঞ্চলিক
শেয়ারবাজারেও পড়েছে।
বিশ্ববাজারে অধিকাংশ ধাতব ও জ্বালানি পণ্যের দাম নিম্নমুখী হলেও পুরোপুরি ব্যতিক্রম দেখা গেছে সয়াবিনের ক্ষেত্রে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ইতিবাচক মন্তব্য সয়াবিনের বাজারকে চাঙ্গা করে তুলেছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে পুনরায় বড় অঙ্কের সয়াবিন আমদানির বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে। এই খবরের প্রভাবে সয়াবিনের দাম বেড়ে গত দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
তবে সয়াবিনের এই ঊর্ধ্বগতির বিপরীতে লোহার আকরিকের বাজারে মন্দাভাব লক্ষ্য করা গেছে। অতিরিক্ত মজুতের কারণে চাহিদা কমে যাওয়ায় লৌহ আকরিকের দাম প্রায় ২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। ফলে বিশ্ব পণ্যবাজারে একদিকে যেমন স্বর্ণ ও তেলের দরপতন চলছে, অন্যদিকে কেবল নীতি-নির্ধারকদের আশ্বাসে সয়াবিনের বাজার হয়ে উঠেছে বিনিয়োগকারীদের নতুন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।
বিষয় : বিশ্ববাজার স্বর্ণ সয়াবিন পতন
.png)
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিশ্ববাজারে একযোগে বড় ধরনের দরপতন ঘটেছে স্বর্ণ, রুপা, তামা,
অপরিশোধিত তেল ও তামাসহ বেশ
কিছু গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের। মূলত বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের আভাস এবং মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থানের কারণেই বিনিয়োগের চিত্র বদলে গেছে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ নেতাদের সাম্প্রতিক ফোনালাপ এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য বৈঠকের খবরে বিশ্বজুড়ে চলা দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কিছুটা শিথিল হয়েছে। যুদ্ধের ঝুঁকি কমতে থাকায় বিনিয়োগকারীরা এখন নিরাপদ বিনিয়োগ (যেমন স্বর্ণ) থেকে সরে গিয়ে অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদে নজর দিচ্ছেন। এর ফলে পণ্যবাজারে এই নিম্নমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলারের মান বৃদ্ধি পাওয়ায় অন্যান্য পণ্যের দামও চাপে পড়েছে।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে আজ বৃহস্পতিবার (৫
ফেব্রুয়ারি) এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক পণ্যবাজারে সাম্প্রতিক দরপতনের ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রুপা। মাত্র এক কার্যদিবসের ব্যবধানে এই মূল্যবান ধাতুটির দাম প্রায় ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বড় ধরনের বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। রুপার পাশাপাশি স্বর্ণ, অপরিশোধিত জ্বালানি তেল এবং তামার দামেও উল্লেখযোগ্য মন্দা দেখা গেছে। গড়ে এসব পণ্যের দাম প্রায় ২ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে।
বাজার
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন ডলারের অভাবনীয় উত্থানই এই পতনের মূল কারণ। মূলত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অধিকাংশ পণ্যের দাম ডলারে নির্ধারিত হয়। ফলে যখনই ডলার শক্তিশালী হয়, তখন অন্যান্য মুদ্রাধারী দেশগুলোর জন্য এসব পণ্য কেনা তুলনামূলক ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে চাহিদাজুড়ে, যার ফলে বাজারে বিক্রির চাপ বেড়ে যায় এবং দাম দ্রুত কমতে শুরু করে।
বর্তমানে
চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেকার কূটনৈতিক সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনের ইঙ্গিত পাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা এখন ‘সেফ হ্যাভেন’ বা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত স্বর্ণ ও রুপা থেকে অর্থ তুলে নিচ্ছেন। নিরাপদ আশ্রয়ের বদলে তারা এখন ডলার বা শেয়ার বাজারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ কিন্তু লাভজনক খাতে ঝুঁকছেন। রয়টার্স জানায়, ডলারের এই শক্তিশালী অবস্থান দীর্ঘস্থায়ী হলে পণ্যবাজারে এই অস্থিরতা আরও কয়েকদিন বজায় থাকতে পারে।
আইজি ব্রোকারেজের বিশ্লেষক টনি সাইকামোর বলেন, চলতি সপ্তাহে মূল্যবান ধাতু ও অন্যান্য
পণ্যের দামে অস্বাভাবিক অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। সাম্প্রতিক দরপতন সেই অস্থিরতারই পরবর্তী প্রতিক্রিয়া।
তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের
মধ্যে পুনরায় আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় তেলের বাজারে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান ভূরাজনৈতিক ঝুঁকিজনিত অতিরিক্ত মূল্যচাপ কমে আসছে। একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের
ফোনালাপের পর যুক্তরাষ্ট্র–চীন বাণিজ্য উত্তেজনা হ্রাস পাওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা উচ্চ দামে স্বর্ণ বিক্রি করে মুনাফা তুলতে আগ্রহী হচ্ছেন।
এদিকে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ব্যাংক
অব ইংল্যান্ডের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের আগে এশীয় বাজারে ডলার শুরুতে স্থিতিশীল থাকলেও পরে ডলার সূচক দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। শক্তিশালী ডলারের কারণে পণ্যমূল্যের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়।
সপ্তাহের
শুরুতেই পণ্যের দামে চাপ দেখা দেয় যখন ট্রাম্প সম্ভাব্য ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যান হিসেবে কেভিন ওয়ার্শের নাম আলোচনায় আনেন। এতে কঠোর মুদ্রানীতির আশঙ্কা তৈরি হয় এবং ডলার আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ফলে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণ ও রুপার আকর্ষণ কমে যায়।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান শুক্রবার ওমানে বৈঠকে বসতে সম্মত হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা হ্রাস পেয়েছে। এর সরাসরি
প্রভাব পড়ে তেলের বাজারে কেননা দাম প্রায় ২ শতাংশ কমে গেছে।
তামার বাজারেও দুর্বলতা অব্যাহত রয়েছে। চাহিদা নিয়ে উদ্বেগ এবং লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে গুদামজাত মজুত বাড়ার খবরে বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। এর আগে চীন কৌশলগতভাবে তামার মজুত বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ায় ফলে দাম সাময়িকভাবে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছিল।
ওসিবিসি
ব্যাংকের কৌশলবিদ ক্রিস্টোফার ওং বলেন, বাজারে তারল্য কম থাকায় একটি খাতে বিক্রি শুরু হলে তা দ্রুত অন্য খাতেও ছড়িয়ে পড়ে। ফলে দরপতনের মাত্রা আরও তীব্র হয়। এর প্রভাব
মূল্যবান ধাতুর পাশাপাশি ক্রিপ্টোকারেন্সি ও আঞ্চলিক
শেয়ারবাজারেও পড়েছে।
বিশ্ববাজারে অধিকাংশ ধাতব ও জ্বালানি পণ্যের দাম নিম্নমুখী হলেও পুরোপুরি ব্যতিক্রম দেখা গেছে সয়াবিনের ক্ষেত্রে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ইতিবাচক মন্তব্য সয়াবিনের বাজারকে চাঙ্গা করে তুলেছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে পুনরায় বড় অঙ্কের সয়াবিন আমদানির বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে। এই খবরের প্রভাবে সয়াবিনের দাম বেড়ে গত দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
তবে সয়াবিনের এই ঊর্ধ্বগতির বিপরীতে লোহার আকরিকের বাজারে মন্দাভাব লক্ষ্য করা গেছে। অতিরিক্ত মজুতের কারণে চাহিদা কমে যাওয়ায় লৌহ আকরিকের দাম প্রায় ২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। ফলে বিশ্ব পণ্যবাজারে একদিকে যেমন স্বর্ণ ও তেলের দরপতন চলছে, অন্যদিকে কেবল নীতি-নির্ধারকদের আশ্বাসে সয়াবিনের বাজার হয়ে উঠেছে বিনিয়োগকারীদের নতুন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।
.png)
আপনার মতামত লিখুন