শেষ ওভারে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল ৭ রান। রিপন মণ্ডলের প্রথম বলে উইকেট হারালেও, দ্বিতীয় বলে চার মেরে রংপুরকে নিশ্চিত জয়ের সমীকরণ এনে দেন অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। তবে শেষ দুই বলে জয়ের জন্য মাত্র ১ রানের প্রয়োজন হলেও রিপন মণ্ডলের দুর্দান্ত বোলিংয়ে সোহান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের বিদায়ে টানা দুই উইকেট হারায় রংপুর। আর তাতেই এবারের বিপিএলে প্রথম সুপার ওভারে গড়ায় ম্যাচ। সুপার ওভারেও রাজশাহীর হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন রিপন মন্ডল, মাত্র ৬ রান দিয়েছেন এই ডানহাতি পেসার। ৭ রানের লক্ষ্যে নেমে মাত্র ৩ বলেই ম্যাচ শেষ করে দেন রাজশাহীর ওপেনার তানজিদ তামিম।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে রংপুর রাইডার্স ভালো সূচনা পায়। প্রথম দুই ওভারে ১৯ রান তুললেও পাওয়ার প্লেতে লিটন দাসের উইকেট হারায় রংপুর। ৬ ওভার শেষ আর কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪০ রান তোলে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ব্যাট করা তাওহীদ হৃদয় ও ডাভিড ম্যালান।
মাঝ ওভারে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স বোলারদের সামলে রানের গতি এগিয়ে নিতে থাকেন এ দুজন। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ১৩তম ওভারেই দলীয় এক শ রান পার করেন হৃদয়-ম্যালান জুটি। ১৫তম ওভার শেষে একশ রানের জুটি পূরণ করেন তারা। শেষ ৩০ বলে ৩৮ রানের প্রয়োজন, হাতে ৯ উইকেট। এমন সহজ সমীকরণে রংপুর ধাক্কা খায় ১৬তম ওভারের প্রথম বলে। ৩৯ বলে ৫৩ রান করা হৃদয় এসএম মেহরবের স্পিনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। সেই ওভার থেকে ৩ রান এলেও পরের ওভারে ম্যালান এক চার ও এক ছক্কায় ১৩ রান এনে আবার রংপুরকে ম্যাচে ফেরায়। ১৮ বলে ২২ রানের সমীকরণে ফের মেহরব আঘাত হানেন। সেই ওভার থেকে মাত্র ২ রান দিয়ে নেন কাইল মায়ার্সের(৯ রান) উইকেট। শেষ দুই ওভারে ২০ রানের প্রয়োজন হলেও রংপুরের হয়ে এক প্রান্তে ম্যালান ছিলেন আগ্রাসী। বিনুরা ফার্নান্দোর ১৯তম ওভারে নেন ১৩ রান।
শেষ ওভারে ৭ রানের দরকার, সহজ জয় অপেক্ষা করলেও রিপন মন্ডলের দক্ষতায় ম্যাচ সুপার ওভারে যায়। সেখানে এক ওভার থেকে মাত্র ৬ রান তুলতে পারে রংপুর, যা তানজিদ তামিমের ব্যাটে ৩ বলেই দুই বাউন্ডারিতে রাজশাহীর নাটকীয় এক জয় নিশ্চিত করে।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহী শাহিবজাদা ফারহাননের ৬৫ রানের ইনিংস ও নাজমুল শান্তর ৪১ রানে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৯ রানের সংগ্রহ পায়।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : বিপিএল রংপুর রাইডার্স
.png)
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬
শেষ ওভারে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল ৭ রান। রিপন মণ্ডলের প্রথম বলে উইকেট হারালেও, দ্বিতীয় বলে চার মেরে রংপুরকে নিশ্চিত জয়ের সমীকরণ এনে দেন অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। তবে শেষ দুই বলে জয়ের জন্য মাত্র ১ রানের প্রয়োজন হলেও রিপন মণ্ডলের দুর্দান্ত বোলিংয়ে সোহান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের বিদায়ে টানা দুই উইকেট হারায় রংপুর। আর তাতেই এবারের বিপিএলে প্রথম সুপার ওভারে গড়ায় ম্যাচ। সুপার ওভারেও রাজশাহীর হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন রিপন মন্ডল, মাত্র ৬ রান দিয়েছেন এই ডানহাতি পেসার। ৭ রানের লক্ষ্যে নেমে মাত্র ৩ বলেই ম্যাচ শেষ করে দেন রাজশাহীর ওপেনার তানজিদ তামিম।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে রংপুর রাইডার্স ভালো সূচনা পায়। প্রথম দুই ওভারে ১৯ রান তুললেও পাওয়ার প্লেতে লিটন দাসের উইকেট হারায় রংপুর। ৬ ওভার শেষ আর কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪০ রান তোলে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ব্যাট করা তাওহীদ হৃদয় ও ডাভিড ম্যালান।
মাঝ ওভারে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স বোলারদের সামলে রানের গতি এগিয়ে নিতে থাকেন এ দুজন। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ১৩তম ওভারেই দলীয় এক শ রান পার করেন হৃদয়-ম্যালান জুটি। ১৫তম ওভার শেষে একশ রানের জুটি পূরণ করেন তারা। শেষ ৩০ বলে ৩৮ রানের প্রয়োজন, হাতে ৯ উইকেট। এমন সহজ সমীকরণে রংপুর ধাক্কা খায় ১৬তম ওভারের প্রথম বলে। ৩৯ বলে ৫৩ রান করা হৃদয় এসএম মেহরবের স্পিনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। সেই ওভার থেকে ৩ রান এলেও পরের ওভারে ম্যালান এক চার ও এক ছক্কায় ১৩ রান এনে আবার রংপুরকে ম্যাচে ফেরায়। ১৮ বলে ২২ রানের সমীকরণে ফের মেহরব আঘাত হানেন। সেই ওভার থেকে মাত্র ২ রান দিয়ে নেন কাইল মায়ার্সের(৯ রান) উইকেট। শেষ দুই ওভারে ২০ রানের প্রয়োজন হলেও রংপুরের হয়ে এক প্রান্তে ম্যালান ছিলেন আগ্রাসী। বিনুরা ফার্নান্দোর ১৯তম ওভারে নেন ১৩ রান।
শেষ ওভারে ৭ রানের দরকার, সহজ জয় অপেক্ষা করলেও রিপন মন্ডলের দক্ষতায় ম্যাচ সুপার ওভারে যায়। সেখানে এক ওভার থেকে মাত্র ৬ রান তুলতে পারে রংপুর, যা তানজিদ তামিমের ব্যাটে ৩ বলেই দুই বাউন্ডারিতে রাজশাহীর নাটকীয় এক জয় নিশ্চিত করে।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহী শাহিবজাদা ফারহাননের ৬৫ রানের ইনিংস ও নাজমুল শান্তর ৪১ রানে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৯ রানের সংগ্রহ পায়।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন