চলতি বিপিএলে সিলেট টাইটানসের কাছে ৬ উইকেটে হারল রংপুর রাইডার্স। এ নিয়ে টানা তিন ম্যাচে জয়হীন থাকল সোহানের দল রংপুর রাইডার্স।
আজ সোমবার মাত্র ১১৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দারুণ সূচনা পায় সিলেট। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৫৪ রান। মাত্র ২২ বলে ৩৩ রান করে আউট হন ওপেনার তৌফিক খান। আর পরের উইকেটে ব্যাট করতে নেমে ২৬ বলে ২১ রান করেন ডানহাতি ব্যাটার আরিফুল ইসলাম। এ ছাড়া আফিফ ১২ ও ইথান ব্রুকস ০ রানে আউট হন। এরপর মঈন আলীকে সঙ্গে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন এবং মাঠ ছাড়ার আগে ফিফটি তুলে নেন ইমন। অপরাজিত থাকেন ৪১ বলে ৫২ রানে। কোনো বল না খেলেই মাঠ ছাড়েন মঈন আলী।
এর আগে, সিলেটে নিজেদের শেষ ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামে রংপুর। দুই ওভারে ৬ বলের মধ্যে ৬ রানে দুই ওপেনার কাইল মায়ার্স ও তাওহীদ হৃদয় আউট হন। নাসুম আহমেদের বলে ডাক মারেন মায়ার্স। ৪ রান করে শহীদুল ইসলামের শিকার হন হৃদয়।
চারটি চার মেরে দারুণ শুরু করে লিটন দাস শহীদুলের পরের ওভারে বিদায় নেন। ১২ বলে ২২ রান করেন তিনি। পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেটে ৩৫ রান করে চাপে পড়ে রংপুর।
তারপর ১১তম ওভারে চতুর্থ উইকেট পড়লেও রান দ্রুত বাড়েনি। ১৭ রান করা ইফতিখার আহমেদ ৪০ রানের জুটি গড়ে ফিরে যান। তারপর শুরু হয় ধস। একশর আগে অলআউটের শঙ্কা জাগে রংপুর শিবিরে। ১৬তম ওভারে নাসুম আহমেদের টানা দুই বলে উইকেট হারায় রংপুর। ৯৬ রানে ৯ উইকেট পড়েছিল তাদের। তবে মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে একশ পার করে প্রথম পাঁচ ম্যাচে চার জয় পাওয়া রংপুর।
শেষ ওভারের প্রথম বলে মাহমুদউল্লাহকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রানে থামান সালমান ইরশাদ। ২৩ বলের ইনিংসে ছিল চারটি চার। ১৮ রানের জুটি ভাঙতেই শেষ হয় রংপুরের ইনিংস। তাদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন খুশদিল শাহ।
মঈন আলী তার চার ওভারে মাত্র ৮ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। নাসুম ও শহীদুল তিনটি করে উইকেট শিকার করেন।
এমএইছ / ধ্রুবকন্ঠ
.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬
চলতি বিপিএলে সিলেট টাইটানসের কাছে ৬ উইকেটে হারল রংপুর রাইডার্স। এ নিয়ে টানা তিন ম্যাচে জয়হীন থাকল সোহানের দল রংপুর রাইডার্স।
আজ সোমবার মাত্র ১১৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দারুণ সূচনা পায় সিলেট। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৫৪ রান। মাত্র ২২ বলে ৩৩ রান করে আউট হন ওপেনার তৌফিক খান। আর পরের উইকেটে ব্যাট করতে নেমে ২৬ বলে ২১ রান করেন ডানহাতি ব্যাটার আরিফুল ইসলাম। এ ছাড়া আফিফ ১২ ও ইথান ব্রুকস ০ রানে আউট হন। এরপর মঈন আলীকে সঙ্গে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন এবং মাঠ ছাড়ার আগে ফিফটি তুলে নেন ইমন। অপরাজিত থাকেন ৪১ বলে ৫২ রানে। কোনো বল না খেলেই মাঠ ছাড়েন মঈন আলী।
এর আগে, সিলেটে নিজেদের শেষ ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামে রংপুর। দুই ওভারে ৬ বলের মধ্যে ৬ রানে দুই ওপেনার কাইল মায়ার্স ও তাওহীদ হৃদয় আউট হন। নাসুম আহমেদের বলে ডাক মারেন মায়ার্স। ৪ রান করে শহীদুল ইসলামের শিকার হন হৃদয়।
চারটি চার মেরে দারুণ শুরু করে লিটন দাস শহীদুলের পরের ওভারে বিদায় নেন। ১২ বলে ২২ রান করেন তিনি। পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেটে ৩৫ রান করে চাপে পড়ে রংপুর।
তারপর ১১তম ওভারে চতুর্থ উইকেট পড়লেও রান দ্রুত বাড়েনি। ১৭ রান করা ইফতিখার আহমেদ ৪০ রানের জুটি গড়ে ফিরে যান। তারপর শুরু হয় ধস। একশর আগে অলআউটের শঙ্কা জাগে রংপুর শিবিরে। ১৬তম ওভারে নাসুম আহমেদের টানা দুই বলে উইকেট হারায় রংপুর। ৯৬ রানে ৯ উইকেট পড়েছিল তাদের। তবে মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে একশ পার করে প্রথম পাঁচ ম্যাচে চার জয় পাওয়া রংপুর।
শেষ ওভারের প্রথম বলে মাহমুদউল্লাহকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রানে থামান সালমান ইরশাদ। ২৩ বলের ইনিংসে ছিল চারটি চার। ১৮ রানের জুটি ভাঙতেই শেষ হয় রংপুরের ইনিংস। তাদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন খুশদিল শাহ।
মঈন আলী তার চার ওভারে মাত্র ৮ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। নাসুম ও শহীদুল তিনটি করে উইকেট শিকার করেন।
এমএইছ / ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন