ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বাংলাদেশে আইপিএলের সম্প্রচার বন্ধে ভারতের বড় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা



বাংলাদেশে আইপিএলের সম্প্রচার বন্ধে ভারতের বড় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা
ছবি : সংগৃহীত

আইপিএলের সবশেষ নিলামে বাংলাদেশ দলের তারকা পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। কিন্তু ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক ধর্মীয় নেতাদের দাবির মুখে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দিয়ে বিপাকে পড়েছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)

এই ঘটনার কারণেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে ভারত যেতে চায় না বাংলাদেশ। আনুষ্ঠানিকভাবে এমনটি জানিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) শুধু তাই নয়, আজ সোমবার বাংলাদেশে আইপিএলের ম্যাচ সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা। যে কারণে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে ভারত।

বাংলাদেশে যদি আইপিএল সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড কতখানি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। আইপিএল থেকে বিসিসিআই যে অর্থ উপার্জন করে, তার সিংহভাগই আসে ভারত থেকে। টিভি এবং ডিজিটাল মিডিয়া স্বত্ত্ব, টাইটেল স্পনসর, টিম স্পনসর এবং বিজ্ঞাপন থেকেই আসে সবথেকে বেশি টাকা। 

২০২৩ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত আইপিএল টুর্নামেন্টের মিডিয়া রাইটস মোট ৪৩,৩৯০ টাকায় বিক্রি করেছিল ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড। গতবারের মিডিয়া রাইটসের তুলনায় এই অঙ্কটা প্রায় দ্বিগুণ। এই উপার্জনের সিংহভাগটাই আসে ভারত থেকে। এই দেশে টেলিভিশন এবং ডিজিটাল দুটো প্ল্যাটফর্মেই ভিউয়ারশিপ যথেষ্ট বেশি।

২০২৩ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত বাণিজ্যিক চুক্তির মধ্যে আন্তর্জাতিক মিডিয়া থেকে ,০৭৫ কোটি টাকা উপার্জন হয়েছে। ৪৮ হাজার কোটি টাকার তুলনায় এই অঙ্কটা একেবারেই সামান্য।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি বছর আইপিএল টুর্নামেন্ট মোট যা রেভিনিউ উপার্জন করে, সেখানে বাংলাদেশের মতো বাজার থেকে মাত্র থেকে শতাংশই আসে। 

এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডকে কোনও কর দিতে হয় না। কিন্তু, আইপিএল টুর্নামেন্ট থেকে ভারত সরকার যথেষ্ট মোটা অঙ্কের টাকা উপার্জন করে থাকে। বিশেষ করে বিদেশি ক্রিকেটারদের স্যালারিতে ২০ শতাংশ পর্যন্ত টিডিএস কাটা হয়। ২০২৫ আইপিএল মেগা নিলাম থেকেই সরকার ৫১.১৫ কোটি টাকার টিডিএস কেটেছে। তবে মোট টিডিএসের পরিমাণ ৮৯.৪৯ কোটি টাকা। 

 

এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ

 

 

বিষয় : ক্রিকেট আইপিএল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬


বাংলাদেশে আইপিএলের সম্প্রচার বন্ধে ভারতের বড় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

আইপিএলের সবশেষ নিলামে বাংলাদেশ দলের তারকা পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। কিন্তু ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক ধর্মীয় নেতাদের দাবির মুখে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দিয়ে বিপাকে পড়েছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)

এই ঘটনার কারণেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে ভারত যেতে চায় না বাংলাদেশ। আনুষ্ঠানিকভাবে এমনটি জানিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) শুধু তাই নয়, আজ সোমবার বাংলাদেশে আইপিএলের ম্যাচ সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা। যে কারণে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে ভারত।

বাংলাদেশে যদি আইপিএল সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড কতখানি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। আইপিএল থেকে বিসিসিআই যে অর্থ উপার্জন করে, তার সিংহভাগই আসে ভারত থেকে। টিভি এবং ডিজিটাল মিডিয়া স্বত্ত্ব, টাইটেল স্পনসর, টিম স্পনসর এবং বিজ্ঞাপন থেকেই আসে সবথেকে বেশি টাকা। 

২০২৩ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত আইপিএল টুর্নামেন্টের মিডিয়া রাইটস মোট ৪৩,৩৯০ টাকায় বিক্রি করেছিল ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড। গতবারের মিডিয়া রাইটসের তুলনায় এই অঙ্কটা প্রায় দ্বিগুণ। এই উপার্জনের সিংহভাগটাই আসে ভারত থেকে। এই দেশে টেলিভিশন এবং ডিজিটাল দুটো প্ল্যাটফর্মেই ভিউয়ারশিপ যথেষ্ট বেশি।

২০২৩ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত বাণিজ্যিক চুক্তির মধ্যে আন্তর্জাতিক মিডিয়া থেকে ,০৭৫ কোটি টাকা উপার্জন হয়েছে। ৪৮ হাজার কোটি টাকার তুলনায় এই অঙ্কটা একেবারেই সামান্য।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি বছর আইপিএল টুর্নামেন্ট মোট যা রেভিনিউ উপার্জন করে, সেখানে বাংলাদেশের মতো বাজার থেকে মাত্র থেকে শতাংশই আসে। 

এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডকে কোনও কর দিতে হয় না। কিন্তু, আইপিএল টুর্নামেন্ট থেকে ভারত সরকার যথেষ্ট মোটা অঙ্কের টাকা উপার্জন করে থাকে। বিশেষ করে বিদেশি ক্রিকেটারদের স্যালারিতে ২০ শতাংশ পর্যন্ত টিডিএস কাটা হয়। ২০২৫ আইপিএল মেগা নিলাম থেকেই সরকার ৫১.১৫ কোটি টাকার টিডিএস কেটেছে। তবে মোট টিডিএসের পরিমাণ ৮৯.৪৯ কোটি টাকা। 

 

এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ

 

 


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত