ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

তিন বছর পর সাদা বলের ক্রিকেটে ফিরছে ইংল্যান্ড লায়ন্স



তিন বছর পর সাদা বলের ক্রিকেটে ফিরছে ইংল্যান্ড লায়ন্স
ছবি : সংগৃহীত

ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান শাহিনসের বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজ খেলবে ইংল্যান্ড লায়নস (‘দল) সংযুক্ত আরব আমিরাতে এই সফরে দলের কোচিং স্টাফে যুক্ত হচ্ছেন বেন স্টোকস মঈন আলী। সফরে প্রধান কোচ অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফের সঙ্গে কাজ করবেন দুই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।

এই সফরে তিনটি টি-টোয়েন্টি পাঁচটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে ইংল্যান্ড লায়নস। তিন বছর পর প্রথমবার লায়নস প্রোগ্রামে প্রতিযোগিতামূলক সাদা বলের ক্রিকেট ফিরছে, যা ইংল্যান্ড ক্রিকেটের উন্নয়ন কাঠামোয় নতুন দিক নির্দেশনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ইংল্যান্ড মূলত কাউন্টি ক্রিকেট, শীতকালীন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ এবং অনূর্ধ্ব-১৯ প্রোগ্রামের মাধ্যমে তরুণদের সাদা বলের প্রস্তুতি চালিয়েছে। তবে পাকিস্তান শাহিনস সফর দিয়ে লায়ন্স দলকে আবারও সাদা বলের উন্নয়ন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সক্রিয় করা হচ্ছে।

লায়নসের টি-টোয়েন্টি সিরিজটি হবে ২০১৮ সালের পর প্রথম। ছাড়া ২০২৩ সালে শ্রীলঙ্কা সফরের পর তারা আর কোনো ৫০ ওভারের ম্যাচও খেলেনি।

স্টোকস এই সফরকে ব্যবহার করবেন অ্যাশেজ সিরিজের শেষ টেস্টে পাওয়া কুঁচকির চোট থেকে পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে। চলতি গ্রীষ্মে দ্য হান্ড্রেডে নর্দার্ন সুপারচার্জার্সেমেন্টরভূমিকায় ফ্লিনটফের সঙ্গে কাজ করেছিলেন তিনি। এবার আবুধাবিতে আবারও সেই জুটি একসঙ্গে কাজ করবে।

ইয়র্কশায়ারের হয়ে টি-টোয়েন্টি ব্লাস্ট খেলতে অবসর ভেঙে ফেরার ঘোষণা দেওয়া মঈন কোচিংয়ের দিকে রূপান্তর প্রক্রিয়াও চালিয়ে যাবেন এই সফরের মাধ্যমে। ফ্লিনটফের কোচিং স্টাফে আরও আছেন নিল ম্যাকেঞ্জি, সারাহ টেলর, নিল কিলিন, আমার রশিদ এবং পেস বোলিং বিশেষজ্ঞ ট্রয় কুলি, যিনি সম্প্রতি আবার দায়িত্ব পেয়েছেন।

টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে অধিনায়ক করা হয়েছে জর্ডান কক্সকে। দলে ফিরেছেন হাঁটুর অস্ত্রোপচারের পর সাকিব মাহমুদ। বিশ্বকাপ চলাকালীন কোনো ইংল্যান্ড খেলোয়াড় চোট পেলে বিকল্প হিসেবে কাছেই থাকবেন এই খেলোয়াড়রা।

দলে উল্লেখযোগ্য নাম হিসেবে আছেন জেমস কোলস, যিনি এসএ২০ মৌসুমে সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেপের শিরোপা জয়ে ভূমিকা রেখেছিলেন। এছাড়া ডারহাম ওভাল ইনভিন্সিবলসের হয়ে ভালো ফর্মের পুরস্কার পেয়েছেন নাথান সাউটার। টম মুরসও নটিংহ্যামশায়ার ট্রেন্ট রকেটসের হয়ে সফল মৌসুমের পর দলে ফিরেছেন।

৫০ ওভারের দলে অধিনায়কত্ব করবেন ড্যান মাউসলি। স্কোয়াডে রয়েছেন সোমারসেটের উইকেটকিপার জেমস রিউ এবং পেসার ম্যাথিউ পটসও, যিনি অ্যাশেজের বাজে পারফরম্যান্স ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবেন।

ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্স ডিরেক্টর এড বার্নির ভাষায়, ‘শক্তিশালী একটি ইংল্যান্ড লায়নস স্কোয়াড নির্বাচন করা হয়েছে। এখানে অভিজ্ঞ পারফরমার প্রতিভাবান তরুণদের দারুণ সমন্বয় রয়েছে। সীমিত ওভারের ক্রিকেট কম থাকায় এই সিরিজ এবং ২০২৬ সালের অন্যান্য সফর খেলোয়াড়দের উন্নয়নে বড় সুযোগ দেবে।তিনি আরও জানান, লক্ষ্য ২০২৭ আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ভবিষ্যৎ দল গঠন।

 

এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ

 

 

বিষয় : ক্রিকেট ইংল্যান্ড

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


তিন বছর পর সাদা বলের ক্রিকেটে ফিরছে ইংল্যান্ড লায়ন্স

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান শাহিনসের বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজ খেলবে ইংল্যান্ড লায়নস (‘দল) সংযুক্ত আরব আমিরাতে এই সফরে দলের কোচিং স্টাফে যুক্ত হচ্ছেন বেন স্টোকস মঈন আলী। সফরে প্রধান কোচ অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফের সঙ্গে কাজ করবেন দুই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।

এই সফরে তিনটি টি-টোয়েন্টি পাঁচটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে ইংল্যান্ড লায়নস। তিন বছর পর প্রথমবার লায়নস প্রোগ্রামে প্রতিযোগিতামূলক সাদা বলের ক্রিকেট ফিরছে, যা ইংল্যান্ড ক্রিকেটের উন্নয়ন কাঠামোয় নতুন দিক নির্দেশনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ইংল্যান্ড মূলত কাউন্টি ক্রিকেট, শীতকালীন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ এবং অনূর্ধ্ব-১৯ প্রোগ্রামের মাধ্যমে তরুণদের সাদা বলের প্রস্তুতি চালিয়েছে। তবে পাকিস্তান শাহিনস সফর দিয়ে লায়ন্স দলকে আবারও সাদা বলের উন্নয়ন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সক্রিয় করা হচ্ছে।

লায়নসের টি-টোয়েন্টি সিরিজটি হবে ২০১৮ সালের পর প্রথম। ছাড়া ২০২৩ সালে শ্রীলঙ্কা সফরের পর তারা আর কোনো ৫০ ওভারের ম্যাচও খেলেনি।

স্টোকস এই সফরকে ব্যবহার করবেন অ্যাশেজ সিরিজের শেষ টেস্টে পাওয়া কুঁচকির চোট থেকে পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে। চলতি গ্রীষ্মে দ্য হান্ড্রেডে নর্দার্ন সুপারচার্জার্সেমেন্টরভূমিকায় ফ্লিনটফের সঙ্গে কাজ করেছিলেন তিনি। এবার আবুধাবিতে আবারও সেই জুটি একসঙ্গে কাজ করবে।

ইয়র্কশায়ারের হয়ে টি-টোয়েন্টি ব্লাস্ট খেলতে অবসর ভেঙে ফেরার ঘোষণা দেওয়া মঈন কোচিংয়ের দিকে রূপান্তর প্রক্রিয়াও চালিয়ে যাবেন এই সফরের মাধ্যমে। ফ্লিনটফের কোচিং স্টাফে আরও আছেন নিল ম্যাকেঞ্জি, সারাহ টেলর, নিল কিলিন, আমার রশিদ এবং পেস বোলিং বিশেষজ্ঞ ট্রয় কুলি, যিনি সম্প্রতি আবার দায়িত্ব পেয়েছেন।

টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে অধিনায়ক করা হয়েছে জর্ডান কক্সকে। দলে ফিরেছেন হাঁটুর অস্ত্রোপচারের পর সাকিব মাহমুদ। বিশ্বকাপ চলাকালীন কোনো ইংল্যান্ড খেলোয়াড় চোট পেলে বিকল্প হিসেবে কাছেই থাকবেন এই খেলোয়াড়রা।

দলে উল্লেখযোগ্য নাম হিসেবে আছেন জেমস কোলস, যিনি এসএ২০ মৌসুমে সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেপের শিরোপা জয়ে ভূমিকা রেখেছিলেন। এছাড়া ডারহাম ওভাল ইনভিন্সিবলসের হয়ে ভালো ফর্মের পুরস্কার পেয়েছেন নাথান সাউটার। টম মুরসও নটিংহ্যামশায়ার ট্রেন্ট রকেটসের হয়ে সফল মৌসুমের পর দলে ফিরেছেন।

৫০ ওভারের দলে অধিনায়কত্ব করবেন ড্যান মাউসলি। স্কোয়াডে রয়েছেন সোমারসেটের উইকেটকিপার জেমস রিউ এবং পেসার ম্যাথিউ পটসও, যিনি অ্যাশেজের বাজে পারফরম্যান্স ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবেন।

ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্স ডিরেক্টর এড বার্নির ভাষায়, ‘শক্তিশালী একটি ইংল্যান্ড লায়নস স্কোয়াড নির্বাচন করা হয়েছে। এখানে অভিজ্ঞ পারফরমার প্রতিভাবান তরুণদের দারুণ সমন্বয় রয়েছে। সীমিত ওভারের ক্রিকেট কম থাকায় এই সিরিজ এবং ২০২৬ সালের অন্যান্য সফর খেলোয়াড়দের উন্নয়নে বড় সুযোগ দেবে।তিনি আরও জানান, লক্ষ্য ২০২৭ আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ভবিষ্যৎ দল গঠন।

 

এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ

 

 


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত