২০২৬ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি, কিন্তু মাঠের লড়াইয়ের চেয়ে এখন টেবিলের লড়াই-ই মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ দলকে বিশ্বকাপ থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে আইসিসির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে পাকিস্তান।
পিসিবি
চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এটি কেবল সূচি নিয়ে বিরোধ নয়, বরং আইসিসির ‘প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্য’ ও ‘দ্বিমুখী নীতি’র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। গত ২৬ জানুয়ারি পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সাথে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর মহসিন নাকভি আইসিসির সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের জন্য যদি হাইব্রিড মডেল (শ্রীলঙ্কায় খেলা) অনুমোদিত হতে পারে, তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কেন নয়?
বাংলাদেশের
সাথে অন্যায় করা হয়েছে। আমি আইসিসি বোর্ড মিটিংয়েও বলেছি, আপনারা দ্বিমুখী নীতি চালাতে পারেন না।
তিনি
আরও যোগ করেন, পাকিস্তান সরকার যদি সিদ্ধান্ত নেয়, তবে আমরাও বিশ্বকাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেব। তখন আইসিসি যেন তাদের ২২তম দলের খোঁজ শুরু করে দেয়।
নাকভি
স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, পিসিবি আইসিসির অধীনস্থ নয়, বরং তারা পাকিস্তান সরকারের নির্দেশে চলে। ২৯ জানুয়ারির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, পাকিস্তান একেবারে বিশ্বকাপ বর্জন না করে একটি ‘কৌশলগত মধ্যপন্থা’ অবলম্বন করতে পারে। গুঞ্জন উঠেছে, পাকিস্তান আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় অনুষ্ঠিতব্য ভারতের বিপক্ষে হাই-ভোল্টেজ ম্যাচটি ‘ওয়াকওভার’ বা ছেড়ে দেওয়ার চিন্তা করছে।
কেন
এই পরিকল্পনা?
সরাসরি
বিশ্বকাপ বয়কট করলে আইসিসি বড় ধরনের আর্থিক জরিমানা বা নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা রাখে। কিন্তু ম্যাচটি যদি ‘সরকারের নির্দেশ’ হিসেবে বয়কট করা হয়, তবে পিসিবি রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের নিষেধাজ্ঞা থেকে বেঁচে যেতে পারে।
এদিকে,
পিসিবির এই সিদ্ধান্তহীনতাকে উপহাস করতে ছাড়েনি ‘আইসল্যান্ড ক্রিকেট’। ২৮ জানুয়ারি তাদের একটি টুইট বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়েছে। তারা ব্যঙ্গাত্মকভাবে লিখেছে, পাকিস্তান কবে সিদ্ধান্ত নেবে আমরা সেই অপেক্ষায় আছি। ২ ফেব্রুয়ারি তারা নাম প্রত্যাহার করলেই আমরা উড়াল দিতে প্রস্তুত। তবে কলম্বোর ফ্লাইট শিডিউল মেলানো এক দুঃস্বপ্ন। আমাদের ওপেনিং ব্যাটার আবার অনিদ্রার রোগী!
এমএইছ / ধ্রুবকন্ঠ
.png)
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
২০২৬ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি, কিন্তু মাঠের লড়াইয়ের চেয়ে এখন টেবিলের লড়াই-ই মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ দলকে বিশ্বকাপ থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে আইসিসির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে পাকিস্তান।
পিসিবি
চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এটি কেবল সূচি নিয়ে বিরোধ নয়, বরং আইসিসির ‘প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্য’ ও ‘দ্বিমুখী নীতি’র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। গত ২৬ জানুয়ারি পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সাথে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর মহসিন নাকভি আইসিসির সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের জন্য যদি হাইব্রিড মডেল (শ্রীলঙ্কায় খেলা) অনুমোদিত হতে পারে, তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কেন নয়?
বাংলাদেশের
সাথে অন্যায় করা হয়েছে। আমি আইসিসি বোর্ড মিটিংয়েও বলেছি, আপনারা দ্বিমুখী নীতি চালাতে পারেন না।
তিনি
আরও যোগ করেন, পাকিস্তান সরকার যদি সিদ্ধান্ত নেয়, তবে আমরাও বিশ্বকাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেব। তখন আইসিসি যেন তাদের ২২তম দলের খোঁজ শুরু করে দেয়।
নাকভি
স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, পিসিবি আইসিসির অধীনস্থ নয়, বরং তারা পাকিস্তান সরকারের নির্দেশে চলে। ২৯ জানুয়ারির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, পাকিস্তান একেবারে বিশ্বকাপ বর্জন না করে একটি ‘কৌশলগত মধ্যপন্থা’ অবলম্বন করতে পারে। গুঞ্জন উঠেছে, পাকিস্তান আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় অনুষ্ঠিতব্য ভারতের বিপক্ষে হাই-ভোল্টেজ ম্যাচটি ‘ওয়াকওভার’ বা ছেড়ে দেওয়ার চিন্তা করছে।
কেন
এই পরিকল্পনা?
সরাসরি
বিশ্বকাপ বয়কট করলে আইসিসি বড় ধরনের আর্থিক জরিমানা বা নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা রাখে। কিন্তু ম্যাচটি যদি ‘সরকারের নির্দেশ’ হিসেবে বয়কট করা হয়, তবে পিসিবি রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের নিষেধাজ্ঞা থেকে বেঁচে যেতে পারে।
এদিকে,
পিসিবির এই সিদ্ধান্তহীনতাকে উপহাস করতে ছাড়েনি ‘আইসল্যান্ড ক্রিকেট’। ২৮ জানুয়ারি তাদের একটি টুইট বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়েছে। তারা ব্যঙ্গাত্মকভাবে লিখেছে, পাকিস্তান কবে সিদ্ধান্ত নেবে আমরা সেই অপেক্ষায় আছি। ২ ফেব্রুয়ারি তারা নাম প্রত্যাহার করলেই আমরা উড়াল দিতে প্রস্তুত। তবে কলম্বোর ফ্লাইট শিডিউল মেলানো এক দুঃস্বপ্ন। আমাদের ওপেনিং ব্যাটার আবার অনিদ্রার রোগী!
এমএইছ / ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন