প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানো হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন,
‘মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানো হয়েছে। আগে কাস্টমস ডিউটি ছিল ২৫ শতাংশ। এখন তা ১০ শতাংশ করা হয়েছে। দেশি উৎপাদিত ফোনের ট্যাক্স ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামানো হয়েছে।‘
প্রেসসচিব আশা প্রকাশ করেন,
এই পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশে মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি আরও ব্যাপকতা পাবে। তিনি উল্লেখ করেন,
দেশে প্রচুর পরিমাণে বিদেশ থেকে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন আনা হয়,
যা কিছু অংশে পুনরায় বিক্রি করা হয়। এতে সাধারণ ক্রেতা ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং সরকারও ট্যাক্স থেকে বঞ্চিত হয়। এই পদক্ষেপের ফলে দেশীয় ফোনের চাহিদা বাড়বে এবং দামও কমতে পারে।
তবে নতুন বছরে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তক বিতরণের বিষয়েও প্রেসসচিব আশ্বাস দেন। তিনি বলেন,
‘১৫ জানুয়ারির মধ্যে সব পাঠ্যপুস্তক শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেয়া সম্ভব হবে। শিক্ষকদের সঙ্গে পরামর্শ করে ১২৩টি বইয়ের ভুল সংশোধন করা হয়েছে।‘
প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান,
মোট পাঠ্যপুস্তকের ৮৩ শতাংশ ইতিমধ্যেই শিক্ষার্থীদের বিতরণ করা হয়েছে। বাকি বই সময়মতো বিতরণের জন্য সরকার কাজ করছে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : প্রেসসচিব মোবাইল ফোন ট্যাক্স
.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬
প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানো হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন,
‘মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানো হয়েছে। আগে কাস্টমস ডিউটি ছিল ২৫ শতাংশ। এখন তা ১০ শতাংশ করা হয়েছে। দেশি উৎপাদিত ফোনের ট্যাক্স ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামানো হয়েছে।‘
প্রেসসচিব আশা প্রকাশ করেন,
এই পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশে মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি আরও ব্যাপকতা পাবে। তিনি উল্লেখ করেন,
দেশে প্রচুর পরিমাণে বিদেশ থেকে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন আনা হয়,
যা কিছু অংশে পুনরায় বিক্রি করা হয়। এতে সাধারণ ক্রেতা ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং সরকারও ট্যাক্স থেকে বঞ্চিত হয়। এই পদক্ষেপের ফলে দেশীয় ফোনের চাহিদা বাড়বে এবং দামও কমতে পারে।
তবে নতুন বছরে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তক বিতরণের বিষয়েও প্রেসসচিব আশ্বাস দেন। তিনি বলেন,
‘১৫ জানুয়ারির মধ্যে সব পাঠ্যপুস্তক শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেয়া সম্ভব হবে। শিক্ষকদের সঙ্গে পরামর্শ করে ১২৩টি বইয়ের ভুল সংশোধন করা হয়েছে।‘
প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান,
মোট পাঠ্যপুস্তকের ৮৩ শতাংশ ইতিমধ্যেই শিক্ষার্থীদের বিতরণ করা হয়েছে। বাকি বই সময়মতো বিতরণের জন্য সরকার কাজ করছে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন